বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখার ১০ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শোকজ পাওয়া সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অনুপস্থিতির কারণ লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর ও সদস্যসচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীকের নির্দেশে এ নোটিশ দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য ও সহদপ্তর সম্পাদক জহিরুল ইসলামের সই করা নোটিশে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।
আল বেরুনী হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম এবং আ ফ ম কামাল উদ্দিন হল শাখার সভাপতি ফাহাদুর জামান শোভন ও সাধারণ সম্পাদক রিফাত হোসেনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল শাখার সভাপতি হামিদুল্লাহ সালমান এবং শহীদ রফিক-জব্বার হল শাখার সভাপতি জাহিদ খান শোকজ পেয়েছেন।
নোটিশ পাওয়া অন্যরা হলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হল শাখার সভাপতি সাইফ বিন মাহাবুব ও সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ সিয়াম, শহীদ সালাম-বরকত হল শাখার সভাপতি সাইদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ হল শাখার সভাপতি ফিরোজ আহমেদ পাপন।
সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি হল শাখার ১০ জন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালন করা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট নেতারা কেন্দ্রীয় সংসদের নির্ধারিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁদের এই অনুপস্থিতিকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
এ কারণে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তরে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে নোটিশে উল্লেখ করা কেন্দ্রীয় কর্মসূচিটি কবে ও কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে বিষয়ে সরবরাহকৃত প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি। শোকজ পাওয়া নেতাদের জবাব বা এ বিষয়ে তাঁদের কোনো বক্তব্যও উল্লেখ নেই।
সূত্র : দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস।














মন্তব্যসমূহ