২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা প্রকাশ করে।
নীতিমালায় প্রতিটি শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট বয়সসীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ৭ বছর হতে পারবে।
দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তির বয়সসীমা ৬ থেকে ৮ বছর। তৃতীয় শ্রেণিতে ৭ থেকে ৯ বছর, চতুর্থ শ্রেণিতে ৮ থেকে ১০ বছর এবং পঞ্চম শ্রেণিতে ৯ থেকে ১১ বছর বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য বয়স হতে হবে ১০ থেকে ১২ বছর। সপ্তম শ্রেণিতে ১১ থেকে ১৩ বছর, অষ্টম শ্রেণিতে ১২ থেকে ১৪ বছর এবং নবম শ্রেণিতে ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভর্তির সময় বয়স যাচাইয়ের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষার্থীর অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমার বাইরে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু হবে ১ জানুয়ারি এবং শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর।
এ ছাড়া একটি শ্রেণির একটি শাখায় সর্বোচ্চ ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে প্রথম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।
অর্থাৎ, ২০২৭ সালে স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে শুধু কোন শ্রেণিতে আবেদন করা হচ্ছে সেটিই নয়, ১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে শিক্ষার্থীর বয়সও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
মন্তব্যসমূহ