সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোল করতে পারেনি স্বাগতিক বাংলাদেশ। জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে বলের নিয়ন্ত্রণ ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেও গোলের দেখা পায়নি ভুটান।
ম্যাচটিতে বাংলাদেশের একাদশে সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তন ছিল ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষের স্ট্রাইকার হিসেবে মাঠে নামা। ইনজুরির কারণে আসিয়ান কাপে দলের বাইরে থাকা এই ফুটবলারকে সাফের প্রস্তুতিতে ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলিয়ে দেখেন কোচ। শেষ পর্যন্ত ভুটানের বিপক্ষে মূল ম্যাচেও তাকে আক্রমণভাগে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তবে নতুন পজিশনে বিশ্বনাথের স্বাচ্ছন্দ্যের অভাব প্রথমার্ধে চোখে পড়েছে। ডান দিক দিয়ে রাকিব বেশ কয়েকবার প্রতিপক্ষের বক্সে ঢুকে আক্রমণ তৈরি করেন। তার একটি ক্রস থেকে বিশ্বনাথ হেড করলেও বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। এ ছাড়া বিশ্বনাথের নেওয়া একটি শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
এদিকে ম্যাচ শুরুর আগে বাংলাদেশের একাদশে পরিবর্তন আনতে হয়। শুরুতে তপু বর্মণকে রাখা হলেও শেষ মুহূর্তে ব্যথা পাওয়ায় তার জায়গায় মাঠে নামেন কাজেম শাহ। ফলে পরিকল্পনায়ও কিছুটা পরিবর্তন আসে বাংলাদেশের।
প্রথমার্ধে অধিকাংশ সময় ভুটানের অর্ধে বল নিয়ে খেলেছে বাংলাদেশ। তবে বলের দখল বেশি থাকলেও গোছানো আক্রমণ এবং কার্যকর ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল আদায় করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে ভুটান শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক কৌশলে লো ব্লকে খেলেছে। ম্যাচের ৩০ মিনিট পার হওয়ার পর কিছুটা আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে দলটি। অধিনায়ক চ্যানচো গ্যালেস্টাইন কয়েকবার দ্রুতগতিতে বল নিয়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগে এগিয়ে যান। তার একটি দূরপাল্লার শট ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
শেষ পর্যন্ত দুই দলের কেউই প্রথমার্ধে গোল করতে না পারায় বিরতিতে গোলশূন্য সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ ও ভুটান।














মন্তব্যসমূহ