ঢাকা    রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ
সর্বশেষ
ট্রাম্প-প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা চলছে: সহকারী প্রেস সচিব

ট্রাম্প-প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচারের চেষ্টা চলছে: সহকারী প্রেস সচিব

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক খান জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যৌথ ছবি নিয়ে একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচারের চেষ্টা করছে।নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণরত বিশ্বনেতাদের সম্মানে ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নৈশভোজ ও রিসেপশন আয়োজন করেন, যেটিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন। ওই রিসেপশনের একটি ছবি হোয়াইট হাউস থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হয় এবং জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয়।তবে রিসেপশনের এই আসল ছবি নিয়ে অপপ্রচার শুরু হয়েছে, যেখানে এই ছবির সঙ্গে একটি এআই-জেনারেটেড ছবি যুক্ত করে মিথ্যা দাবি করা হচ্ছে। এআই-জেনারেটেড ছবিটি কসোভোর প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তির সঙ্গে ট্রাম্পের একটি বিকৃত কাল্পনিক ছবি, যেখানে ট্রাম্পকে একটি কার্ডবোর্ড কাটআউট হিসেবে দেখানো হয়েছে।পাম্পফলেতি.নেট নামের আলবেনিয়াভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ২ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছে, যা বলে যে ওই কসোভোর প্রধানমন্ত্রীর ছবি পুরোপুরি ম্যানিপুলেটেড এবং এআই-জেনারেটেড।প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে, এআই-জেনারেটেড বিকৃত ছবিটি ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের উপস্থিতি নিশ্চিত করা আসল ছবিটিকে ভুল উত্স থেকে সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ এএম

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষামন্ত্রী

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ইলিশ আহরণে নিষেধাজ্ঞা

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শুরায়ী নেজামের অধীনে দুই ধাপে হবে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে কাল উলামা-মাশায়েখ সম্মেলন

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বোর্ড অব গভর্নরসে ৫ আলেম

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা ও মাওলানা সাদের প্রবেশ নিষিদ্ধের দাবি

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

চাকরির প্রলোভনে টঙ্গীতে ডেকে বন্ধুকে হত্যা, ইজতেমা ময়দানের ড্রেনে মিলল লাশ

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

মহম্মদপুরে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মর্মান্তিক মৃত্য

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি: জামিন পেলেন না সাবেক এনসিপি নেতা সালাউদ্দিন

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল

মধ্যপ্রাচ্যে ১০ হাজার মার্কিন সেনা ও নতুন রণতরি মোতায়েন

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে একটি তৃতীয় বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করছে এবং আরও কয়েক হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে, যা ইরানের কাছাকাছি এলাকায় সংঘাত বৃদ্ধির পাশাপাশি কূটনৈতিক উদ্যোগের মাঝে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা আল–জাজিরাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই মোতায়েন মধ্যবর্তী নির্বাচনের এক মাস আগে হচ্ছে, যেখানে ইরানে যুদ্ধে জড়ানোর ফলে রিপাবলিকান পার্টি রাজনৈতিক ক্ষতির আশঙ্কায় পড়তে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধের প্রতি জনসমর্থন কমে গেছে।যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএস থিওডর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগোর ঘাঁটি ত্যাগ করে মধ্যপ্রাচ্যে গমন করেছে এবং দুই হাজারের বেশি মেরিন সেনাসহ আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটও রওনা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই স্ট্রাইক গ্রুপ ও অন্যান্য নৌবাহিনী ইউনিটে মোট ৯ থেকে ১০ হাজার সেনা মোতায়েন হতে পারে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, এই বৃহৎ সামরিক শক্তি একত্রিত হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিকল্প বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। নভেম্বরের শেষে ইরানের কাছে তিনটি বিমানবাহী রণতরি ও দুটি উভচর অবতরণকারী দল সেখানে অবস্থান করবে।নতুন সেনা মোতায়েনের মধ্যে এফ–৩৫ স্টিলথ যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে পূর্বে মোতায়েন থাকা প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনার সঙ্গে যুক্ত হবে। পেন্টাগন ও হোয়াইট হাউস সূত্র জানায়, কূটনৈতিক উদ্যোগ চললেও ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা রাখতেই এসব বাহিনী প্রস্তুত রাখছে এবং সামরিক সরঞ্জাম বা বাহিনী প্রত্যাহারের কোনো পরিকল্পনা নেই।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ট্রাম্প নতুন হামলার নির্দেশ বাস্তবায়নে বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। আগের দশকে থেকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে ৪০ থেকে ৫০ হাজার সেনা অবস্থান করে থাকে এবং চলতি বছর থেকে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো বাড়ানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে ১২০টির বেশি সামরিক উড়োজাহাজ মোতায়েন করেছে, যার মধ্যে রয়েছে এফ–৩৫, এফ–২২, এফ–১৫ ও এফ–১৬ যুদ্ধবিমান, অ্যাওয়াকস এবং মজুদ সরবরাহকারী ট্যাংকার। এটি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধে পর সবচেয়ে বড় আকারের বিমানবাহিনীর মোতায়েন।বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান তৈরির ইঙ্গিত এবং গত মার্চে পেন্টাগন আরও অতিরিক্ত সেনা পাঠানো নির্দেশ দিয়েছে, যা তিনটি আলাদা বাহিনীর মাধ্যমে এসেছে। মোট মিলিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৭ হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সেনা মোতায়েন হয়েছে।ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা স্পষ্ট নয়, তবে গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, নির্বাচনের পর ইরানে বোমা হামলা বৃদ্ধি পেতে পারে। ট্রাম্পের বরাতে বলা হয়, তিনি কোথায় হামলা হবে তা জানাতে চান না।ইরানের পক্ষ থেকে গত সপ্তাহে মধ্যস্থতায় একটি পরিকল্পনা দেওয়া হয়, যার মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, তেহরানের অর্থ মুক্তি এবং আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি। তবে যুক্তরাষ্ট্র সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে, কারণ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচনায় আনা প্রয়োজন বলে ট্রাম্প আশঙ্কা করেছেন।রেল ও গাড়ি নির্মাণ খাতসহ ইরানের কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যাতে তেহরানের অর্থনৈতিক উৎস দুর্বল হয়। ইতিপূর্বে বাণিজ্যে যুক্ত দেশগুলোর ওপরও নিষেধাজ্ঞা চালানো হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, তবে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে কাতার কর্তৃক মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা হলেও হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত মতবিরোধ অনবরত রয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘ দূত মাইক ওয়ালৎস বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কোনো সুযোগ নেই কারণ এগুলো বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞার অংশ এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাতটি প্রস্তাব রয়েছে।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, যদিও তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শান্তির প্রতিও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।টেক্সাসে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, বর্তমান সংঘাত শিগগিরই শেষ হবে এবং সমঝোতায় ব্যর্থ হলে তেহরান গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হবে। তিনি বলেন, ইরান হয়তো সঠিক ও বুদ্ধিমান পদক্ষেপ নেবে, নাহলে টিকে থাকতে পারবে না। একই সাথে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে ইরান কোনো সমঝোতা মানবে কিনা।

মধ্যপ্রাচ্যে ১০ হাজার মার্কিন সেনা ও নতুন রণতরি মোতায়েন
২০ জুন ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা হওয়ার পরেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। আপনি কি তার এই বক্তব্য সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ৬ জন

আজকের কথা

“
প্রিয় চাঁদাবাজ ভাইয়েরা, আমাদের জানটার নিরাপত্তা দেন। আমরা আপনাদের নিয়মিত ভিক্ষা দেব, তবুও বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নষ্ট করবেন না। বাংলাদেশের প্রতিটি মোড়ে মোড়ে এলাকায় দানবাক্স দিন। সবাই ৫ টাকা, ১০ টাকা দেবেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ
হাসনাত আবদুল্লাহসংসদ সদস্য, কুমিল্লা-৪
“
মিরপুরের টিকাকেন্দ্র-হাসপাতালের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্নির্মাণ এবং ইসিবি চত্বরের স্টুডিও হামলার ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে। মূল হোতাসহ জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
আসিফ মাহমুদ
আসিফ মাহমুদমুখপাত্র, এনসিপি
“
গা'জা যু'দ্ধে হাজার হাজার শিশুসহ ৭০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। প্রয়োজনের তুলনায় মানবিক সহায়তা ছিল অত্যন্ত সীমিত। মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপজুড়ে চলমান যু'দ্ধগুলোর প্রভাব যু'দ্ধক্ষেত্রের সীমানা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
খলিলুর রহমান
খলিলুর রহমানসভাপতি, সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘ
“
আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশ থেকে বাদ দিতে হলে সংস্কার দরকার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহ'ত্যার বিচার-এই তিনটা দাবি মানলেই কক'টেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীমুখ্য সমন্বয়ক, এনসিপি
“
সন্তানেরা কার সঙ্গে ঘোরাঘুরি করছে, কোথায় যাচ্ছে, এসব বিষয়ে আপনারা খেয়াল রাখবেন। এমনকি স্কুলপড়ুয়া বাচ্চাদের হাতে ফোন দেওয়ার বিষয়েও সচেতন থাকতে হবে।
মো. আনিসুজ্জামান
মো. আনিসুজ্জামানপুলিশ সুপার, কুমিল্লা
“
জিন্নাহ না হলে পাকিস্তানের জন্ম হতো না, আর পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশেরও সৃষ্টি হতো না। অন্তত তিনি এই বঙ্গের মানুষকে মাথায় টুপি পরা ও গরু খাওয়ার স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তাই গণেশরা জিন্নাহকে সহ্য করবে না- এটাই স্বাভাবিক।
নুরুল ইসলাম সাদ্দাম
নুরুল ইসলাম সাদ্দামকেন্দ্রীয় সভাপতি, ইসলামী ছাত্রশিবির
“
শেখ হাসিনা ছিলেন বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী। গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনদের গণভবনে ডেকে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্পিকার আক্ষেপ করে বলেন,
‘আমাদের... অদ্ভুত দেশ! অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর। এরা নানা ধরনের ঘুষখোরি,লুটপাট এসব করে, যার ফলে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে।’
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদস্পিকার, জাতীয় সংসদ
“
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি আছেন, তিনি বিভিন্ন সময় অসংলগ্ন কথা বলছেন। তিনি দায়িত্ব পালনে অলরেডি ব্যর্থ হয়ে গেছেন। দ্রুত দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিবেশ ফেরাতে হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্বে রেখে সেটা সম্ভব নয়।
নাহিদ ইসলাম
নাহিদ ইসলামআহ্বায়ক, এনসিপি
“
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আওয়ামী লীগ নেতার প্রাডো গাড়িতে লংড্রাইভ করেছেন। তিনি দাবি করেন, আগে আওয়ামী লীগের সম্পদ দখলের কথা বলা হতো, যার নমুনা এটি কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার।
রাশেদ খান
রাশেদ খানপ্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী
“
একদিকে বলা হচ্ছে দেশে তেল ও গ্যাস নেই, অন্যদিকে ২ থেকে ৩ হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করা হচ্ছে। গাড়িগুলো কি পানিতে চলে, নাকি তেলে চলে? দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে এত গাড়ি নিয়ে লংমার্চ কীভাবে হচ্ছে?
শামা ওবায়েদ ইসলাম
শামা ওবায়েদ ইসলামপররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
“
এই লংমার্চ দেশের সব বিভাগীয় শহরে যাবে। ছয় দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সরকার এসব দাবি মেনে না নিলে ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার পতনের আন্দোলন সফল করেই তারা ঘরে ফিরবেন।
ড. শফিকর রহমান
ড. শফিকর রহমানজামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা
“
সরকার জনগণের সঙ্গে ভাঁওতাবাজি ও প্রতারণা করছে। ওয়াদা দিয়ে লঙ্ঘন করছে। জনগণ তাদের কখনো ক্ষমা করবে না। তাই জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এবারের অধিবেশনে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা ও আকাঙ্ক্ষা বিশ্বদরবারে তুলে ধরার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে।
শামা ওবায়েদ
শামা ওবায়েদপ্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
“
সিফাত যে বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তা দেশের ১৮ কোটি মানুষের ভেতরের রক্তক্ষরণ। সময় এলে এ দেশের ১৮ কোটি মানুষই সিফাত হয়ে গর্জন তুলে রাজপথে নেমে আসবে। তাই ভালোয় ভালোয় তাকে ছেড়ে দিন।
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমানআমির, জামায়াতে ইসলামী
“
ধর্ম বা অন্য কোনো বিভাজনের ভিত্তিতে নয়, নাগরিকত্বের ভিত্তিতেই দেশের প্রতিটি মানুষ সমান অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবে। আমাদের সবার প্রধান ও প্রথম পরিচয় হওয়া উচিত, আমরা সবাই বাংলাদেশি।
সালাহউদ্দিন আহমদ
সালাহউদ্দিন আহমদস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
“
জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে একসঙ্গে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। সরকার উৎখাতের আন্দোলন করছি না। জনগণের ও আমাদের দাবি হলো, গণভোটের গণরায়কে মেনে নিন। আমাদের ছয় দফা মেনে নিন।
গোলাম পরওয়ার
গোলাম পরওয়ারসেক্রেটারি জেনারেল, জামায়াতে ইসলামী
“
জনতার মিছিল বাড়তে বাড়তে টেকনাফ থেকে যে গণজোয়ার তৈরি হবে, সেই গণস্রোতে সরকার ভেসে যেতে বাধ্য হবে। আমরা পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, জনগণের ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় গিয়েছেন।
আল্লামা মামুনুল হক
আল্লামা মামুনুল হকআমির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস