ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ
সর্বশেষ
ক্রীড়া এখন শুধু বিনোদন নয়, একটি স্বীকৃত পেশা: প্রধানমন্ত্রী

ক্রীড়া এখন শুধু বিনোদন নয়, একটি স্বীকৃত পেশা: প্রধানমন্ত্রী

ক্রীড়া এখন আর কেবল বিনোদন কিংবা শরীর সুস্থ রাখার মাধ্যম নয়, বরং বিশ্বজুড়ে এটি একটি স্বীকৃত পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশেও খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে স্কুল পর্যায় থেকে ক্রীড়াশিক্ষা সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।বুধবার (২১ অক্টোবর) ‘কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘ক্রীড়া মানুষের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ক্রীড়া শুধু প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে সুদৃঢ় করে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সুস্থ, সচেতন ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অ্যাথলেটিকসের মাধ্যমে একজন খেলোয়াড়ের গতি, শক্তি, সহনশীলতা ও মানসিক দৃঢ়তা বিকশিত হয়।বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকসকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে নিতে পরিকল্পিত উদ্যোগ ও নিয়মিত প্রতিযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল পর্যন্ত অসংখ্য প্রতিভাবান তরুণ-তরুণী রয়েছে, যাদের মধ্যে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’তাঁর মতে, এসব প্রতিভার বিকাশে আধুনিক প্রশিক্ষণ, দক্ষ কোচ, বিজ্ঞানভিত্তিক অনুশীলন, প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি নিয়মিত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে শক্তিশালী করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠন, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা এবং জাতীয় ফেডারেশনগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন।খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাঁদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ জীবিকার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।এ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, ‘একজন ক্রীড়াবিদ যেন খেলাধুলাকে সম্মানজনক পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন, সে পরিবেশ তৈরিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’তরুণ সমাজকে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলা তাঁদের মাদক, হতাশা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে মাঠের অনুশীলন তরুণদের সময়ানুবর্তিতা, অধ্যবসায় ও দলগত দায়িত্ববোধের শিক্ষা দেয়।নারী ক্রীড়াবিদদের জন্যও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নারী অ্যাথলেটদের মানসম্মত প্রশিক্ষণ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে হবে।এ ছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেলোয়াড়রা যেন আর্থিক সীমাবদ্ধতা কিংবা ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পিছিয়ে না পড়েন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।খেলাধুলায় ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতা, সততা ও প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেটদের নিয়ম মেনে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে নিজেদের সামর্থ্য প্রদর্শনের আহ্বান জানান তারেক রহমান। পাশাপাশি আয়োজক ও কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং পেশাদারি বজায় রাখার অনুরোধ করেন।প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসের মতো আয়োজন নতুন প্রতিভা তুলে আনতে এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আগামী ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬’।প্রতিযোগিতার আয়োজক, অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেট, প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা, বিচারক ও ক্রীড়া সংগঠকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আয়োজনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ পিএম

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

কক্সবাজারের হিমছড়ি সৈকতে গোসলে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

হুতিদের হামলার মুখে কি সৌদি ছাড়ছেন ধনীরা, ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া কেন বাড়ছে

হুতিদের হামলার মুখে কি সৌদি ছাড়ছেন ধনীরা, ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া কেন বাড়ছে

আওয়ামী লীগ-বিরোধী দল আঁতাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উদ্বেগ

আওয়ামী লীগ-বিরোধী দল আঁতাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উদ্বেগ

তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে 'বদর চুক্তি' সই

তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে 'বদর চুক্তি' সই

ফ্যাসিবাদ দেশের বাহিরে বসে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: পানিসম্পদ মন্ত্রী

ফ্যাসিবাদ দেশের বাহিরে বসে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: পানিসম্পদ মন্ত্রী

সৌদিতে হুথি হামলার পর দেশে ফিরলেন ৩৩ ওমরাহযাত্রী

সৌদিতে হুথি হামলার পর দেশে ফিরলেন ৩৩ ওমরাহযাত্রী

অপরাজিত বার্সাকে হারিয়ে পিএসজির দাপট, আত্মবিশ্বাসী হাকিমি

অপরাজিত বার্সাকে হারিয়ে পিএসজির দাপট, আত্মবিশ্বাসী হাকিমি

জমির দখল বা নামজারি থাকলেই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা নয়: হাইকোর্ট

জমির দখল বা নামজারি থাকলেই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা নয়: হাইকোর্ট

ভিসামুক্ত ভ্রমণে চীনে বিদেশিদের আগমন বেড়েছে ২৪ শতাংশ

ভিসামুক্ত ভ্রমণে চীনে বিদেশিদের আগমন বেড়েছে ২৪ শতাংশ

সৌদি আরবে আকস্মিক সফরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

সৌদি আরবে আকস্মিক সফরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

বগুড়ার শেরপুরে অবহেলিত জলাধার দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্নকরণ শুরু

বগুড়ার শেরপুর পৌরসভা এলাকার ফরেস্ট অফিস গেট সংলগ্ন দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও দূষিত অবস্থায় পড়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ জলাধারটি দখলমুক্ত এবং সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে সংলগ্ন এলাকার দীর্ঘদিনের তীব্র জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে দূর করতে জলাধারটিকে পৌরসভার নির্মাণাধীন প্রধান ড্রেনের সঙ্গে যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টায় এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান এবং কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ থাকায় ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এই জলাশয়টি আবর্জনা ও কচুরিপানায় ভরে মারাত্মক অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় পরিণত হয়েছিল। এর সুযোগ নিয়ে আশপাশে গড়ে ওঠে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা, যার ফলে বর্ষা মৌসুমে সংলগ্ন এলাকায় মারাত্মক জলাবদ্ধতা দেখা দেয়।ইউএনও সাইদুজ্জামান হিমু জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জনগণের ভোগান্তি লাঘবে এর আগেই জলাধারটির আশপাশে গড়ে ওঠা বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো জলাশয়টি আবর্জনামুক্ত করার কাজ চলছে।তিনি আরও জানান, এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে পৌরসভার নির্মাণাধীন ড্রেনের সঙ্গে এই জলাধারের সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হবে। পানিপ্রবাহ সচল করার পর জলাশয়ের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ফুলের গাছ রোপণ করে একে একটি দৃষ্টিনন্দন লেকে রূপান্তরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতি শনিবার নিয়মিতভাবে এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখতে সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।উদ্বোধনী কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিরুল ইসলাম এবং শাহবন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল কালাম আজাদসহ প্রশাসন ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অভিযানে স্থানীয় এলাকাবাসীও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

বগুড়ার শেরপুরে অবহেলিত জলাধার দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্নকরণ শুরু
২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৭ জন

আজকের কথা

“
আজ সারা দেশে যে জেন-জি আন্দোলন দেখছি, তার সূচনা হয়েছিল বাংলাদেশে।
আমাদের পথ দেখানো এবং তরুণদের প্রতি সংহতি ও সমর্থনের জন্য আপনাদের (বাংলাদেশিদের) অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা।
নেহা বোরা
নেহা বোরাপ্রেসিডেন্ট, অল ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন
“
প্রিয় চাঁদাবাজ ভাইয়েরা, আমাদের জানটার নিরাপত্তা দেন। আমরা আপনাদের নিয়মিত ভিক্ষা দেব, তবুও বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নষ্ট করবেন না। বাংলাদেশের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এলাকায় দানবাক্স দিন। সবাই ৫ টাকা, ১০ টাকা দেবেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ
হাসনাত আবদুল্লাহসংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪
“
মিরপুরের টিকাকেন্দ্র-হাসপাতালের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্নির্মাণ এবং ইসিবি চত্বরের স্টুডিও হামলার ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে। মূল হোতাসহ জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
আসিফ মাহমুদ
আসিফ মাহমুদমুখপাত্র, এনসিপি
“
গা'জা যু'দ্ধে হাজার হাজার শিশুসহ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় মানবিক সহায়তা ছিল অত্যন্ত সীমিত। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপজুড়ে চলমান যু'দ্ধগুলোর প্রভাব যু'দ্ধক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
খলিলুর রহমান
খলিলুর রহমানসভাপতি, সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘ
“
আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহ'ত্যার বিচার-এই তিনটা দাবি মানলেই কক'টেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীমুখ্য সমন্বয়ক, এনসিপি
“
সন্তানেরা কার সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছে, কোথায় যাচ্ছে, এসব বিষয়ে আপনারা খেয়াল রাখবেন। এমনকি স্কুলপড়ুয়া বাচ্চাদের হাতে ফোন দেওয়ার বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।
মো. আনিসুজ্জামান
মো. আনিসুজ্জামানপুলিশ সুপার, কুমিল্লা
“
জিন্নাহ না হলে পাকিস্তানের জন্ম হতো না, আর পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশেরও সৃষ্টি হতো না। অন্তত তিনি এই বঙ্গের মানুষকে মাথায় টুপি পরা ও গরু খাওয়ার স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাই গণেশরা জিন্নাহকে সহ্য করবে না- এটাই স্বাভাবিক।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম
নুরুল ইসলাম সাদ্দামকেন্দ্রীয় সভাপতি, ইসলামী ছাত্রশিবির
“
শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী। গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্পিকার আক্ষেপ করে বলেন,
‘আমাদের... অদ্ভুত দেশ! অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর। এরা নানা ধরনের ঘুষখোরি,লুটপাট এসব করে, যার ফলে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।’
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি আছেন, তিনি বিভিন্ন সময় অসংলগ্ন কথা বলছেন। তিনি দায়িত্ব পালনে অলরেডি ব্যর্থ হয়ে গেছেন। দ্রুত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ ফেরাতে হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে সেটা সম্ভব নয়।
নাহিদ ইসলাম
নাহিদ ইসলামআহ্বায়ক, এনসিপি
“
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আওয়ামী লীগ নেতার প্রাডো গাড়িতে লংড্রাইভ করেছেন। তিনি দাবি করেন, আগে আওয়ামী লীগের সম্পদ দখলের কথা বলা হতো, যার নমুনা এটি কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।
রাশেদ খান
রাশেদ খানপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী
“
একদিকে বলা হচ্ছে দেশে তেল ও গ্যাস নেই, অন্যদিকে ২ থেকে ৩ হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করা হচ্ছে। গাড়িগুলো কি পানিতে চলে, নাকি তেলে চলে? দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে এত গাড়ি নিয়ে লংমার্চ কীভাবে হচ্ছে?
শামা ওবায়েদ ইসলাম
শামা ওবায়েদ ইসলামপররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
“
এই লংমার্চ দেশের সব বিভাগীয় শহরে যাবে। ছয় দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সরকার এসব দাবি মেনে না নিলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের আন্দোলন সফল করেই তারা ঘরে ফিরবেন।
ড. শফিকর রহমান
ড. শফিকর রহমানজামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা
“
সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। ওয়াদা দিয়ে লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের কখনো ক্ষমা করবে না। তাই জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
শামা ওবায়েদ
শামা ওবায়েদপ্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
“
সিফাত যে বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তা দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভেতরের রক্তক্ষরণ। সময় এলে এ দেশের ১৮ কোটি মানুষই সিফাত হয়ে গর্জন তুলে রাজপথে নেমে আসবে। তাই ভালোয় ভালোয় তাকে ছেড়ে দিন।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়, নাগরিকত্বের ভিত্তিতেই দেশের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে। আমাদের সবার প্রধান ও প্রথম পরিচয় হওয়া উচিত, আমরা সবাই বাংলাদেশি।
সালাহউদ্দিন আহমদ
সালাহউদ্দিন আহমদস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“
জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে একসঙ্গে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। সরকার উৎখাতের আন্দোলন করছি না। জনগণের ও আমাদের দাবি হলো, গণভোটের গণরায়কে মেনে নিন। আমাদের ছয় দফা মেনে নিন।
গোলাম পরওয়ার
গোলাম পরওয়ারসেক্রেটারি জেনারেল, জামায়াতে ইসলামী
“
জনতার মিছিল বাড়তে বাড়তে টেকনাফ থেকে যে গণজোয়ার তৈরি হবে, সেই গণস্রোতে সরকার ভেসে যেতে বাধ্য হবে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, জনগণের ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় গিয়েছেন।
আল্লামা মামুনুল হক
আল্লামা মামুনুল হকআমির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস