ঢাকা    বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন বিজ্ঞানীরা

পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন বিজ্ঞানীরা
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ এখন পর্যন্ত একমাত্র পৃথিবীতেই পাওয়া গেছে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের একটি প্রশ্ন ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রাণের জন্য পৃথিবীই কি মহাবিশ্বের সবচেয়ে উপযোগী গ্রহ?

গবেষকদের ধারণা, এর উত্তর হয়তো ‘না’। মহাবিশ্বে এমন কিছু গ্রহ থাকতে পারে, যেগুলো পৃথিবীর তুলনায় প্রাণের উদ্ভব, টিকে থাকা এবং বিবর্তনের জন্য আরও অনুকূল।

এসব সম্ভাব্য গ্রহকে বলা হচ্ছে ‘সুপারহ্যাবিটেবল ওয়ার্ল্ডস’, অর্থাৎ অতিমাত্রায় বাসযোগ্য গ্রহ।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত এমন কোনো গ্রহের অস্তিত্ব নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিজ্ঞানীরা মূলত গ্রহের আকার, বায়ুমণ্ডল, তাপমাত্রা, পানি এবং নক্ষত্রের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে এই সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করছেন।

পৃথিবীর চেয়ে বড় হলেই কি বেশি বাসযোগ্য?

গবেষকদের ধারণা, কিছু সুপারহ্যাবিটেবল গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি প্রশস্ত হতে পারে। তাদের ভর হতে পারে পৃথিবীর প্রায় দ্বিগুণ।

বেশি ভরের কারণে এসব গ্রহের অভিকর্ষও তুলনামূলক শক্তিশালী হতে পারে। ফলে তারা ঘন বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে সক্ষম হতে পারে। আর ঘন বায়ুমণ্ডল কোনো গ্রহের তাপমাত্রা ও জলবায়ুকে তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করতে পারে।

শুধু তাই নয়, বড় লৌহকেন্দ্র থাকলে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রও তৈরি হতে পারে। এই চৌম্বকক্ষেত্র মহাকাশ থেকে আসা ক্ষতিকর বিকিরণ থেকে প্রাণকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও একটি সম্ভাবনা নিয়ে আগ্রহী বিজ্ঞানীরা। এসব গ্রহে হয়তো বিস্তৃত অগভীর সমুদ্র, হ্রদ এবং অসংখ্য দ্বীপ থাকতে পারে।

পৃথিবীর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দ্বীপ ও অগভীর জলরাশিতে যেভাবে বিপুল জীববৈচিত্র্য দেখা যায়, তেমন পরিবেশ যদি কোনো গ্রহের বড় অংশজুড়ে থাকে, তাহলে সেখানে প্রাণের বিকাশের সুযোগও বাড়তে পারে।

রহস্যটা লুকিয়ে থাকতে পারে কমলা নক্ষত্রে

সুপারহ্যাবিটেবল গ্রহের গবেষণায় বিশেষ নজর রয়েছে ‘কে-ডোয়ার্ফ’ নামে পরিচিত নক্ষত্রের দিকে।

এগুলো সূর্যের তুলনায় ছোট, অপেক্ষাকৃত শীতল এবং কমলা রঙের। সবচেয়ে বড় বিষয়, এসব নক্ষত্র খুব ধীরে জ্বালানি শেষ করে।

অর্থাৎ সূর্যের তুলনায় তারা অনেক বেশি সময় স্থিতিশীলভাবে আলো দিতে পারে।

এর অর্থ দাঁড়ায়, এমন নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা কোনো গ্রহে প্রাণের উদ্ভব ও বিবর্তনের জন্য পাওয়া যেতে পারে অনেক বেশি সময়।

আর সময়টাই হয়তো এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পৃথিবীতে প্রাণের বিবর্তন ঘটতে কয়েকশ কোটি বছর লেগেছে। কোনো গ্রহ যদি এর চেয়েও দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল পরিবেশ ধরে রাখতে পারে, তাহলে সেখানে আরও জটিল ও বৈচিত্র্যময় প্রাণের বিকাশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তাহলে পৃথিবী কি ধীরে ধীরে বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে?

পৃথিবী প্রাণের জন্য অসাধারণভাবে উপযোগী হলেও এর পরিবেশ চিরকাল একই থাকবে না।

সূর্যের উজ্জ্বলতা ধীরে ধীরে বাড়ছে। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৫০ কোটি বছর পর পৃথিবীর পরিবেশ জটিল উদ্ভিদ ও প্রাণের জন্য অতিরিক্ত উষ্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, কোনো কে-ডোয়ার্ফ নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে থাকা গ্রহ অনেক দীর্ঘ সময় তুলনামূলক স্থিতিশীল পরিবেশ ধরে রাখতে পারে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে পৃথিবী খারাপ গ্রহ। বরং বিজ্ঞানীদের বক্তব্য হলো, প্রাণের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের পরিবেশকে শুধু পৃথিবীর মানদণ্ডে বিচার করা ঠিক নাও হতে পারে।

সেখানে কি অ্যালিয়েন থাকতে পারে?

এই প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।

কোনো গ্রহে তরল পানি, উপযুক্ত তাপমাত্রা কিংবা ঘন বায়ুমণ্ডল থাকলেই সেখানে প্রাণ রয়েছে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

তবে বিজ্ঞানীরা এমন গ্রহ খুঁজছেন, যেখানে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাব্য পরিবেশের পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলে বিশেষ কিছু গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যেতে পারে। এসব গ্যাস ভবিষ্যতে প্রাণের সম্ভাব্য রাসায়নিক চিহ্ন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অর্থাৎ, প্রথমে খুঁজে বের করতে হবে কোথায় পরিবেশটি প্রাণের জন্য উপযোগী হতে পারে। এরপর খুঁজতে হবে সেখানে সত্যিই প্রাণের কোনো চিহ্ন আছে কি না।

সামনে আসছে আরও শক্তিশালী অনুসন্ধান

সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহ খুঁজতে আগামী বছরগুলোতে আরও শক্তিশালী মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা কাজে লাগানো হবে।

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার প্ল্যাটো অভিযান ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনায় রয়েছে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহ শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

পাশাপাশি জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণযন্ত্রসহ ভবিষ্যতের আরও শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এসব গ্রহের বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণে সহায়তা করতে পারে।

আর ২০৪০-এর দশকে নাসার হ্যাবিটেবল ওয়ার্ল্ডস অবজারভেটরি চালু হলে দূরবর্তী গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য চিহ্ন খোঁজার সক্ষমতা আরও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে প্রশ্নটা এখন আর শুধু ‘পৃথিবীর বাইরে প্রাণ আছে কি না’ তা নিয়ে নয়।

বিজ্ঞানীরা জানতে চাইছেন, এমন কোনো গ্রহ কি মহাবিশ্বে রয়েছে, যেখানে প্রাণের জন্য পৃথিবীর চেয়েও ভালো পরিবেশ তৈরি হয়েছে?

এখনো তার উত্তর নেই। তবে ভবিষ্যতের মহাকাশ অনুসন্ধান হয়তো একদিন সেই উত্তর সামনে এনে দিতে পারে।

ট্যাগ : মহাকাশ সুপারহ্যাবিটেবল গ্রহ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন বিজ্ঞানীরা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ এখন পর্যন্ত একমাত্র পৃথিবীতেই পাওয়া গেছে। কিন্তু বিজ্ঞানীদের একটি প্রশ্ন ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রাণের জন্য পৃথিবীই কি মহাবিশ্বের সবচেয়ে উপযোগী গ্রহ?

গবেষকদের ধারণা, এর উত্তর হয়তো ‘না’। মহাবিশ্বে এমন কিছু গ্রহ থাকতে পারে, যেগুলো পৃথিবীর তুলনায় প্রাণের উদ্ভব, টিকে থাকা এবং বিবর্তনের জন্য আরও অনুকূল।

এসব সম্ভাব্য গ্রহকে বলা হচ্ছে ‘সুপারহ্যাবিটেবল ওয়ার্ল্ডস’, অর্থাৎ অতিমাত্রায় বাসযোগ্য গ্রহ।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত এমন কোনো গ্রহের অস্তিত্ব নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। বিজ্ঞানীরা মূলত গ্রহের আকার, বায়ুমণ্ডল, তাপমাত্রা, পানি এবং নক্ষত্রের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে এই সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করছেন।

পৃথিবীর চেয়ে বড় হলেই কি বেশি বাসযোগ্য?

গবেষকদের ধারণা, কিছু সুপারহ্যাবিটেবল গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি প্রশস্ত হতে পারে। তাদের ভর হতে পারে পৃথিবীর প্রায় দ্বিগুণ।

বেশি ভরের কারণে এসব গ্রহের অভিকর্ষও তুলনামূলক শক্তিশালী হতে পারে। ফলে তারা ঘন বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে সক্ষম হতে পারে। আর ঘন বায়ুমণ্ডল কোনো গ্রহের তাপমাত্রা ও জলবায়ুকে তুলনামূলক স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করতে পারে।

শুধু তাই নয়, বড় লৌহকেন্দ্র থাকলে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রও তৈরি হতে পারে। এই চৌম্বকক্ষেত্র মহাকাশ থেকে আসা ক্ষতিকর বিকিরণ থেকে প্রাণকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।

আরও একটি সম্ভাবনা নিয়ে আগ্রহী বিজ্ঞানীরা। এসব গ্রহে হয়তো বিস্তৃত অগভীর সমুদ্র, হ্রদ এবং অসংখ্য দ্বীপ থাকতে পারে।

পৃথিবীর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দ্বীপ ও অগভীর জলরাশিতে যেভাবে বিপুল জীববৈচিত্র্য দেখা যায়, তেমন পরিবেশ যদি কোনো গ্রহের বড় অংশজুড়ে থাকে, তাহলে সেখানে প্রাণের বিকাশের সুযোগও বাড়তে পারে।

রহস্যটা লুকিয়ে থাকতে পারে কমলা নক্ষত্রে

সুপারহ্যাবিটেবল গ্রহের গবেষণায় বিশেষ নজর রয়েছে ‘কে-ডোয়ার্ফ’ নামে পরিচিত নক্ষত্রের দিকে।

এগুলো সূর্যের তুলনায় ছোট, অপেক্ষাকৃত শীতল এবং কমলা রঙের। সবচেয়ে বড় বিষয়, এসব নক্ষত্র খুব ধীরে জ্বালানি শেষ করে।

অর্থাৎ সূর্যের তুলনায় তারা অনেক বেশি সময় স্থিতিশীলভাবে আলো দিতে পারে।

এর অর্থ দাঁড়ায়, এমন নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা কোনো গ্রহে প্রাণের উদ্ভব ও বিবর্তনের জন্য পাওয়া যেতে পারে অনেক বেশি সময়।

আর সময়টাই হয়তো এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পৃথিবীতে প্রাণের বিবর্তন ঘটতে কয়েকশ কোটি বছর লেগেছে। কোনো গ্রহ যদি এর চেয়েও দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল পরিবেশ ধরে রাখতে পারে, তাহলে সেখানে আরও জটিল ও বৈচিত্র্যময় প্রাণের বিকাশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তাহলে পৃথিবী কি ধীরে ধীরে বসবাসের অযোগ্য হয়ে যাবে?

পৃথিবী প্রাণের জন্য অসাধারণভাবে উপযোগী হলেও এর পরিবেশ চিরকাল একই থাকবে না।

সূর্যের উজ্জ্বলতা ধীরে ধীরে বাড়ছে। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৫০ কোটি বছর পর পৃথিবীর পরিবেশ জটিল উদ্ভিদ ও প্রাণের জন্য অতিরিক্ত উষ্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, কোনো কে-ডোয়ার্ফ নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে থাকা গ্রহ অনেক দীর্ঘ সময় তুলনামূলক স্থিতিশীল পরিবেশ ধরে রাখতে পারে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে পৃথিবী খারাপ গ্রহ। বরং বিজ্ঞানীদের বক্তব্য হলো, প্রাণের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের পরিবেশকে শুধু পৃথিবীর মানদণ্ডে বিচার করা ঠিক নাও হতে পারে।

সেখানে কি অ্যালিয়েন থাকতে পারে?

এই প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা।

কোনো গ্রহে তরল পানি, উপযুক্ত তাপমাত্রা কিংবা ঘন বায়ুমণ্ডল থাকলেই সেখানে প্রাণ রয়েছে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

তবে বিজ্ঞানীরা এমন গ্রহ খুঁজছেন, যেখানে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাব্য পরিবেশের পাশাপাশি বায়ুমণ্ডলে বিশেষ কিছু গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যেতে পারে। এসব গ্যাস ভবিষ্যতে প্রাণের সম্ভাব্য রাসায়নিক চিহ্ন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অর্থাৎ, প্রথমে খুঁজে বের করতে হবে কোথায় পরিবেশটি প্রাণের জন্য উপযোগী হতে পারে। এরপর খুঁজতে হবে সেখানে সত্যিই প্রাণের কোনো চিহ্ন আছে কি না।

সামনে আসছে আরও শক্তিশালী অনুসন্ধান

সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহ খুঁজতে আগামী বছরগুলোতে আরও শক্তিশালী মহাকাশ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা কাজে লাগানো হবে।

ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার প্ল্যাটো অভিযান ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনায় রয়েছে। এর মাধ্যমে সম্ভাব্য বাসযোগ্য গ্রহ শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

পাশাপাশি জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণযন্ত্রসহ ভবিষ্যতের আরও শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এসব গ্রহের বায়ুমণ্ডল বিশ্লেষণে সহায়তা করতে পারে।

আর ২০৪০-এর দশকে নাসার হ্যাবিটেবল ওয়ার্ল্ডস অবজারভেটরি চালু হলে দূরবর্তী গ্রহে প্রাণের সম্ভাব্য চিহ্ন খোঁজার সক্ষমতা আরও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে প্রশ্নটা এখন আর শুধু ‘পৃথিবীর বাইরে প্রাণ আছে কি না’ তা নিয়ে নয়।

বিজ্ঞানীরা জানতে চাইছেন, এমন কোনো গ্রহ কি মহাবিশ্বে রয়েছে, যেখানে প্রাণের জন্য পৃথিবীর চেয়েও ভালো পরিবেশ তৈরি হয়েছে?

এখনো তার উত্তর নেই। তবে ভবিষ্যতের মহাকাশ অনুসন্ধান হয়তো একদিন সেই উত্তর সামনে এনে দিতে পারে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ