কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না স্থানীয় সাংবাদিকরা। তাঁর মুঠোফোন বন্ধ এবং কুষ্টিয়ার বাড়িতেও তাঁকে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। একই ঘটনায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির কে এম আলী মহসীনের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা জানান রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি লেখেন, “কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি আমির হামজার সাথে কোনো সাংবাদিক যোগাযোগ করতে পারছে না। শুরুতে তিনি কারও কল রিসিভ করছিলেন না। এখন তিনি নাম্বার বন্ধ করে রেখেছেন। এরপর সাংবাদিকরা তার বক্তব্য নিতে কুষ্টিয়ার বাড়িতে গেলে, সেখান থেকে জানানো হয়েছে আমির হামজা বাড়িতে নাই! কুষ্টিয়া জামায়াতের আমির কে এম আলী মহসীনও এ বিষয়ে মুখ খুলছেন না। তিনিও স্থানীয় সাংবাদিকদের ফোন ধরছেন না বলে জানতে পারলাম।”
জামায়াতের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, “সব মিলিয়ে গাজী নজরুলের পর আমির হামজার ঘটনায় দল হিসেবে জামায়াত গুম হয়ে গেছে!”
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমির হামজাকে নিয়ে একাধিক পোস্ট দিয়েছিলেন রাশেদ খাঁন। সেসব পোস্টে কুষ্টিয়া-৩ আসনের এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে নারীঘটিত কথোপকথনের অডিও ও ভিডিও থাকার অভিযোগ করেন তিনি।
এ ছাড়া বিষয়টি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আগে থেকেই জানতেন বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী।
তবে রাশেদ খাঁনের এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আমির হামজার বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়েও দলটির পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে স্থানীয় সাংবাদিকরাও সংসদ সদস্য আমির হামজা কিংবা জেলা জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেননি বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, আমির হামজার বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের তোলা অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।














মন্তব্যসমূহ