ঢাকা    শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ
শিরোনামসর্বশেষ

লাইভ আপডেট

সব আপডেট →

গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

সর্বশেষ খবর

সব দেখুন →

আরও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফেরার তথ্য দিল্লির অপপ্রচার: নাহিদ ইসলাম

রাজধানীতে বাসে আগুন

গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

ফিলিপাইনের কাছে ৮০ কোটি ডলারের ব্রহ্মস বিক্রির পথে ভারত

রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া মাদক কারবার সম্ভব নয়: ইশরাক হোসেন

ওয়েব স্টোরি

সব দেখুন →

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফেরার তথ্য দিল্লির অপপ্রচার: নাহিদ ইসলাম

রাজধানীতে বাসে আগুন

গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

ফিলিপাইনের কাছে ৮০ কোটি ডলারের ব্রহ্মস বিক্রির পথে ভারত

রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া মাদক কারবার সম্ভব নয়: ইশরাক হোসেন

মতিঝিল থেকে গোপালগঞ্জের তিন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাটকীয় বিদায়

স্থানীয় নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ একাই লড়বে: নুর

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও চামড়াশিল্প: তুরস্কের মডেলে চোখ ঢাকার!

বগুড়ায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই, পিকআপ ভাঙচুর

আরবদের সমর্থনে গাদি আইজেনকট: ক্ষমতা হারাচ্ছেন নেতানিয়াহু?

সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার রক্তক্ষয়ী বিপ্লব বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যতের সঠিক পথ নির্ধারণ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) ‘ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয়ভাবে গৃহীত সব রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন।প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, ‘যারা ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশকে একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিষ্ঠুরভাবে হরণ করে দেশে একদলীয় বাকশালী স্বৈরাচার কায়েম করতে চেয়েছিল এবং আমাদের শৌর্য, বীর্য, জাতীয় সাহস ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল—১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার সম্মিলিত ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে সেই ষড়যন্ত্রকারী অপশক্তির চূড়ান্ত পরাজয় ঘটেছিল।’ তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর ছিল এ জাতির ইতিহাসে দেশপ্রেমিক শক্তি এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী শত্রু-মিত্র সঠিকভাবে চিহ্নিত করার দিন।ইতিহাস পর্যালোচনা করে তিনি একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদবাক্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘অতীত নিয়ে সবসময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীতকে সম্পূর্ণ ভুলে গেলে দু’চোখই অন্ধ।’ তাই সার্বক্ষণিক অতীত চর্চায় মগ্ন থাকা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ইতিহাসের শিক্ষা বিস্মৃত হওয়াও একটি জাতির জন্য আত্মঘাতী ঐতিহাসিক ভুল।তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস স্পষ্ট সাক্ষ্য দেয় যে দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতায় পরাজিত সেই ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী পরবর্তীতে মহাজোটের আবরণে একত্রিত হয়ে দেশকে পুনরায় তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। তারা বিডিআর পিলখানায় সুপরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়ে জাতীয় প্রতিরক্ষার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়ার অপচেষ্টা চালায় এবং দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে নিষ্ঠুর ফ্যাসিবাদ কায়েম করে। তবে হাজারো শহীদের রক্তের ঋণ এবং ছাত্র-জনতার ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ পুনরায় ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।মুক্তিযুদ্ধ ও চব্বিশের বিপ্লবের মেলবন্ধন টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ছিল দেশের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ছিল সেই অর্জিত স্বাধীনতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষার সংগ্রাম।’ তিনি বলেন, ২০২৪ সালে যেভাবে দেশের সর্বস্তরের মানুষ স্বৈরাচারের হাত থেকে মুক্তি পেতে রাজপথে নেমে এসেছিল, ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালেও দেশপ্রেমিক সিপাহি ও মুক্তিকামী জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল।তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে যেন আর কোনো অভ্যন্তরীণ বা বিদেশি দোসররা জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে না পারে কিংবা বাংলাদেশকে কোনো পরশক্তির তাঁবেদারে পরিণত করতে না পারে—সেটিই হোক এবারের ৭ নভেম্বরের প্রধান জাতীয় অঙ্গীকার। আর এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন দল-মত নির্বিশেষে দৃঢ় ইস্পাতকঠিন জাতীয় ঐক্য। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন কিংবা ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান—সবগুলোর মূল আকাঙ্ক্ষাই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে একটি স্বনির্ভর, ইনসাফভিত্তিক ও নিরাপদ জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা।বাণীর সমাপ্তিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী যেকোনো বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক চক্রান্ত রুখে দিতে দেশপ্রেমিক গণতন্ত্রকামী জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হওয়া উচিত—‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক প্রেরণা আগামীর একটি আধুনিক ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ার মূল চালিকাশক্তি হয়ে থাকবে।
৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ পিএম

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফেরার তথ্য দিল্লির অপপ্রচার: নাহিদ ইসলাম

ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফেরার তথ্য দিল্লির অপপ্রচার: নাহিদ ইসলাম

রাজধানীতে বাসে আগুন

রাজধানীতে বাসে আগুন

গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

ফিলিপাইনের কাছে ৮০ কোটি ডলারের ব্রহ্মস বিক্রির পথে ভারত

ফিলিপাইনের কাছে ৮০ কোটি ডলারের ব্রহ্মস বিক্রির পথে ভারত

রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া মাদক কারবার সম্ভব নয়: ইশরাক হোসেন

রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া মাদক কারবার সম্ভব নয়: ইশরাক হোসেন

মতিঝিল থেকে গোপালগঞ্জের তিন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

মতিঝিল থেকে গোপালগঞ্জের তিন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাটকীয় বিদায়

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাটকীয় বিদায়

স্থানীয় নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ একাই লড়বে: নুর

স্থানীয় নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদ একাই লড়বে: নুর

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও চামড়াশিল্প: তুরস্কের মডেলে চোখ ঢাকার!

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও চামড়াশিল্প: তুরস্কের মডেলে চোখ ঢাকার!

এলপিজি: বিইআরসির দাম এখনো কাগজে, বাড়তি দামেই কিনছেন ক্রেতা

বাংলাদেশে রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডারজাত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-র দাম টানা দুই মাসে দুই দফায় বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু বাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত দাম মেনেই বিক্রি করা হচ্ছে না, বরং বিক্রেতারা গ্রাহককে বাধ্য করে বেশি দামে সিলিন্ডার সরবরাহ করছেন।বিইআরসি জানিয়েছে, তিনটি কোম্পানি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি করে বিক্রি করছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে, যার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রায় কয়েক মাস ধরেই, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার কারণে এলপিজি সিলিন্ডারের বাজারে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে। সংকটের অজুহাতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২,৭০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে, যা বিইআরসির নির্ধারিত সর্বোচ্চ দামের অনেক উপরে। সরকারি পদক্ষেপের পর দাম কিছুটা কমলেও তা এখনও বিইআরসির নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি।সরকারি সূত্র অনুযায়ী এলপিজি আমদানির পরিমাণ চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট হলেও সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে, এবং আমদানিকারক ও সিলিন্ডার প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলো সরবরাহ যথাযথ থাকার কথা জানিয়েও দাম বাড়ানোর জন্য বিক্রেতাদের দায়ী করছ।রাজধানীসহ বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা ও পরিবেশকরা জানিয়েছেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে, এবং বাজারে এখনো সরবরাহ সংকট বিরাজ করছে। কোম্পানিগুলো পর্যাপ্ত সরবরাহ কম করার কথা জানাচ্ছে, ফলে অনেক সময় সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস পাওয়া যায় না।বিইআরসির পরিচালিত দাম বৃদ্ধির পরেও খুচরা পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২,২০০ থেকে ২,৪০০ টাকা পর্যন্ত হয়েছে, যেখানে নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ দাম ২,০৬০ টাকা নির্ধারিত।বনশ্রী এলাকার একটি রেস্তোরাঁর ব্যবস্থাপক আজিজুল ইসলাম বলেন যে, সরকার নির্ধারিত দাম কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ, তাদের মতো গ্রাহকরা বাধ্য হয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হয় এবং দাম কমার কোনও লক্ষণ নেই।এক খুচরা বিক্রেতা মোহাম্মদ মনির জানিয়েছেন যে, সিলিন্ডার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন, কারণ সরকার নির্ধারিত দামে তাদের কাছে সেভাবে সিলিন্ডার পৌঁছাচ্ছে না।সাম্প্রতিক আমদানির তথ্য অনুযায়ী, এলপিজির আমদানির পরিমাণ চাহিদার তুলনায় বেশি হলেও বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ২০২৩ সালের আগষ্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে যথাক্রমে প্রায় ১ লাখ ৫৭ থেকে ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে, যা মাসিক চাহিদার উপরে।বিইআরসি বেশ কয়েকটি অভিযোগ পাওয়ায় বাজারে অপ্রয়োজনীয় সংকট সৃষ্টির জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে বিষয়টি তদন্ত করছে, যদিও এখনও স্পষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।এক পরিবেশক জানিয়েছেন যে, সরকারের নির্ধারিত দাম থেকে ৯০ থেকে ২৪০ টাকা বেশি দামে এলপিজি বিক্রি হওয়ার খবর তিনি বিইআরসিকে দিয়েছেন, এবং কমিশনের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছেন।বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ জানিয়েছেন, তিনটি কোম্পানি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করছে, তবে তারা সরাসরি আমদানি না করে অন্য কারও থেকে গ্যাস কিনে বোতলজাত করছে, এজন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এলপিজি: বিইআরসির দাম এখনো কাগজে, বাড়তি দামেই কিনছেন ক্রেতা
২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৮ জন

আজকের কথা

“
এতক্ষণ পর্যন্ত আপনারা হয়তো খেয়াল করেছেন, নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কথা বলার সময় আমি সবসময় 'ইনশাআল্লাহ' বলতাম। কিন্তু আজ, এই রাতে আমরা সেই 'ইনশাআল্লাহ'কে 'আলহামদুলিল্লাহ'তে রূপ দিতে পারলাম। 'আলহামদুলিল্লাহ'
আবদুল এল-সাইয়েদ
আবদুল এল-সাইয়েদযুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সেনেটর
“
আজ সারা দেশে যে জেন-জি আন্দোলন দেখছি, তার সূচনা হয়েছিল বাংলাদেশে।
আমাদের পথ দেখানো এবং তরুণদের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের জন্য আপনাদের (বাংলাদেশিদের) অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা।
নেহা বোরা
নেহা বোরাপ্রেসিডেন্ট, অল ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন
“
প্রিয় চাঁদাবাজ ভাইয়েরা, আমাদের জানটার নিরাপত্তা দেন। আমরা আপনাদের নিয়মিত ভিক্ষা দেব, তবুও বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নষ্ট করবেন না। বাংলাদেশের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এলাকায় দানবাক্স দিন। সবাই ৫ টাকা, ১০ টাকা দেবেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ
হাসনাত আবদুল্লাহসংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪
“
মিরপুরের টিকাকেন্দ্র-হাসপাতালের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্নির্মাণ এবং ইসিবি চত্বরের স্টুডিও হামলার ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে। মূল হোতাসহ জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
আসিফ মাহমুদ
আসিফ মাহমুদমুখপাত্র, এনসিপি
“
গা'জা যু'দ্ধে হাজার হাজার শিশুসহ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় মানবিক সহায়তা ছিল অত্যন্ত সীমিত। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপজুড়ে চলমান যু'দ্ধগুলোর প্রভাব যু'দ্ধক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
খলিলুর রহমান
খলিলুর রহমানসভাপতি, সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘ
“
আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহ'ত্যার বিচার-এই তিনটা দাবি মানলেই কক'টেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীমুখ্য সমন্বয়ক, এনসিপি
“
সন্তানেরা কার সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছে, কোথায় যাচ্ছে, এসব বিষয়ে আপনারা খেয়াল রাখবেন। এমনকি স্কুলপড়ুয়া বাচ্চাদের হাতে ফোন দেওয়ার বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।
মো. আনিসুজ্জামান
মো. আনিসুজ্জামানপুলিশ সুপার, কুমিল্লা
“
জিন্নাহ না হলে পাকিস্তানের জন্ম হতো না, আর পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশেরও সৃষ্টি হতো না। অন্তত তিনি এই বঙ্গের মানুষকে মাথায় টুপি পরা ও গরু খাওয়ার স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাই গণেশরা জিন্নাহকে সহ্য করবে না- এটাই স্বাভাবিক।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম
নুরুল ইসলাম সাদ্দামকেন্দ্রীয় সভাপতি, ইসলামী ছাত্রশিবির
“
শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী। গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্পিকার আক্ষেপ করে বলেন,
‘আমাদের... অদ্ভুত দেশ! অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর। এরা নানা ধরনের ঘুষখোরি,লুটপাট এসব করে, যার ফলে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।’
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি আছেন, তিনি বিভিন্ন সময় অসংলগ্ন কথা বলছেন। তিনি দায়িত্ব পালনে অলরেডি ব্যর্থ হয়ে গেছেন। দ্রুত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ ফেরাতে হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে সেটা সম্ভব নয়।
নাহিদ ইসলাম
নাহিদ ইসলামআহ্বায়ক, এনসিপি
“
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আওয়ামী লীগ নেতার প্রাডো গাড়িতে লংড্রাইভ করেছেন। তিনি দাবি করেন, আগে আওয়ামী লীগের সম্পদ দখলের কথা বলা হতো, যার নমুনা এটি কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।
রাশেদ খান
রাশেদ খানপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী
“
একদিকে বলা হচ্ছে দেশে তেল ও গ্যাস নেই, অন্যদিকে ২ থেকে ৩ হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করা হচ্ছে। গাড়িগুলো কি পানিতে চলে, নাকি তেলে চলে? দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে এত গাড়ি নিয়ে লংমার্চ কীভাবে হচ্ছে?
শামা ওবায়েদ ইসলাম
শামা ওবায়েদ ইসলামপররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
“
এই লংমার্চ দেশের সব বিভাগীয় শহরে যাবে। ছয় দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সরকার এসব দাবি মেনে না নিলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের আন্দোলন সফল করেই তারা ঘরে ফিরবেন।
ড. শফিকর রহমান
ড. শফিকর রহমানজামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা
“
সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। ওয়াদা দিয়ে লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের কখনো ক্ষমা করবে না। তাই জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
শামা ওবায়েদ
শামা ওবায়েদপ্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
“
সিফাত যে বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তা দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভেতরের রক্তক্ষরণ। সময় এলে এ দেশের ১৮ কোটি মানুষই সিফাত হয়ে গর্জন তুলে রাজপথে নেমে আসবে। তাই ভালোয় ভালোয় তাকে ছেড়ে দিন।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়, নাগরিকত্বের ভিত্তিতেই দেশের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে। আমাদের সবার প্রধান ও প্রথম পরিচয় হওয়া উচিত, আমরা সবাই বাংলাদেশি।
সালাহউদ্দিন আহমদ
সালাহউদ্দিন আহমদস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“
জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে একসঙ্গে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। সরকার উৎখাতের আন্দোলন করছি না। জনগণের ও আমাদের দাবি হলো, গণভোটের গণরায়কে মেনে নিন। আমাদের ছয় দফা মেনে নিন।
গোলাম পরওয়ার
গোলাম পরওয়ারসেক্রেটারি জেনারেল, জামায়াতে ইসলামী
“
জনতার মিছিল বাড়তে বাড়তে টেকনাফ থেকে যে গণজোয়ার তৈরি হবে, সেই গণস্রোতে সরকার ভেসে যেতে বাধ্য হবে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, জনগণের ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় গিয়েছেন।
আল্লামা মামুনুল হক
আল্লামা মামুনুল হকআমির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস