পাকিস্তানকে টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে আইসিসি টেস্ট র্যাংকিংয়ে প্রথমবারের মতো সপ্তম স্থানে উঠেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই অবস্থান দীর্ঘস্থায়ী হলো না। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর আবারও এক ধাপ পিছিয়ে অষ্টম স্থানে নেমে গেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
বাংলাদেশের পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগে সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে পাকিস্তান।
হারারেতে একমাত্র টেস্টে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শুরু থেকেই ব্যাটিং ব্যর্থতায় চাপে পড়ে সফরকারীরা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় জিম্বাবুয়ের হাতে।
এরপর স্বাগতিকরা ৪১০ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশের ওপর বিশাল চাপ তৈরি করে। ২৭০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশ।
টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার, কেউই দায়িত্বশীল ব্যাটিং করতে পারেননি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮৫ রানে গুটিয়ে যায় টাইগাররা। ফলে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।
বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে ইনিংস ব্যবধানে হার নতুন নয়। তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন হার এসেছে মাত্র দ্বিতীয়বার। এর আগে ২০০১ সালে দুই দলের প্রথম টেস্ট সাক্ষাতে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। প্রায় ২৫ বছর পর একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সেই হতাশার পুনরাবৃত্তি হলো।
এই হারের প্রভাব পড়েছে আইসিসির সর্বশেষ টেস্ট র্যাংকিংয়েও। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার পর বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৭৮। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরাজয়ের পর ৫ রেটিং পয়েন্ট হারিয়ে এখন বাংলাদেশের পয়েন্ট ৭৩।
অন্যদিকে ৭৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছে পাকিস্তান। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই টেস্ট র্যাংকিংয়ে অর্জিত অবস্থান হারাতে হলো বাংলাদেশকে।
মন্তব্যসমূহ