ঢাকা    শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

খামেনির জানাজা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

খামেনির জানাজা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার নামাজে বিপুল মানুষের উপস্থিতি সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে শক্তিশালী জবাব হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান জাতীয় ঐক্য ও সংহতির ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, খামেনির জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ ইরানি জনগণের ঐক্য, দৃঢ়তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকারকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবে। 

পেজেশকিয়ান বলেন, এই বিশাল উপস্থিতি সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় জবাব। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট বার্তা দেবে যে, ইরানের জনগণ স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ এবং অবিচল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। মৃত্যুর চার মাসের বেশি সময় পর তার জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা ৪ জুলাই তেহরান থেকে শুরু হয়ে ৯ জুলাই খামেনির নিজ শহর মাশহাদে দাফনের মাধ্যমে শেষ হবে। 

ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান হবে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় আয়োজন। ছয় দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিকতা ইরানের কয়েকটি শহর ছাড়াও প্রতিবেশী ইরাকের পবিত্র নগরীগুলোতেও অনুষ্ঠিত হবে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে জানাজার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

পরবর্তী ধাপে তেহরানের রাস্তায় শোক মিছিল হবে। এরপর ৭ জুলাই কোমে এবং পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় স্মরণানুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। শেষ ধাপে ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ মাশহাদে নেওয়া হবে এবং সেখানে দাফন করা হবে। 

ইরান ও ইরানের বাইরে থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, পুরো আয়োজনে দেড় কোটি থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরাও তেহরানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। 

এদিকে খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে যেকোনো ধরনের হামলা থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে এবং যেকোনো হামলা বা উসকানির জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে বলে তেহরান সতর্ক করেছে। 

সূত্র: প্রেস টিভি

ট্যাগ : ইরান মাসুদ পেজেশকিয়ান আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬


খামেনির জানাজা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার নামাজে বিপুল মানুষের উপস্থিতি সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে শক্তিশালী জবাব হবে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক বিবৃতিতে পেজেশকিয়ান জাতীয় ঐক্য ও সংহতির ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, খামেনির জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ ইরানি জনগণের ঐক্য, দৃঢ়তা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অঙ্গীকারকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরবে। 

পেজেশকিয়ান বলেন, এই বিশাল উপস্থিতি সন্ত্রাস, সহিংসতা ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে দৃঢ় জবাব। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট বার্তা দেবে যে, ইরানের জনগণ স্বাধীনতা, মর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ এবং অবিচল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। মৃত্যুর চার মাসের বেশি সময় পর তার জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা ৪ জুলাই তেহরান থেকে শুরু হয়ে ৯ জুলাই খামেনির নিজ শহর মাশহাদে দাফনের মাধ্যমে শেষ হবে। 

ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান হবে দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় আয়োজন। ছয় দিনব্যাপী আনুষ্ঠানিকতা ইরানের কয়েকটি শহর ছাড়াও প্রতিবেশী ইরাকের পবিত্র নগরীগুলোতেও অনুষ্ঠিত হবে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে জানাজার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

পরবর্তী ধাপে তেহরানের রাস্তায় শোক মিছিল হবে। এরপর ৭ জুলাই কোমে এবং পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় স্মরণানুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে। শেষ ধাপে ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ মাশহাদে নেওয়া হবে এবং সেখানে দাফন করা হবে। 

ইরান ও ইরানের বাইরে থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, পুরো আয়োজনে দেড় কোটি থেকে দুই কোটি মানুষ অংশ নিতে পারেন। প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরাও তেহরানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন। 

এদিকে খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে যেকোনো ধরনের হামলা থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে এবং যেকোনো হামলা বা উসকানির জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে বলে তেহরান সতর্ক করেছে। 

সূত্র: প্রেস টিভি


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ