ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

হামজার লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ শেফিল্ড কোচ

হামজার লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ শেফিল্ড কোচ
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে পোর্টসমাউথের বিপক্ষে ৩-২ গোলের পরাজয়ের পর রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার। বিশেষ করে বাংলাদেশি ফুটবলার হামজা দেওয়ান চৌধুরীকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষের রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনের সঙ্গে একটি ঘটনায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন হামজা। শেফিল্ড কোচের দাবি, ওই পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শ এড়ানোর সুযোগ ছিল না তার।

ঘটনাটি ঘটে যখন পোর্টসমাউথের ফুটবলার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইন হামজার দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর তিনি মাটিতে পড়ে গেলে ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ড। একই সঙ্গে হামজাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা লাল কার্ডে পরিণত হয়।

ওয়াইল্ডারের অভিযোগ, রেফারি প্রথমে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড না দেওয়ার ইঙ্গিত দিলেও পরে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।

ম্যাচ শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করে শেফিল্ড কোচ বলেন, ‘হামজা আর কোথায় যাবে? সত্যি বলতে আমি বুঝতেই পারছি না, হামজার যাওয়ার জায়গাটা কোথায় ছিল!’

রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও মন্তব্য করতে গিয়ে ওয়াইল্ডার বলেন, ‘ওই মুহূর্তে হামজার কোথায় থাকার কথা ছিল আমি বুঝতে পারছি না। আমাকে খুব সাবধানে কথা বলতে হচ্ছে। কারণ অনেক কিছু হয়তো বলতে চাইলেও আমি তা বলতে পারছি না।’

এদিকে মাঠের লড়াইয়েও নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ম্যাচের ৪১ মিনিটে প্রথম গোল করে এগিয়ে যায় পোর্টসমাউথ। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে আরও একটি গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দলটি।

তবে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় শেফিল্ড ইউনাইটেড। ৫৯ মিনিটে একটি গোল শোধ করার পর ৬৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ২-২ সমতা ফেরায় তারা।

দীর্ঘ সময় সমতায় থাকা ম্যাচে ৮৯ মিনিটে আবারও গোল করে পোর্টসমাউথ। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি।

ম্যাচের শেষদিকে আরও একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানান শেফিল্ড কোচ। তার অভিযোগ, পোর্টসমাউথের পেনাল্টি বক্সে শেফিল্ডের এক ফুটবলারকে জার্সি ধরে টেনে ফেলে দেওয়া হলেও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেননি রেফারি।

এ প্রসঙ্গে ওয়াইল্ডার বলেন, ‘এমনকি খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে, আমাদের এক খেলোয়াড়কে পেনাল্টি এলাকায় টেনে ধরা হলো। এমনকি তার জার্সিটিও শরীর থেকে প্রায় খুলে আসছিল, যা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। এগুলো আমাকে ভীষণ হতাশ করেছে।’

হামজার লাল কার্ড এবং শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি না পাওয়ার ঘটনা নিয়ে তাই ম্যাচের ফলাফলের পাশাপাশি রেফারির সিদ্ধান্তও আলোচনায় উঠে এসেছে।

ট্যাগ : হামজা চৌধুরী শেফিল্ড ইউনাইটেড

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


হামজার লাল কার্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ শেফিল্ড কোচ

প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে পোর্টসমাউথের বিপক্ষে ৩-২ গোলের পরাজয়ের পর রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শেফিল্ড ইউনাইটেডের কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার। বিশেষ করে বাংলাদেশি ফুটবলার হামজা দেওয়ান চৌধুরীকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে প্রতিপক্ষের রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনের সঙ্গে একটি ঘটনায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন হামজা। শেফিল্ড কোচের দাবি, ওই পরিস্থিতিতে প্রতিপক্ষের সঙ্গে শারীরিক সংস্পর্শ এড়ানোর সুযোগ ছিল না তার।

ঘটনাটি ঘটে যখন পোর্টসমাউথের ফুটবলার রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইন হামজার দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এরপর তিনি মাটিতে পড়ে গেলে ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি অলিভার ল্যাংফোর্ড। একই সঙ্গে হামজাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা লাল কার্ডে পরিণত হয়।

ওয়াইল্ডারের অভিযোগ, রেফারি প্রথমে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড না দেওয়ার ইঙ্গিত দিলেও পরে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।

ম্যাচ শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করে শেফিল্ড কোচ বলেন, ‘হামজা আর কোথায় যাবে? সত্যি বলতে আমি বুঝতেই পারছি না, হামজার যাওয়ার জায়গাটা কোথায় ছিল!’

রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও মন্তব্য করতে গিয়ে ওয়াইল্ডার বলেন, ‘ওই মুহূর্তে হামজার কোথায় থাকার কথা ছিল আমি বুঝতে পারছি না। আমাকে খুব সাবধানে কথা বলতে হচ্ছে। কারণ অনেক কিছু হয়তো বলতে চাইলেও আমি তা বলতে পারছি না।’

এদিকে মাঠের লড়াইয়েও নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ম্যাচের ৪১ মিনিটে প্রথম গোল করে এগিয়ে যায় পোর্টসমাউথ। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে আরও একটি গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দলটি।

তবে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় শেফিল্ড ইউনাইটেড। ৫৯ মিনিটে একটি গোল শোধ করার পর ৬৭ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ২-২ সমতা ফেরায় তারা।

দীর্ঘ সময় সমতায় থাকা ম্যাচে ৮৯ মিনিটে আবারও গোল করে পোর্টসমাউথ। শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দলটি।

ম্যাচের শেষদিকে আরও একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানান শেফিল্ড কোচ। তার অভিযোগ, পোর্টসমাউথের পেনাল্টি বক্সে শেফিল্ডের এক ফুটবলারকে জার্সি ধরে টেনে ফেলে দেওয়া হলেও পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেননি রেফারি।

এ প্রসঙ্গে ওয়াইল্ডার বলেন, ‘এমনকি খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তে, আমাদের এক খেলোয়াড়কে পেনাল্টি এলাকায় টেনে ধরা হলো। এমনকি তার জার্সিটিও শরীর থেকে প্রায় খুলে আসছিল, যা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। এগুলো আমাকে ভীষণ হতাশ করেছে।’

হামজার লাল কার্ড এবং শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি না পাওয়ার ঘটনা নিয়ে তাই ম্যাচের ফলাফলের পাশাপাশি রেফারির সিদ্ধান্তও আলোচনায় উঠে এসেছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ