নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে চলমান আন্দোলন নিরসনে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে শনিবার (২৫ জুলাই) তৃতীয় দফার বৈঠকে বসার কথা রয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের।
শুক্রবার দ্বিতীয় দফার আলোচনায় আন্দোলনকারীদের দাবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চায় সরকার। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি এখনো অমীমাংসিত রয়েছে।
সিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে অথবা সরকারকে তাকে অপসারণ করতে হবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সিজেপির অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার। সরকার কয়েকটি বিষয়ে আশ্বাস দিলেও দুটি দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিয়েছে—এমন সুস্পষ্ট ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
এদিকে আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যন্তর মন্তর ও আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, ব্যারিকেড ও যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কয়েকটি মেট্রো স্টেশনও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
সরকারি আশ্বাস পাওয়ার পর অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক তার ২৬ দিনের অনশন প্রত্যাহার করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, অনশন শেষ হলেও পরীক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহির দাবিতে আন্দোলন চলবে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং দ্রুত বিচারের বিধানসংবলিত নতুন বিল সংসদে তোলা হবে। শুক্রবার প্রস্তাবিত আইনটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে