ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

দেশের সব মাদ্রাসার জন্য বিশেষ নির্দেশনা

দেশের সব মাদ্রাসার জন্য বিশেষ নির্দেশনা
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশের সব ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানো এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

সম্প্রতি জারি করা নির্দেশনায় দেশের সব মাদ্রাসাপ্রধানকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকার মাদ্রাসাগুলোতে আয়োজনের বিষয়টি তদারক করতে বলা হয়েছে।

তবে সব শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিযোগিতার বিষয় এক নয়। ইবতেদায়ী থেকে কামিল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের স্তর অনুযায়ী আলাদা বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইবতেদায়ী পর্যায়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নজরুলের ইসলামিক সংগীত বা গজল, নির্ধারিত কবিতা আবৃত্তি, হামদ ও নাতে অংশ নিতে পারবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ‘আমার চোখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতাও।

দাখিল পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে নজরুলের ইসলামিক সংগীত বা গজল, হামদ ও নাত, নির্ধারিত কবিতা আবৃত্তি এবং উপস্থিত বক্তৃতা। পাশাপাশি ‘নজরুলের দেশপ্রেম’ এবং ‘নজরুল সাহিত্যে ও সংগীতে ইসলামের সাম্যের ধারণা’ বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা হবে।

আলিম পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা নজরুলের যেকোনো কবিতা আবৃত্তি, ইসলামিক সংগীত বা গজল, হামদ ও নাত এবং উপস্থিত বক্তৃতায় অংশ নিতে পারবে। এ পর্যায়ে ‘ভাবুক ও নজরুল’ বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে।

ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে যেকোনো নজরুল কবিতা আবৃত্তি, ইসলামিক সংগীত বা গজল, হামদ ও নাত এবং উপস্থিত বক্তৃতা। এ পর্যায়ে রচনার বিষয় ‘নজরুল ও মানুষের মুক্তি’।

রচনা প্রতিযোগিতায়ও রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। প্রতিটি রচনা মৌলিক হতে হবে এবং হাতে লিখে জমা দিতে হবে। ব্যবহৃত তথ্যের সঙ্গে বই, প্রবন্ধ বা লেখকের রেফারেন্স ও তথ্যসূত্র উল্লেখ করতে হবে।

শব্দসীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ইবতেদায়ী পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫০০ শব্দ, দাখিলে ১ হাজার শব্দ, আলিমে ১ হাজার ৫০০ শব্দ এবং ফাজিল ও কামিল পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার শব্দের মধ্যে রচনা লিখতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এ উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু প্রতিযোগিতা আয়োজন নয়। নজরুলের সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা, তাদের সৃজনশীলতা বাড়ানো এবং জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির চেতনা শক্তিশালী করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

ট্যাগ : মাদ্রাসা শিক্ষা নজরুল বর্ষ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


দেশের সব মাদ্রাসার জন্য বিশেষ নির্দেশনা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নজরুল বর্ষ উপলক্ষে দেশের সব ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা বাড়ানো এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

সম্প্রতি জারি করা নির্দেশনায় দেশের সব মাদ্রাসাপ্রধানকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকার মাদ্রাসাগুলোতে আয়োজনের বিষয়টি তদারক করতে বলা হয়েছে।

তবে সব শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিযোগিতার বিষয় এক নয়। ইবতেদায়ী থেকে কামিল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের স্তর অনুযায়ী আলাদা বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইবতেদায়ী পর্যায়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নজরুলের ইসলামিক সংগীত বা গজল, নির্ধারিত কবিতা আবৃত্তি, হামদ ও নাতে অংশ নিতে পারবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ‘আমার চোখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতাও।

দাখিল পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে নজরুলের ইসলামিক সংগীত বা গজল, হামদ ও নাত, নির্ধারিত কবিতা আবৃত্তি এবং উপস্থিত বক্তৃতা। পাশাপাশি ‘নজরুলের দেশপ্রেম’ এবং ‘নজরুল সাহিত্যে ও সংগীতে ইসলামের সাম্যের ধারণা’ বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা হবে।

আলিম পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা নজরুলের যেকোনো কবিতা আবৃত্তি, ইসলামিক সংগীত বা গজল, হামদ ও নাত এবং উপস্থিত বক্তৃতায় অংশ নিতে পারবে। এ পর্যায়ে ‘ভাবুক ও নজরুল’ বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে।

ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত হয়েছে যেকোনো নজরুল কবিতা আবৃত্তি, ইসলামিক সংগীত বা গজল, হামদ ও নাত এবং উপস্থিত বক্তৃতা। এ পর্যায়ে রচনার বিষয় ‘নজরুল ও মানুষের মুক্তি’।

রচনা প্রতিযোগিতায়ও রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়ম। প্রতিটি রচনা মৌলিক হতে হবে এবং হাতে লিখে জমা দিতে হবে। ব্যবহৃত তথ্যের সঙ্গে বই, প্রবন্ধ বা লেখকের রেফারেন্স ও তথ্যসূত্র উল্লেখ করতে হবে।

শব্দসীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ইবতেদায়ী পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫০০ শব্দ, দাখিলে ১ হাজার শব্দ, আলিমে ১ হাজার ৫০০ শব্দ এবং ফাজিল ও কামিল পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার শব্দের মধ্যে রচনা লিখতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এ উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু প্রতিযোগিতা আয়োজন নয়। নজরুলের সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা, তাদের সৃজনশীলতা বাড়ানো এবং জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির চেতনা শক্তিশালী করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ