ঢাকা    শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ইভি পিংক বাস চালাতে নারী চালক তৈরির উদ্যোগ বিআরটিসির

ইভি পিংক বাস চালাতে নারী চালক তৈরির উদ্যোগ বিআরটিসির
ফাইল ছবি
ফলো করুন

নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) পিংক বাস চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। এসব বাস পরিচালনার জন্য নারী চালক তৈরিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভারী মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।

বিআরটিসির মহাব্যবস্থাপক (আইসিডব্লিউএস ও প্রশিক্ষণ) প্রকৌশলী ফাতেমা বেগম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত নারী প্রার্থীদের এক থেকে চার মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফাতেমা বেগম বলেন, ‘সরকার নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায়। এ লক্ষ্যেই বিআরটিসি ইতোমধ্যে নারীদের জন্য নারী চালক পরিচালিত পিংক বাস সার্ভিস চালু করেছে। এ সেবার পরিধি আরও বাড়াতে আমরা নারীদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইভি পিংক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছি।’

তিনি জানান, পিংক বাস সার্ভিস চালুর পর যাত্রীদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। এই সেবা পরিচালনার উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়; বরং মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারীদের নিরাপদ যাতায়াতের পরিবেশ তৈরি করা।

ফাতেমা বেগমের ভাষ্য, বর্তমানে রক্ষণশীল পরিবারের সদস্যরাও নারীদের চালক হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে উৎসাহিত করছেন। এতে দেশে ও বিদেশে দক্ষ চালক হিসেবে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিআরটিসির গাজীপুর প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মুহাম্মদ মশিউজ্জামান বাসসকে জানান, হালকা মোটরযানের বৈধ লাইসেন্সধারী নারীদের ভারী যান চালনার প্রশিক্ষণ দিতে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। প্রশিক্ষণ শেষ করে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তারা ইভি পিংক বাস পরিচালনার সুযোগ পাবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে রোড পারফরম্যান্স টেস্টে সফল প্রার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিআরটিসির বিদ্যমান প্রশাসনিক ও আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে দৈনিক মজুরিভিত্তিক চালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। তবে চূড়ান্ত নিয়োগের আগে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে বিআরটিসির স্থায়ী চালক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণ করলে এসব প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী অগ্রাধিকার পাবেন।

আবেদনের যোগ্যতা ও সময়সীমা

বিআরটিসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগ্রহী নারীদের বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে। উচ্চতা কমপক্ষে পাঁচ ফুট হতে হবে। তবে অভিজ্ঞ চালকদের ক্ষেত্রে বয়সের শর্ত শিথিল করা যেতে পারে। আবেদনকারীদের কমপক্ষে এক বছর মেয়াদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।

আগ্রহীদের আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত কর্মদিবসে সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টার মধ্যে গাজীপুরের বিআরটিসি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সরাসরি উপস্থিত হতে হবে। সেখানে প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষার অংশ হিসেবে গাড়ি চালনার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

পরীক্ষায় অংশ নিতে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে। প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ১৫ নভেম্বর বিকেলে বিআরটিসির ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য মহিলা হোস্টেলে বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে ১৭ নভেম্বর।

চালক প্রশিক্ষণে আরও উদ্যোগ

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এ উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে তরুণদের দক্ষ চালক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিআরটিসি।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ)—এই দুটি প্রকল্পের আওতায় নতুনদের বিনামূল্যে হালকা মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্প দুটির মাধ্যমে প্রায় ৬৮ হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে এসব কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাদের অনেকেই দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফাতেমা বেগম।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে পুরুষদের তুলনায় নারী চালকদের তুলনামূলক বেশি সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর তথ্য উঠে এসেছে। তাঁর মতে, বাংলাদেশের মতো পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাপ্রধান সমাজে গণপরিবহনে নারী চালক ও সহকারী থাকলে নারী যাত্রীরা বেশি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ বিবেচনা থেকেই পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্র: বাসস।

ট্যাগ : পিংক বাস বিআরটিসি

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬


ইভি পিংক বাস চালাতে নারী চালক তৈরির উদ্যোগ বিআরটিসির

প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রুটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) পিংক বাস চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। এসব বাস পরিচালনার জন্য নারী চালক তৈরিতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভারী মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।

বিআরটিসির মহাব্যবস্থাপক (আইসিডব্লিউএস ও প্রশিক্ষণ) প্রকৌশলী ফাতেমা বেগম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত নারী প্রার্থীদের এক থেকে চার মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ফাতেমা বেগম বলেন, ‘সরকার নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায়। এ লক্ষ্যেই বিআরটিসি ইতোমধ্যে নারীদের জন্য নারী চালক পরিচালিত পিংক বাস সার্ভিস চালু করেছে। এ সেবার পরিধি আরও বাড়াতে আমরা নারীদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইভি পিংক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছি।’

তিনি জানান, পিংক বাস সার্ভিস চালুর পর যাত্রীদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। এই সেবা পরিচালনার উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়; বরং মহানগরীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নারীদের নিরাপদ যাতায়াতের পরিবেশ তৈরি করা।

ফাতেমা বেগমের ভাষ্য, বর্তমানে রক্ষণশীল পরিবারের সদস্যরাও নারীদের চালক হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে উৎসাহিত করছেন। এতে দেশে ও বিদেশে দক্ষ চালক হিসেবে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিআরটিসির গাজীপুর প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মুহাম্মদ মশিউজ্জামান বাসসকে জানান, হালকা মোটরযানের বৈধ লাইসেন্সধারী নারীদের ভারী যান চালনার প্রশিক্ষণ দিতে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। প্রশিক্ষণ শেষ করে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তারা ইভি পিংক বাস পরিচালনার সুযোগ পাবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে রোড পারফরম্যান্স টেস্টে সফল প্রার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিআরটিসির বিদ্যমান প্রশাসনিক ও আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে দৈনিক মজুরিভিত্তিক চালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। তবে চূড়ান্ত নিয়োগের আগে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে বিআরটিসির স্থায়ী চালক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা পূরণ করলে এসব প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী অগ্রাধিকার পাবেন।

আবেদনের যোগ্যতা ও সময়সীমা

বিআরটিসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আগ্রহী নারীদের বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে। উচ্চতা কমপক্ষে পাঁচ ফুট হতে হবে। তবে অভিজ্ঞ চালকদের ক্ষেত্রে বয়সের শর্ত শিথিল করা যেতে পারে। আবেদনকারীদের কমপক্ষে এক বছর মেয়াদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।

আগ্রহীদের আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত কর্মদিবসে সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টার মধ্যে গাজীপুরের বিআরটিসি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সরাসরি উপস্থিত হতে হবে। সেখানে প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষার অংশ হিসেবে গাড়ি চালনার পরীক্ষা নেওয়া হবে।

পরীক্ষায় অংশ নিতে জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সব সনদ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে। প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ১৫ নভেম্বর বিকেলে বিআরটিসির ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য মহিলা হোস্টেলে বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিতদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে ১৭ নভেম্বর।

চালক প্রশিক্ষণে আরও উদ্যোগ

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। এ উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে তরুণদের দক্ষ চালক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিআরটিসি।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ)—এই দুটি প্রকল্পের আওতায় নতুনদের বিনামূল্যে হালকা মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্প দুটির মাধ্যমে প্রায় ৬৮ হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইতোমধ্যে এসব কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাদের অনেকেই দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ফাতেমা বেগম।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে পুরুষদের তুলনায় নারী চালকদের তুলনামূলক বেশি সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর তথ্য উঠে এসেছে। তাঁর মতে, বাংলাদেশের মতো পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাপ্রধান সমাজে গণপরিবহনে নারী চালক ও সহকারী থাকলে নারী যাত্রীরা বেশি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ বিবেচনা থেকেই পিংক বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্র: বাসস।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ