জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) রাজস্ব খাতভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও নির্ধারিত ফরম জমা দেওয়ার জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ গত ১৭ সেপ্টেম্বর ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ জারি করে। এর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বুধবার (৭ অক্টোবর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অর্থ ও হিসাব বিভাগ থেকে মহাপরিচালকের অনুমোদনক্রমে এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়সহ সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি, ইসলামিক মিশন এবং ইসলামিক মিশন হাসপাতালের রাজস্ব খাতভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা সমন্বয় করতে হবে।
এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত ফরম সঠিকভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের হার্ডকপি অর্থ ও হিসাব বিভাগে পাঠাতে হবে। এর সঙ্গে জুন ২০২৬ মাসের বেতন বিবরণী বা পে স্লিপও জমা দিতে হবে। এসব নথি আগামী ১৪ অক্টোবর বুধবারের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পিআরএল গ্রহণকারী এবং অবসরগামী কর্মীদের ক্ষেত্রেও নির্দেশনায় বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৭-এর মধ্যে যেসব কর্মীর পিআরএল শেষ হবে, তাদের নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী চূড়ান্ত আর্থিক পাওনা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় থেকে নিষ্পত্তি করা হবে।
অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান স্বাক্ষরিত নির্দেশনার সঙ্গে পে-ফিক্সেশন প্রক্রিয়া সহজ করতে দুটি নির্ধারিত ফরম ও সেগুলোর পূরণ করা নমুনা কপি সংযুক্ত করা হয়েছে।
এই ফরমের মাধ্যমে ১ম থেকে ৯ম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত তিন মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা হিসাব করে দাবি জানাতে পারবেন।
মন্তব্যসমূহ