ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় বেঁচে ফেরার গল্পগুলো যেমন

শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় বেঁচে ফেরার গল্পগুলো যেমন
সংগৃহীত ছবি
ফলো করুন

ভেনেজুয়েলায় এক মিনিটের ব্যবধানে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা। ভূমিকম্পের উৎপত্তি যথাক্রমে মাটির ২২ ও ১০ কিলোমিটার গভীরে বলে জানা গেছে।

রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হলে মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ও শপিং মল থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনগুলোতে হঠাৎ কাঁপুনি শুরু হলে অনেকে জরুরি সিঁড়ি ব্যবহার করে দ্রুত নিচে নেমে আসেন।

শপিং মলে থাকা এক দোকানি হেইডি রোমেরো জানান, কম্পনের সময় মানুষ চিৎকার ও দৌড়াদৌড়িতে জড়িয়ে পড়ে এবং ইমার্জেন্সি এক্সিট দিয়ে দ্রুত বের হয়ে আসে।

অন্যদিকে রাজধানীর পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী কারমেন গুয়েদেজ জানান, ভূমিকম্পের সময় তিনি ঘরের ভেতরেই ছিলেন এবং কম্পনের তীব্রতায় জানালা ও দেয়াল কাঁপতে দেখেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ত্রুহিয়ো, কারাবোবো, মিরান্দা ও লা গুয়াইরা অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন ভবনে ফাটল, দেয়াল ধস এবং কিছু স্থাপনা সম্পূর্ণ ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

একজন প্রকৌশলী জানান, ভূমিকম্পের সময় ভবনের কাঠামোতে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয় এবং কম্পন দীর্ঘস্থায়ী হলে ধসের ঝুঁকি আরও বাড়ে।

ভূমিকম্প থামার পর হাজার হাজার মানুষ নিরাপত্তার আশায় রাস্তায় অবস্থান নেয়।

সূত্র: এএফপি

ট্যাগ : ভূমিকম্প ভেনেজুয়েলা

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শক্তিশালী ভূমিকম্পের সময় বেঁচে ফেরার গল্পগুলো যেমন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬

featured Image

ভেনেজুয়েলায় এক মিনিটের ব্যবধানে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা। ভূমিকম্পের উৎপত্তি যথাক্রমে মাটির ২২ ও ১০ কিলোমিটার গভীরে বলে জানা গেছে।

রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় কম্পন অনুভূত হলে মানুষ আতঙ্কে ঘরবাড়ি ও শপিং মল থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনগুলোতে হঠাৎ কাঁপুনি শুরু হলে অনেকে জরুরি সিঁড়ি ব্যবহার করে দ্রুত নিচে নেমে আসেন।

শপিং মলে থাকা এক দোকানি হেইডি রোমেরো জানান, কম্পনের সময় মানুষ চিৎকার ও দৌড়াদৌড়িতে জড়িয়ে পড়ে এবং ইমার্জেন্সি এক্সিট দিয়ে দ্রুত বের হয়ে আসে।

অন্যদিকে রাজধানীর পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী কারমেন গুয়েদেজ জানান, ভূমিকম্পের সময় তিনি ঘরের ভেতরেই ছিলেন এবং কম্পনের তীব্রতায় জানালা ও দেয়াল কাঁপতে দেখেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ত্রুহিয়ো, কারাবোবো, মিরান্দা ও লা গুয়াইরা অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন ভবনে ফাটল, দেয়াল ধস এবং কিছু স্থাপনা সম্পূর্ণ ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

একজন প্রকৌশলী জানান, ভূমিকম্পের সময় ভবনের কাঠামোতে তীব্র চাপ সৃষ্টি হয় এবং কম্পন দীর্ঘস্থায়ী হলে ধসের ঝুঁকি আরও বাড়ে।

ভূমিকম্প থামার পর হাজার হাজার মানুষ নিরাপত্তার আশায় রাস্তায় অবস্থান নেয়।

সূত্র: এএফপি


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ