ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানের আজাদি সড়কে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে।
সোমবার ভোর থেকেই তেহরানের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ শেষযাত্রায় অংশ নিতে জড়ো হন। কালো পোশাক পরা শোকাহত জনতা ইরানের পতাকা হাতে নিয়ে মরদেহবাহী শোভাযাত্রার দুই পাশে অবস্থান নেন।
খামেনির মরদেহবাহী ট্রাকটি ধীরগতিতে জনসমুদ্রের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়। একই ট্রাকে তার মেয়ে, তিন বছর বয়সী নাতনি, জামাতা ও পুত্রবধূর মরদেহও রাখা হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শোভাযাত্রাটি তেহরানের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অতিক্রম করে আজাদি স্কয়ারের দিকে এগিয়ে যায়।
শেষকৃত্যের তেহরান পর্ব আজাদি স্কয়ারে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা। এরপর কয়েক দিনের মধ্যে খামেনির মরদেহ ইরাকের পবিত্র শহর কারবালা ও নাজাফে নেওয়া হবে। সেখানে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ইরানের মাশহাদে তাকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে। খামেনির শেষযাত্রাকে ঘিরে তেহরানে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। শহরের বিভিন্ন স্থানে শোক মিছিল, ধর্মীয় স্লোগান ও রাজনৈতিক বার্তার উপস্থিতি দেখা যায়। বিদেশি সাংবাদিকসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান কাভার করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে থাকা খামেনির শেষযাত্রা দেশটির রাজনীতি, ধর্মীয় নেতৃত্ব ও আঞ্চলিক অবস্থানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
সূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্যসমূহ