ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

‘আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করবে বিএনপি’: প্রধানমন্ত্রী

‘আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করবে বিএনপি’: প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে কিছু মানুষ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাচ্ছে এবং কয়েকটি রাজনৈতিক দল সেসব ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে দায়িত্ব দেওয়ার পর সরকার আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ৩টার দিকে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প উদ্বোধনের পর আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু কিছু দুষ্টু মানুষ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাচ্ছে। বিএনপিকে যখন এ দেশের মানুষ দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপি তার সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে, আইন সবার জন্য সমান।”

তিনি আরও বলেন, “অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আমরা দেখছি কিছু রাজনৈতিক দল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা তৈরি করার করছে।”

বক্তব্যে কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে একটি রাজনৈতিক পক্ষকে ‘গুপ্ত বাহিনী’ ও ‘গুপ্ত দল’ হিসেবে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে ভূমিকা এবং বর্তমানে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখানে বহু মুরুব্বি উপস্থিতি আছেন, যারা এখন অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ১৯৭১ সালে তাদের কি ভূমিকা ছিল আমরা দেখেছি। সেইসময় তারা যেভাবে অন্যায় করেছিল, মা-বোনদের হয়রানি-নির্যাতন করেছিল আমরা দেখেছি। ১২ তারিখের নির্বাচনে কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করে তারা কিছু আসনে নির্বাচিত হয়েছে। যেভাবে ৭১ সালে মা-বোনদের ওপর তারা নির্যাতন করেছিল, ঠিক একইভাবে আবারও তাদের নারী নির্যাতন শুরু হয়েছে। এই গুপ্ত বাহিনীর সদস্যরা কিভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন করছে আমরা তা দেখছি। শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হননি, তদন্তাধীন বিষয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না। একটি মানুষের জীবনাবসান করে দিয়েছেন তারা।”

এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের বক্তব্য উৎস প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীও বক্তব্যে ‘গুপ্ত বাহিনী’ বা ‘গুপ্ত দল’ বলতে কোন দলকে বোঝাচ্ছেন, তার নাম উল্লেখ করেননি।

তারেক রহমান বলেন, “বিভিন্ন মিডিয়াতে দেখলাম সেই গুপ্ত দলের নেতারা খুব নছিহত করছে আমাদের। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, দয়া করে নিজের ঘরের দিকে আগে তাকান। নিজের ঘরের লোকেরা কিভাবে নারী নির্যাতন করছে, কিভাবে কী করছে সেটি আগে সামাল দেন। তারপর অন্যকে কিছু বলতে আসেন।”

রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি ফেনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক ও রাজনৈতিক স্মৃতির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বহু বছর পর নানা বাড়িতে আসলাম। প্রথম আমি এখানে আসছিলাম ১৯৮৪ সালে সম্ভবত, তারপর ১৯৯১ সালে আপনাদের মেয়ে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে যখন নির্বাচিত করেছিলেন। তখন নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন এ রাস্তা ছিল না।”

মুহুরী-কহুয়া নদীর পুনঃখনন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করার অংশ হিসেবেই এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দুই থেকে আড়াই বছর আগে বড় বন্যায় ফেনীসহ নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের লাখ লাখ মানুষের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তারেক রহমান জানান, নির্বাচনের আগেই নদী ও খাল খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। বন্যা মোকাবিলা, কৃষিজমিতে পানি সরবরাহ এবং মানুষের পানির প্রয়োজন মেটাতে খাল খননের গুরুত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে শুরু হওয়া কর্মসূচিই আবার চালু করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্যের দাবির প্রসঙ্গে দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলোর শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে ৩০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করা হয়েছিল এবং পরে খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে তা ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কথা জানান তিনি।

নিজেদের রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর মানুষের অধিকার ও ভোটাধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করেছে বিএনপি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে এবং চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন করেন।

পরশুরামের কর্মসূচি শেষে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। পরে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ট্যাগ : বিএনপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনী

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


‘আইন সবার জন্য সমান নিশ্চিত করবে বিএনপি’: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে কিছু মানুষ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাচ্ছে এবং কয়েকটি রাজনৈতিক দল সেসব ঘটনাকে কাজে লাগিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, জনগণ বিএনপিকে দায়িত্ব দেওয়ার পর সরকার আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ৩টার দিকে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প উদ্বোধনের পর আয়োজিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু কিছু দুষ্টু মানুষ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাচ্ছে। বিএনপিকে যখন এ দেশের মানুষ দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপি তার সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে, আইন সবার জন্য সমান।”

তিনি আরও বলেন, “অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, আমরা দেখছি কিছু রাজনৈতিক দল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অরাজকতা তৈরি করার করছে।”

বক্তব্যে কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে একটি রাজনৈতিক পক্ষকে ‘গুপ্ত বাহিনী’ ও ‘গুপ্ত দল’ হিসেবে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে ভূমিকা এবং বর্তমানে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখানে বহু মুরুব্বি উপস্থিতি আছেন, যারা এখন অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে ১৯৭১ সালে তাদের কি ভূমিকা ছিল আমরা দেখেছি। সেইসময় তারা যেভাবে অন্যায় করেছিল, মা-বোনদের হয়রানি-নির্যাতন করেছিল আমরা দেখেছি। ১২ তারিখের নির্বাচনে কিছু মানুষকে বিভ্রান্ত করে তারা কিছু আসনে নির্বাচিত হয়েছে। যেভাবে ৭১ সালে মা-বোনদের ওপর তারা নির্যাতন করেছিল, ঠিক একইভাবে আবারও তাদের নারী নির্যাতন শুরু হয়েছে। এই গুপ্ত বাহিনীর সদস্যরা কিভাবে নারীদের ওপর নির্যাতন করছে আমরা তা দেখছি। শুধু নির্যাতন করেই তারা ক্ষান্ত হননি, তদন্তাধীন বিষয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না। একটি মানুষের জীবনাবসান করে দিয়েছেন তারা।”

এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের বক্তব্য উৎস প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীও বক্তব্যে ‘গুপ্ত বাহিনী’ বা ‘গুপ্ত দল’ বলতে কোন দলকে বোঝাচ্ছেন, তার নাম উল্লেখ করেননি।

তারেক রহমান বলেন, “বিভিন্ন মিডিয়াতে দেখলাম সেই গুপ্ত দলের নেতারা খুব নছিহত করছে আমাদের। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, দয়া করে নিজের ঘরের দিকে আগে তাকান। নিজের ঘরের লোকেরা কিভাবে নারী নির্যাতন করছে, কিভাবে কী করছে সেটি আগে সামাল দেন। তারপর অন্যকে কিছু বলতে আসেন।”

রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি ফেনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক ও রাজনৈতিক স্মৃতির কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বহু বছর পর নানা বাড়িতে আসলাম। প্রথম আমি এখানে আসছিলাম ১৯৮৪ সালে সম্ভবত, তারপর ১৯৯১ সালে আপনাদের মেয়ে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে যখন নির্বাচিত করেছিলেন। তখন নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন এ রাস্তা ছিল না।”

মুহুরী-কহুয়া নদীর পুনঃখনন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করার অংশ হিসেবেই এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দুই থেকে আড়াই বছর আগে বড় বন্যায় ফেনীসহ নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের লাখ লাখ মানুষের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

তারেক রহমান জানান, নির্বাচনের আগেই নদী ও খাল খননের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। বন্যা মোকাবিলা, কৃষিজমিতে পানি সরবরাহ এবং মানুষের পানির প্রয়োজন মেটাতে খাল খননের গুরুত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে শুরু হওয়া কর্মসূচিই আবার চালু করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্যের দাবির প্রসঙ্গে দেশের উপজেলা হাসপাতালগুলোর শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে ৩০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করা হয়েছিল এবং পরে খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে তা ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার কথা জানান তিনি।

নিজেদের রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৭ বছর মানুষের অধিকার ও ভোটাধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করেছে বিএনপি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের মানুষ স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে এবং চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ের মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজের উদ্বোধন করেন।

পরশুরামের কর্মসূচি শেষে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। পরে জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ