ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার ডার্বিতে বড় সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারল না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ম্যাচের ২০ মিনিটেই ফিল ফোডেন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় প্রায় ৭০ মিনিট একজন কম নিয়ে খেলতে হয় ম্যানচেস্টার সিটিকে। তবুও সেই সুবিধা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে স্বাগতিকরা।
বরং দ্বিতীয়ার্ধে আর্লিং হালান্ডের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি। এর মধ্য দিয়ে ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বিতে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয় পেপ গার্দিওলার দল।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইউনাইটেড। তবে ২০ মিনিটে পরিস্থিতি বদলে যায়। ব্রুনো ফার্নান্দেজকে ফাউল করার ঘটনায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন সিটির ফিল ফোডেন। এরপর একজন বেশি নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে ইউনাইটেড।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে এবং দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করে স্বাগতিকরা। এর মধ্যে দুটি আক্রমণে সিটির গোলপোস্টে বল লেগে ফিরে আসে। কিন্তু কোনোভাবেই গোলের জাল খুঁজে পায়নি ইউনাইটেড।
এরপর ম্যাচের ৬০ মিনিটে হঠাৎই এগিয়ে যায় সিটি। পাল্টা আক্রমণ থেকে ইয়োশকো গাভারদিওলের নিচু ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে গোলমুখে চলে গেলে কাছ থেকে বল জালে পাঠান হালান্ড।
গোলটির পর সহকারী রেফারি অফসাইডের সংকেত দিয়েছিলেন। তবে দীর্ঘ সময় ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।
গোল হজমের পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে ইউনাইটেড। কিন্তু সিটির রক্ষণভাগ দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শেষ পর্যন্ত ১০ জন নিয়েও ইউনাইটেডের সব আক্রমণ সামলে গুরুত্বপূর্ণ জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা।
এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগে এনজো মারেস্কার অধীনে সিটির শতভাগ জয়ের রেকর্ড অক্ষুণ্ন থাকল। চার ম্যাচে চার জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা। সমান ১২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে শীর্ষে আর্সেনাল।
অন্যদিকে চার ম্যাচে এক জয়, এক ড্র ও দুই হারে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ১৩ নম্বরে অবস্থান করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।