কিশোরগঞ্জের ভৈরবে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩টি পরিবারকে পুনর্বাসনে আরও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে সেখান থেকে অথবা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের মাধ্যমে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার সকালে ভৈরবের চণ্ডিবের গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মো. শরীফুল আলম জানান, গত ২ অক্টোবর বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগে চণ্ডিবের গ্রামের ১৩টি পরিবারের বাড়িঘর ও মালামাল পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে বিষয়টি জানার পর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কিছু সহায়তা নিয়ে সেখানে যান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কাজ করছেন। বর্তমানে যে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তা দিয়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুরো ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে পর্যায়ক্রমে আরও সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা সম্পর্কে ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে জানিয়ে মো. শরীফুল আলম বলেন, ত্রাণ মন্ত্রণালয় অথবা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিয়ে পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “জাতীয়তাবাদী দল জনগণের দল, এই সরকার জনগণের সরকার। তাই এই দলের প্রতি আস্থা রাখুন।”
এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত ১৩টি পরিবারের প্রত্যেককে ৩০ কেজি চাল, নগদ ৩৬ হাজার টাকা, দুই বান টিন এবং ১০ হাজার টাকা মূল্যের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।
সহায়তা দেওয়ার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কে এম মামুনুর রশীদ, ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র হাজী শাহিন, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি মুজিবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল হক, মো. নুরুজ্জামান এবং ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহিন সিদ্দিকসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বেলা ১১টায় স্থানীয় সরকার বিভাগের নগর পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চণ্ডিবের জেলেপাড়ার নিম্নআয়ের এলাকার উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
মন্তব্যসমূহ