গাজীপুর মহানগরের গাছা এলাকায় একটি মাদ্রাসায় দুই শিক্ষার্থীকে মারধর ও গরম লোহার খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই পরিবারের করা পৃথক মামলায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পশ্চিম ঝাঝড়ের সাক্রাউরী এলাকার ‘আল-মাদরাসাতু দারুত তাকওয়া গাজীপুর’ মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন পরিচালক মাওলানা শোয়াইব হোসেন (২৬), শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমান (২৬) ও মো. শাহিন (১৯)। নির্যাতনের অভিযোগকারী দুই শিক্ষার্থীর বয়স ১৩ বছর।
পরিবারগুলোর ভাষ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে খেলাধুলার সময় এক শিক্ষার্থীর পোশাক অসাবধানতাবশত খুলে যাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই শিশুকে শাস্তি দেওয়া হয়। তাদের মারধরের পাশাপাশি উত্তপ্ত খুন্তি দিয়ে শরীরে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এক শিক্ষার্থীর বাবা জানান, ১০ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়ি ফেরার পর ছেলের হাঁটতে ও বসতে সমস্যা দেখতে পান তিনি। প্রথমে ছেলে ফোঁড়ার কথা বললেও পরে পোড়া জখম দেখে পরিবারের সদস্যরা নির্যাতনের অভিযোগ জানতে পারেন।
অন্য শিক্ষার্থীর বাবার অভিযোগ, ১১ সেপ্টেম্বর ছেলেকে দেখতে গেলে মাদ্রাসা থেকে বলা হয়, তাকে অন্য শাখায় পাঠানো হয়েছে। পরে অন্য শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে হাসপাতালে ভর্তির খবর পান। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ছেলেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেখতে পান তিনি।
গাছা থানার ওসি গোলাম রব্বানীর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিচালক শোয়াইবকে শুক্রবার গ্রেপ্তারের পর শনিবার আদালতে পাঠানো হয়। অন্য দুই শিক্ষককে শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের রোববার আদালতে পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন ওসি।
অভিযুক্তদের বক্তব্য সরবরাহ করা সংবাদে পাওয়া যায়নি। নির্যাতনের বিস্তারিত বিবরণ পরিবার ও মামলার অভিযোগভিত্তিক।
সূত্র: জাগোনিউজ২৪.কম