এসিসি মেনস প্রিমিয়ার কাপের ফাইনালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৪৪ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে নেপাল। এই জয়ের মাধ্যমে ২০২৭ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় এশিয়া কাপেও জায়গা নিশ্চিত করেছে দলটি।
শনিবার কুয়ালালামপুরের বায়ুমাস ওভালে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩১৩ রান তোলে নেপাল।
দলের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ওপেনার আসিফ শেখ। ১০৬ বলে আটটি চার ও চারটি ছক্কায় ১০২ রান করেন তিনি। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ওপেনিংয়ে অর্জুন কুমালের সঙ্গে বড় জুটি গড়ে নেপালকে শক্ত ভিত এনে দেন আসিফ। কুমাল করেন ৬৩ বলে ৪৩ রান।
মাঝের ওভারে রোহিত পাউডেল ৪০ এবং গুলশান ঝা ৩৮ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। শেষদিকে বশির আহমেদের দ্রুত ১৫ রান নেপালকে তিনশ পেরোতে সহায়তা করে।
৩১৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে লড়াই করেন রাহুল চোপড়া। তিনি অপরাজিত সেঞ্চুরি করলেও অন্য ব্যাটারদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি। তানিশ সুরি ৪২ এবং অধিনায়ক হরপ্রীত ভাটিয়া ৩৩ রান করেন।
শেষ পর্যন্ত ৪৯.১ ওভারে ২৬৯ রানে অলআউট হয় আমিরাত। নেপালের হয়ে করণ কেসি তিনটি এবং ললিত রাজবংশী দুটি উইকেট নেন। অন্য বোলাররাও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে আমিরাতকে লক্ষ্যে পৌঁছাতে দেননি।
টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে প্রথম তিন ম্যাচ জয়ের পর হংকংয়ের কাছে ১৫ রানে হেরেছিল নেপাল। সেমিফাইনালে ওমানের বিপক্ষে মাত্র ১৪৭ রান করেও দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে ৬০ রানে অলআউট করে ৮৭ রানের জয় পায় তারা।
অন্যদিকে ফাইনালের আগে টুর্নামেন্টে অপরাজিত ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। সেমিফাইনালে হংকংকে সাত উইকেটে হারিয়ে শিরোপার লড়াইয়ে উঠেছিল দলটি।
এর আগে ২০২৩ সালের এসিসি প্রিমিয়ার কাপের ফাইনালেও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে প্রথমবার শিরোপা জিতেছিল নেপাল। সেই জয়ে প্রথমবার এশিয়া কাপের টিকিট পেয়েছিল দলটি। এবার একই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে আবারও মহাদেশীয় আসরে জায়গা করে নিল নেপাল।