ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ
সর্বশেষ
৪৫৯২ জনবল নিয়ে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিটের

৪৫৯২ জনবল নিয়ে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিটের

সাইবার অপরাধ মোকাবিলা এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং জোরদার করতে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ও স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। নতুন ইউনিটে অনুমোদিত জনবল থাকবে ৪ হাজার ৫৯২ জন। এর নেতৃত্ব দেবেন একজন অতিরিক্ত আইজিপি।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর পুলিশ সদর দপ্তরের ‘হল অব ইন্টেগ্রিটি’তে ইউনিটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পরে ‘হল অব প্রাইড’-এ আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন ইউনিটের কাঠামো, কার্যক্রম ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পরিবর্তনশীল অপরাধের ধরন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে আধুনিক প্রযুক্তি ও মেধানির্ভর পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই ইউনিট চালু করা হয়েছে।নতুন সাইবার পুলিশ ইউনিট একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত আইজিপি মো. ইকবাল হোসেনকে ইউনিটটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।ইউনিটটির কার্যক্রম শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বিভাগীয় পর্যায়ে ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজি এবং জেলা পর্যায়ে পুলিশ সুপার (এসপি) বা দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন।থানা পর্যায়েও সাইবার অপরাধসংক্রান্ত সেবা ও তদন্তের ব্যবস্থা থাকবে। ওসির নেতৃত্বে এসব কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই), সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর (এএসআই) ও কনস্টেবল পদায়ন করা হবে।অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ইউনিটটির মোট জনবল নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৫৯২ জন। বিদ্যমান পুলিশ বাহিনীর অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত সদস্যদের পদায়নের পাশাপাশি নতুন নিয়োগের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় জনবল পূরণ করা হবে।প্রথাগত পুলিশিংয়ের বাইরের বিশেষায়িত কারিগরি দক্ষতাও এই ইউনিটে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরির জন্য আউটসোর্সিং ও চুক্তিভিত্তিক বিশেষজ্ঞ নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।সিস্টেম অ্যানালিস্ট, ফাইন্যান্সিয়াল ডেটা অ্যানালিস্ট, সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট, নেটওয়ার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেটর, ডার্ক ওয়েব অ্যানালিস্ট, ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট, ম্যালওয়্যার অ্যানালিস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিস্ট, ইমার্জেন্সি রেসপন্স কনসালটেন্ট এবং ডিজাস্টার রিকভারি এক্সপার্টসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত পদে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হবে। তাদের জন্য পৃথক আকর্ষণীয় বেতন কাঠামোর ব্যবস্থাও থাকবে।একই সঙ্গে নিয়মিত পুলিশ বাহিনীর যেসব সদস্য তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই ইউনিটে দায়িত্ব দেওয়া হবে।সাইবার পুলিশ ইউনিট পরিচালনা ও তদারকিতে থাকা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দেশে ও বিদেশে উচ্চতর বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের কাজের অবদানের ভিত্তিতে বিশেষ প্রণোদনার ব্যবস্থাও থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সাইবার অপরাধ তদন্তে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে ইউনিটটির অধীনে অত্যাধুনিক ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হচ্ছে। সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ও সাইবার যন্ত্রপাতি থাকবে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মানি লন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকেন্দ্রিক অপরাধ, গুজব, আর্থিক অপরাধ, মাদক ও উগ্রবাদের মতো বর্তমান সময়ের বিভিন্ন অপরাধ মোকাবিলায় কেমিক্যাল ল্যাবের পাশাপাশি ডিজিটাল ও ফরেনসিক ল্যাবের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে।এর আগে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সাইবার অপরাধের তদন্ত বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হতো। সেই সমন্বয়হীনতা দূর করে এখন থেকে একটি সুসংগঠিত কাঠামোর অধীনে সাইবার পুলিশ ইউনিটের কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।নতুন এই বিশেষায়িত ইউনিটের মাধ্যমে দেশের সাইবার স্পেসের অপব্যবহার এবং বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও দমনে পুলিশের সক্ষমতা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

‘দেশের মানুষ আর কোনো ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না’: সাঈদ আল নোমান

‘দেশের মানুষ আর কোনো ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না’: সাঈদ আল নোমান

সকালে চার কর্মকর্তাকে বদলি, বিকেলেই সেই আদেশ স্থগিত

সকালে চার কর্মকর্তাকে বদলি, বিকেলেই সেই আদেশ স্থগিত

হামজার জন্মদিনে ইন্দোনেশিয়ার কাছে বাংলাদেশের ৯-২ গোলের লজ্জার হার

হামজার জন্মদিনে ইন্দোনেশিয়ার কাছে বাংলাদেশের ৯-২ গোলের লজ্জার হার

কক্সবাজার-পেনাং সরাসরি ফ্লাইট আনছে এয়ার এশিয়া, আন্তর্জাতিক পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা

কক্সবাজার-পেনাং সরাসরি ফ্লাইট আনছে এয়ার এশিয়া, আন্তর্জাতিক পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা

জবির নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রশংসায় ভারতীয় হাইকমিশনার

জবির নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রশংসায় ভারতীয় হাইকমিশনার

কিশোরগঞ্জে বসতঘরে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট

কিশোরগঞ্জে বসতঘরে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

দেশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত

সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের নতুন সতর্কবার্তা

সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের জন্য দূতাবাসের নতুন সতর্কবার্তা

নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ ধরলেই জেল, বাতিল হবে জেলে কার্ড

নিষেধাজ্ঞায় ইলিশ ধরলেই জেল, বাতিল হবে জেলে কার্ড

৪৫৯২ জনবল নিয়ে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিটের

৪৫৯২ জনবল নিয়ে যাত্রা শুরু সাইবার পুলিশ ইউনিটের

১২ বছর পর ইরাক ছাড়ল সর্বশেষ মার্কিন সেনারা

ইরাক থেকে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ত (আইএসআইএল বা আইএস)বিরোধী মিশনে থাকা সর্বশেষ মার্কিন সেনাদেরও প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ ১২ বছরের সামরিক মিশনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলো। স্থানীয় সময় বুধবার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের ইরবিল বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন ও আন্তর্জাতিক জোটের অবশিষ্ট সেনারা নিজেদের সরঞ্জামসহ দেশটি ছেড়ে গেছে।পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, এই প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ইরাকে আইএসআইএলকে একটি সংগঠিত সামরিক শক্তি হিসেবে পরাজিত করার ১২ বছরের অভিযান শেষ হলো। এখন থেকে ইরাকের নিরাপত্তার প্রধান দায়িত্ব ইরাকি বাহিনীর হাতে থাকবে।তিনি বলেন, আইএসআইএলের অবশিষ্ট সদস্যদের পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকেও মোকাবিলা করতে হবে ইরাককে। এসব গোষ্ঠী ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি তৈরি করছে বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের।তবে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার হলেও ইরাককে পুরোপুরি ছেড়ে যাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগন জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী ইরাকি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়া অব্যাহত থাকবে। আইএসবিরোধী অভিযানের দায়িত্বে থাকা মার্কিন টাস্কফোর্সকে ইরাক থেকে জর্ডানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে সিরিয়ায় এখনো কয়েকশ মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির শুরু ২০০৩ সালে। তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী বৈশ্বিক যুদ্ধের’ অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট ওই বছর ইরাকে সামরিক অভিযান চালায়। তখন অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন ইরাকি ফ্রিডম’।২০০৭ সালে ইরাকে মার্কিন সেনার সংখ্যা সর্বোচ্চ প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছায়। ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফায় দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করে।তবে ২০১৪ সালে ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসআইএলের দ্রুত উত্থানের পর আবার মার্কিন সেনা পাঠানো হয়। এবার মিশনের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’।২০১৭ সালে আইএসআইএল তাদের নিয়ন্ত্রিত অধিকাংশ ভূখণ্ড হারানোর পর ইরাকে থাকা বিদেশি সেনাদের ভূমিকা ধীরে ধীরে সামরিক অভিযান থেকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়ার দিকে চলে যায়। গত বছরের শেষ দিকে ইরাকে থাকা কয়েকশ বিদেশি সেনাকে ইরবিলে একত্র করা হয়েছিল। প্রত্যাহারের আগে সেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক জোটের প্রায় ১ হাজার ৫০০ সেনা ছিল।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানান।তিনি বলেন, ইরাকে থাকা বা সেখান থেকে চলে যাওয়ার মধ্যে তার সামনে একটি সিদ্ধান্ত ছিল এবং তিনি মনে করেছেন, ‘এখনই আমেরিকার ঘরে ফেরার সময়।’ট্রাম্প এই প্রত্যাহারকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের বিজয় এবং আইএসের বিরুদ্ধে একটি ‘নির্ণায়ক বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সামরিক সম্পৃক্ততাকে ট্রাম্প ‘অত্যন্ত ব্যয়বহুল এক নরকযাত্রা’ হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন একটি অধ্যায় শুরু হয়েছে। দেশটি গত কয়েক বছর তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকলেও আশপাশের অঞ্চলে একের পর এক সংঘাত চলছে।ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে ইরাক একটি নতুন যুগে প্রবেশ করছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাভিত্তিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে পরিণত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।ইরাকে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য আঞ্চলিক ও অন্যান্য দেশের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী।ট্রাম্পও আল-জাইদির প্রশংসা করে তাকে ‘চমৎকার’ ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আল-জাইদিকে তিনি শুরু থেকেই সমর্থন করে আসছেন।এরই মধ্যে ইরাক সরকার দেশটির শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ইরানের ঘনিষ্ঠ কয়েকটি গোষ্ঠীও রয়েছে। সরকার ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে এসব গোষ্ঠীকে নিরস্ত্র করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।তবে বিষয়টি সহজ হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, ইরানঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলো অস্ত্র ছাড়তে অস্বীকার করলে ইরাকের ভেতরেই বড় ধরনের সংঘাত তৈরি হতে পারে। এসব গোষ্ঠী যদি মার্কিন স্বার্থে হামলা বাড়ায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও ইরাকের ওপর নতুন করে চাপ দিতে পারে।মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চল। কুর্দি কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, মার্কিন বাহিনী চলে যাওয়ার ফলে অঞ্চলটি ইরানের সম্ভাব্য হামলা এবং আইএসআইএলের পুনরুত্থানের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।তবে ইরাকি সরকার বলছে, দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর নিজেদের সক্ষমতা যথেষ্ট রয়েছে। মার্কিন সেনা ছাড়াও তারা আইএসআইএলসহ অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলা করতে পারবে।আইএসআইএল এখন আর ইরাক বা সিরিয়ায় কোনো বড় ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে না। তবে দুই দেশেই সংগঠনটির ছোট ছোট সশস্ত্র সেল এখনো সক্রিয় রয়েছে। ইরাকি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সুযোগ নিয়ে আইএসআইএল আবারও হামলা বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারে।

১২ বছর পর ইরাক ছাড়ল সর্বশেষ মার্কিন সেনারা
২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬ জন

আজকের কথা

“
প্রিয় চাঁদাবাজ ভাইয়েরা, আমাদের জানটার নিরাপত্তা দেন। আমরা আপনাদের নিয়মিত ভিক্ষা দেব, তবুও বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নষ্ট করবেন না। বাংলাদেশের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এলাকায় দানবাক্স দিন। সবাই ৫ টাকা, ১০ টাকা দেবেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ
হাসনাত আবদুল্লাহসংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪
“
মিরপুরের টিকাকেন্দ্র-হাসপাতালের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্নির্মাণ এবং ইসিবি চত্বরের স্টুডিও হামলার ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে। মূল হোতাসহ জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
আসিফ মাহমুদ
আসিফ মাহমুদমুখপাত্র, এনসিপি
“
গা'জা যু'দ্ধে হাজার হাজার শিশুসহ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় মানবিক সহায়তা ছিল অত্যন্ত সীমিত। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপজুড়ে চলমান যু'দ্ধগুলোর প্রভাব যু'দ্ধক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
খলিলুর রহমান
খলিলুর রহমানসভাপতি, সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘ
“
আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহ'ত্যার বিচার-এই তিনটা দাবি মানলেই কক'টেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীমুখ্য সমন্বয়ক, এনসিপি
“
সন্তানেরা কার সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছে, কোথায় যাচ্ছে, এসব বিষয়ে আপনারা খেয়াল রাখবেন। এমনকি স্কুলপড়ুয়া বাচ্চাদের হাতে ফোন দেওয়ার বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।
মো. আনিসুজ্জামান
মো. আনিসুজ্জামানপুলিশ সুপার, কুমিল্লা
“
জিন্নাহ না হলে পাকিস্তানের জন্ম হতো না, আর পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশেরও সৃষ্টি হতো না। অন্তত তিনি এই বঙ্গের মানুষকে মাথায় টুপি পরা ও গরু খাওয়ার স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাই গণেশরা জিন্নাহকে সহ্য করবে না- এটাই স্বাভাবিক।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম
নুরুল ইসলাম সাদ্দামকেন্দ্রীয় সভাপতি, ইসলামী ছাত্রশিবির
“
শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী। গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্পিকার আক্ষেপ করে বলেন,
‘আমাদের... অদ্ভুত দেশ! অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর। এরা নানা ধরনের ঘুষখোরি,লুটপাট এসব করে, যার ফলে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।’
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি আছেন, তিনি বিভিন্ন সময় অসংলগ্ন কথা বলছেন। তিনি দায়িত্ব পালনে অলরেডি ব্যর্থ হয়ে গেছেন। দ্রুত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ ফেরাতে হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে সেটা সম্ভব নয়।
নাহিদ ইসলাম
নাহিদ ইসলামআহ্বায়ক, এনসিপি
“
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আওয়ামী লীগ নেতার প্রাডো গাড়িতে লংড্রাইভ করেছেন। তিনি দাবি করেন, আগে আওয়ামী লীগের সম্পদ দখলের কথা বলা হতো, যার নমুনা এটি কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।
রাশেদ খান
রাশেদ খানপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী
“
একদিকে বলা হচ্ছে দেশে তেল ও গ্যাস নেই, অন্যদিকে ২ থেকে ৩ হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করা হচ্ছে। গাড়িগুলো কি পানিতে চলে, নাকি তেলে চলে? দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে এত গাড়ি নিয়ে লংমার্চ কীভাবে হচ্ছে?
শামা ওবায়েদ ইসলাম
শামা ওবায়েদ ইসলামপররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
“
এই লংমার্চ দেশের সব বিভাগীয় শহরে যাবে। ছয় দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সরকার এসব দাবি মেনে না নিলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের আন্দোলন সফল করেই তারা ঘরে ফিরবেন।
ড. শফিকর রহমান
ড. শফিকর রহমানজামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা
“
সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। ওয়াদা দিয়ে লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের কখনো ক্ষমা করবে না। তাই জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
শামা ওবায়েদ
শামা ওবায়েদপ্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
“
সিফাত যে বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তা দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভেতরের রক্তক্ষরণ। সময় এলে এ দেশের ১৮ কোটি মানুষই সিফাত হয়ে গর্জন তুলে রাজপথে নেমে আসবে। তাই ভালোয় ভালোয় তাকে ছেড়ে দিন।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়, নাগরিকত্বের ভিত্তিতেই দেশের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে। আমাদের সবার প্রধান ও প্রথম পরিচয় হওয়া উচিত, আমরা সবাই বাংলাদেশি।
সালাহউদ্দিন আহমদ
সালাহউদ্দিন আহমদস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“
জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে একসঙ্গে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। সরকার উৎখাতের আন্দোলন করছি না। জনগণের ও আমাদের দাবি হলো, গণভোটের গণরায়কে মেনে নিন। আমাদের ছয় দফা মেনে নিন।
গোলাম পরওয়ার
গোলাম পরওয়ারসেক্রেটারি জেনারেল, জামায়াতে ইসলামী
“
জনতার মিছিল বাড়তে বাড়তে টেকনাফ থেকে যে গণজোয়ার তৈরি হবে, সেই গণস্রোতে সরকার ভেসে যেতে বাধ্য হবে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, জনগণের ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় গিয়েছেন।
আল্লামা মামুনুল হক
আল্লামা মামুনুল হকআমির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস