ঢাকা    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড চট্টগ্রাম বন্দরের

কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড চট্টগ্রাম বন্দরের
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

২০২৫-২৬ অর্থবছরে কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। একই সঙ্গে বন্দর আবারও ‘জিরো ওয়েটিং টাইম’ অবস্থায় ফিরেছে। ফলে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষার সময় শূন্যে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

জাহাজের টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম কমে যাওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি এসেছে। শতভাগ ই-গেট, কাগজবিহীন সেবা, রিয়েল-টাইম ডিজিটাল অপারেশন এবং আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের স্মার্ট পোর্টে রূপান্তরের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরে মোট ৩৫ লাখ ৩১ হাজার ১১৮ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।

একই সময়ে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ৭২ হাজার ৮২৬ মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। জাহাজ হ্যান্ডলিং বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৩৬টিতে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।

আর্থিক সূচকেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের কথা জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৬ হাজার ৬২৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। সরকারকে কর পরিশোধ করা হয়েছে ৯৬০ কোটি ৪ লাখ টাকা।

একই সময়ে কর-পরবর্তী রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৯৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এটিকে বন্দরের আর্থিক সক্ষমতার নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কনটেইনারবাহী জাহাজের গড় অবস্থানকাল ২ দশমিক ৫৮ দিন থেকে কমে ২ দশমিক ৩৮ দিনে নেমে এসেছে। এতে জাহাজের অপেক্ষার সময় প্রায় ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে। এর ফলে শিপিং কোম্পানির পরিচালন ব্যয় কমার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও মুখপাত্র মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে বন্দরের সব গেটে শতভাগ ই-গেট পাস ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ই-ডেলিভারি অর্ডার, অনলাইন এনওসি, ই-চালান, কার্ট টিকিট এবং ওয়ান-স্টপ ডকুমেন্টেশনসহ বিভিন্ন সেবা পুরোপুরি কাগজবিহীন করা হয়েছে।

তিনি জানান, এনবিআরের এসকুয়াডা ওয়ার্ল্ড এবং বন্দরের পরিচালনা পদ্ধতির মধ্যে সরাসরি তথ্য বিনিময় চালু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে।

এছাড়া ‘সিপিএ স্কাই’ নামে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর মাধ্যমে কাস্টমস, ব্যাংক, শিপিং এজেন্ট, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের এক প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে। বন্দরের তথ্য ও ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষায় আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে চট্টগ্রাম বন্দর আবারও ‘জিরো ওয়েটিং টাইম’ অর্জন করেছে। এতে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষার সময় শূন্যে নেমে এসেছে। জাহাজ দ্রুত পণ্য খালাস ও বোঝাই করতে পারছে, শিপিং কোম্পানির সময় ও ব্যয় কমছে, আমদানিকারক দ্রুত পণ্য পাচ্ছেন এবং রপ্তানিকারকেরাও সময়মতো পণ্য পাঠাতে পারছেন।

ঈদের ছুটিতেও ২৪ ঘণ্টা অপারেশন চালু রেখে এ সাফল্য ধরে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

নিরাপত্তা ব্যবস্থায়ও অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ডের আন্তর্জাতিক পরিদর্শনে চট্টগ্রাম বন্দর ‘জিরো অবজারভেশন’ অর্জন করেছে। একই সঙ্গে বহির্নোঙরে ডাকাতি ও চুরির ঘটনা কমাতে নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৪০ সালের মধ্যে কার্গো হ্যান্ডলিং ৩০৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিং ৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন টিইইউসে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নতুন কনটেইনার টার্মিনাল, বে টার্মিনাল, হেভি লিফট কার্গো জেটি এবং বহুমুখী পরিবহন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বলেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক ও পরিচালনাগত সাফল্য বন্দরের শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন। জাহাজের অবস্থানকাল কমানো, রাজস্ব উদ্বৃত্ত বৃদ্ধি এবং শতভাগ কাগজবিহীন ডিজিটাল সেবা চালুর মাধ্যমে বাণিজ্য অংশীদারদের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের স্মার্ট পোর্টে রূপান্তরের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগ : বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বন্দর কনটেইনার

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড চট্টগ্রাম বন্দরের

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

২০২৫-২৬ অর্থবছরে কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর। একই সঙ্গে বন্দর আবারও ‘জিরো ওয়েটিং টাইম’ অবস্থায় ফিরেছে। ফলে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষার সময় শূন্যে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

জাহাজের টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম কমে যাওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি এসেছে। শতভাগ ই-গেট, কাগজবিহীন সেবা, রিয়েল-টাইম ডিজিটাল অপারেশন এবং আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের স্মার্ট পোর্টে রূপান্তরের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরে মোট ৩৫ লাখ ৩১ হাজার ১১৮ টিইইউস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।

একই সময়ে ১৩ কোটি ৮০ লাখ ৭২ হাজার ৮২৬ মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। জাহাজ হ্যান্ডলিং বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৩৬টিতে, যা আগের বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি।

আর্থিক সূচকেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনের কথা জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৬ হাজার ৬২৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ২১ লাখ টাকা। সরকারকে কর পরিশোধ করা হয়েছে ৯৬০ কোটি ৪ লাখ টাকা।

একই সময়ে কর-পরবর্তী রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৩৯৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এটিকে বন্দরের আর্থিক সক্ষমতার নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কনটেইনারবাহী জাহাজের গড় অবস্থানকাল ২ দশমিক ৫৮ দিন থেকে কমে ২ দশমিক ৩৮ দিনে নেমে এসেছে। এতে জাহাজের অপেক্ষার সময় প্রায় ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমেছে। এর ফলে শিপিং কোম্পানির পরিচালন ব্যয় কমার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও মুখপাত্র মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে বন্দরের সব গেটে শতভাগ ই-গেট পাস ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি ই-ডেলিভারি অর্ডার, অনলাইন এনওসি, ই-চালান, কার্ট টিকিট এবং ওয়ান-স্টপ ডকুমেন্টেশনসহ বিভিন্ন সেবা পুরোপুরি কাগজবিহীন করা হয়েছে।

তিনি জানান, এনবিআরের এসকুয়াডা ওয়ার্ল্ড এবং বন্দরের পরিচালনা পদ্ধতির মধ্যে সরাসরি তথ্য বিনিময় চালু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে।

এছাড়া ‘সিপিএ স্কাই’ নামে সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর মাধ্যমে কাস্টমস, ব্যাংক, শিপিং এজেন্ট, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের এক প্ল্যাটফর্মে আনা হয়েছে। বন্দরের তথ্য ও ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষায় আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে চট্টগ্রাম বন্দর আবারও ‘জিরো ওয়েটিং টাইম’ অর্জন করেছে। এতে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষার সময় শূন্যে নেমে এসেছে। জাহাজ দ্রুত পণ্য খালাস ও বোঝাই করতে পারছে, শিপিং কোম্পানির সময় ও ব্যয় কমছে, আমদানিকারক দ্রুত পণ্য পাচ্ছেন এবং রপ্তানিকারকেরাও সময়মতো পণ্য পাঠাতে পারছেন।

ঈদের ছুটিতেও ২৪ ঘণ্টা অপারেশন চালু রেখে এ সাফল্য ধরে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

নিরাপত্তা ব্যবস্থায়ও অগ্রগতির কথা জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ডের আন্তর্জাতিক পরিদর্শনে চট্টগ্রাম বন্দর ‘জিরো অবজারভেশন’ অর্জন করেছে। একই সঙ্গে বহির্নোঙরে ডাকাতি ও চুরির ঘটনা কমাতে নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০৪০ সালের মধ্যে কার্গো হ্যান্ডলিং ৩০৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিং ৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন টিইইউসে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নতুন কনটেইনার টার্মিনাল, বে টার্মিনাল, হেভি লিফট কার্গো জেটি এবং বহুমুখী পরিবহন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বলেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আর্থিক ও পরিচালনাগত সাফল্য বন্দরের শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন। জাহাজের অবস্থানকাল কমানো, রাজস্ব উদ্বৃত্ত বৃদ্ধি এবং শতভাগ কাগজবিহীন ডিজিটাল সেবা চালুর মাধ্যমে বাণিজ্য অংশীদারদের জন্য আরও নির্ভরযোগ্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের স্মার্ট পোর্টে রূপান্তরের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ