স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জনকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যকর নেতৃত্বের সাফল্য হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা এবং উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমর্থন আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মাহদী আমিন জানান, সুপরিকল্পিত উদ্যোগ, কার্যকর কর্মযজ্ঞ এবং ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। ফলে আগের নির্ধারিত ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটবে বাংলাদেশের।
তার মতে, এই অতিরিক্ত সময় দেশের অর্থনীতি, শিল্প-কারখানা, আমদানি-রপ্তানি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তোলার সুযোগ তৈরি করবে।
সিদ্ধান্তটির গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি এলডিসি উত্তরণের কারণে অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবিকায় যেন অপ্রয়োজনীয় চাপ তৈরি না হয়, সেটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
মাহদী আমিনের ভাষ্য, এই অর্জনকে শুধু উত্তরণের সময়সীমা বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের অবস্থান তুলে ধরা এবং জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রয়োজনীয় নীতি ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বৈশ্বিক সমর্থন অর্জনের বিষয়টিও এর সঙ্গে জড়িত।
তিনি এই পুরো প্রক্রিয়াকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কার্যকর নেতৃত্বের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন।
মন্তব্যসমূহ