মহাজাগতিক উৎস থেকে উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কার এবং আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল পৌনে ৪টায় সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম থেকে এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস জানিয়েছে, আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে উচ্চশক্তির নিউট্রিনো আবিষ্কারের জন্য হ্যালজেনকে এ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
ফ্রান্সিস হ্যালজেনের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৩ মার্চ বেলজিয়ামের তিয়েনে। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে কর্মরত।
এবারের নোবেল পুরস্কার ঘোষণার দ্বিতীয় দিনে পদার্থবিজ্ঞানের বিজয়ীর নাম জানানো হলো। এর আগে সোমবার চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছেন কার্ল ডেইসারোথ, পিটার হেগেমান ও জর্জি নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিক্স নিয়ে কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
নোবেল পুরস্কারের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বুধবার রসায়ন, বৃহস্পতিবার সাহিত্য এবং শুক্রবার শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে। অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে ১২ অক্টোবর।
শান্তিতে নোবেল বিজয়ীর নাম নরওয়ের অসলো থেকে ঘোষণা করা হয়। অন্য বিভাগগুলোর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় সুইডেনের স্টকহোম থেকে।
১৯০১ সাল থেকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী ১০ ডিসেম্বর বিজয়ীদের হাতে পদক, সনদ ও অর্থ তুলে দেওয়া হবে।
মন্তব্যসমূহ