ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

শুধু ক্যারিয়ার নয়, সমাজের জন্যও কাজ করতে হবে: মাহদী আমিন

শুধু ক্যারিয়ার নয়, সমাজের জন্যও কাজ করতে হবে: মাহদী আমিন
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

শিক্ষার্থীদের প্রতিটি অর্জনের পেছনে বাবা-মায়ের ভালোবাসা, ত্যাগ ও দীর্ঘ সংগ্রাম রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞানকে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।

রোববার (১১ অক্টোবর) ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।

নবীন গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, সমাবর্তনের সনদ তাঁদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, চাকরি কিংবা উদ্ভাবনী উদ্যোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। তবে ভবিষ্যতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রস্তুতির পাশাপাশি অতীতের পথচলাও স্মরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাজীবনে পরীক্ষার চাপ, নির্ঘুম রাত ও গবেষণাগারের নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করার পেছনে শিক্ষার্থীদের নিজেদের পরিশ্রমের পাশাপাশি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা প্রয়োজন।

আইইউটির শিক্ষাগত ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রকৌশলীরা বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। নতুন গ্র্যাজুয়েটদেরও সেই সুনাম ধরে রেখে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত ডিগ্রি শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়ার উপকরণ নয়। শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব এবং বিশেষায়িত দক্ষতা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তাঁর মতে, একজন গ্র্যাজুয়েট ভালো চাকরি, উচ্চশিক্ষা বা ব্যবসার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জন করতে পারেন। তবে সেই অর্জনের পাশাপাশি সমাজের সমস্যা সমাধান এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখার দায়িত্বও রয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্সের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ, প্রোগ্রামিং এবং নতুন ধারণা তৈরিতে সক্ষম হলেও এর ব্যবহার কোন উদ্দেশ্যে হবে, তা মানুষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।

তিনি মনে করেন, প্রযুক্তির সুফল নিশ্চিত করতে সততা, বিবেচনাবোধ ও নৈতিক মূল্যবোধ অপরিহার্য। বিশেষ করে নারী, শিশু ও তরুণদের ক্ষমতায়ন, শিল্প খাতের উন্নয়ন এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।

প্রকৌশল, কারিগরি শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী গবেষণা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মাহদী আমিন আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতের যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন শুধু সিলিকন ভ্যালি থেকেই আসবে, এমন নয়। আইইউটির গ্র্যাজুয়েটরাও নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সূচনা করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা এবং শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যথাযথ দিকনির্দেশনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আইইউটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

তিনি আরও স্মরণ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একাধিকবার আইইউটি ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রতিষ্ঠানটিতে এসে শিক্ষা ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, ভাষা ও সংস্কৃতিতে পার্থক্য থাকলেও মুসলিম দেশগুলোর অভিন্ন লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাই জ্ঞান, উদ্ভাবন ও মানবকল্যাণকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

তিনি গ্র্যাজুয়েটদের এমন উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন, যা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার কার্যকর সমাধান দেবে। একই সঙ্গে বিনয়, আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষক, পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান স্মরণ করে মাহদী আমিন বলেন, অর্জিত শিক্ষা ও দক্ষতা কোন পথে ব্যবহার করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের নিজেদেরই নিতে হবে। তাঁদের সাফল্যের মাধ্যমে পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানিত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ।

এতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ওআইসির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহকারী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত আফতাব আহমেদ খোখোর, ওআইসিতে বেনিনের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আদম বাগৌদু জাকারি এবং রিয়াদে চাদ দূতাবাসের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা মাহামাদ সালেহ আলজাজৌলি।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, ইরাক দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আলী এম. আলওয়াশ, ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন হাজি ওসমান এবং ফিলিস্তিন দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জিয়াদ এম. এইচ. হামাদ।

দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ : মাহদী আমিন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


শুধু ক্যারিয়ার নয়, সমাজের জন্যও কাজ করতে হবে: মাহদী আমিন

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

শিক্ষার্থীদের প্রতিটি অর্জনের পেছনে বাবা-মায়ের ভালোবাসা, ত্যাগ ও দীর্ঘ সংগ্রাম রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেছেন, উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি অর্জিত জ্ঞানকে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে।

রোববার (১১ অক্টোবর) ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র।

নবীন গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, সমাবর্তনের সনদ তাঁদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, চাকরি কিংবা উদ্ভাবনী উদ্যোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। তবে ভবিষ্যতের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রস্তুতির পাশাপাশি অতীতের পথচলাও স্মরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষাজীবনে পরীক্ষার চাপ, নির্ঘুম রাত ও গবেষণাগারের নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করার পেছনে শিক্ষার্থীদের নিজেদের পরিশ্রমের পাশাপাশি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিশেষ করে বাবা-মায়ের ত্যাগ ও ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা প্রয়োজন।

আইইউটির শিক্ষাগত ঐতিহ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রকৌশলীরা বিশ্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। নতুন গ্র্যাজুয়েটদেরও সেই সুনাম ধরে রেখে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত ডিগ্রি শুধু ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়ার উপকরণ নয়। শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গড়ে ওঠা বন্ধুত্ব এবং বিশেষায়িত দক্ষতা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তাঁর মতে, একজন গ্র্যাজুয়েট ভালো চাকরি, উচ্চশিক্ষা বা ব্যবসার মাধ্যমে ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জন করতে পারেন। তবে সেই অর্জনের পাশাপাশি সমাজের সমস্যা সমাধান এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখার দায়িত্বও রয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্সের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ, প্রোগ্রামিং এবং নতুন ধারণা তৈরিতে সক্ষম হলেও এর ব্যবহার কোন উদ্দেশ্যে হবে, তা মানুষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে।

তিনি মনে করেন, প্রযুক্তির সুফল নিশ্চিত করতে সততা, বিবেচনাবোধ ও নৈতিক মূল্যবোধ অপরিহার্য। বিশেষ করে নারী, শিশু ও তরুণদের ক্ষমতায়ন, শিল্প খাতের উন্নয়ন এবং বাস্তব সমস্যার সমাধানে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।

প্রকৌশল, কারিগরি শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনার শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী গবেষণা এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মাহদী আমিন আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতের যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন শুধু সিলিকন ভ্যালি থেকেই আসবে, এমন নয়। আইইউটির গ্র্যাজুয়েটরাও নতুন প্রযুক্তিগত বিপ্লবের সূচনা করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা এবং শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যথাযথ দিকনির্দেশনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আইইউটির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। মুসলিম দেশগুলোর ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়টির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।

তিনি আরও স্মরণ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একাধিকবার আইইউটি ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়েছেন। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রতিষ্ঠানটিতে এসে শিক্ষা ও প্রযুক্তির অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাহদী আমিন বলেন, ভাষা ও সংস্কৃতিতে পার্থক্য থাকলেও মুসলিম দেশগুলোর অভিন্ন লক্ষ্য ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তাই জ্ঞান, উদ্ভাবন ও মানবকল্যাণকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

তিনি গ্র্যাজুয়েটদের এমন উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দেন, যা দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার কার্যকর সমাধান দেবে। একই সঙ্গে বিনয়, আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষক, পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান স্মরণ করে মাহদী আমিন বলেন, অর্জিত শিক্ষা ও দক্ষতা কোন পথে ব্যবহার করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের নিজেদেরই নিতে হবে। তাঁদের সাফল্যের মাধ্যমে পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানিত হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইউটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ।

এতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ওআইসির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সহকারী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত আফতাব আহমেদ খোখোর, ওআইসিতে বেনিনের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আদম বাগৌদু জাকারি এবং রিয়াদে চাদ দূতাবাসের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা মাহামাদ সালেহ আলজাজৌলি।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, ইরাক দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আলী এম. আলওয়াশ, ব্রুনাই দারুসসালামের হাইকমিশনার হাজি হারিস বিন হাজি ওসমান এবং ফিলিস্তিন দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন জিয়াদ এম. এইচ. হামাদ।

দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও সমাবর্তনে উপস্থিত ছিলেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ