২০৩৮ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ফ্রান্সকে বিড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দেশটির ক্রীড়া অবকাঠামো, স্টেডিয়াম সুবিধা এবং বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সক্ষমতা নিয়ে তৈরি এক প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়েছে।
ফ্রান্সের ক্রীড়া দৈনিক লেকিপের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেদনটি দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রী মারিনা ফেরারির কাছে জমা দেওয়া হবে। এতে আগামী বছরগুলোতে একাধিক বড় ফুটবল আসর আয়োজনের লক্ষ্য নির্ধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে ২০৩৩ সালে মেয়েদের ইউরো, ২০৩৬ সালে ছেলেদের ইউরো এবং ২০৩৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে পরিকল্পনা করার কথা বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক স্টেডিয়াম, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বড় ক্রীড়া আসর আয়োজনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ফ্রান্সকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে সামনে আনতে পারে।
২০৩৮ বিশ্বকাপের জন্য জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে বিড করার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। ফুটবল ঐতিহ্য, অবকাঠামো এবং ইউরোপের দুই শক্তিশালী দেশের অভিজ্ঞতা এমন যৌথ প্রস্তাবকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে বিশ্বকাপ আয়োজনের পথ সহজ হবে না। ফিফার মহাদেশভিত্তিক আয়োজন নীতি এবং ভবিষ্যতের আয়োজক নির্বাচনের নিয়ম এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ হবে তিন মহাদেশে। শতবর্ষী আসর উপলক্ষে উরুগুয়ের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে, স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো আয়োজক হিসেবে থাকবে। এরপর ২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে সৌদি আরব।
এই বাস্তবতায় ২০৩৮ সালের আসরের আয়োজক নির্বাচন নিয়ে এখনই নিশ্চিত কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ ২০৩০ সালে ইউরোপের একাধিক দেশ আয়োজক থাকায় আট বছরের ব্যবধানে আবারও ইউরোপে বিশ্বকাপ আয়োজনের অনুমতি দেবে কি না, তা ফিফার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।
এরপরও ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সময়মতো পরিকল্পনা শুরু করলে ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে ফ্রান্স।
এর আগে ফ্রান্স দুইবার ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে। দেশটি ১৯৩৮ এবং ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপের স্বাগতিক ছিল।














মন্তব্যসমূহ