প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে হেরে এশিয়া কাপের মিশন শুরু হলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। ব্যাট হাতে আহসান আল মুমিন ও এসকে জারিফ সিয়ামের দায়িত্বশীল জোড়া ফিফটির পর বোলারদের দলগত নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কাকে ৪৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এ জয়ের ফলে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের দৌড়ে নিজেদের সম্ভাবনা শক্তভাবে টিকিয়ে রাখল টাইগার যুবারা।
শনিবার ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৪৯.৪ ওভারে ২৪৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের ইনিংসের মূল কাণ্ডারি ছিলেন আহসান আল মুমিন। তিনি ৯৮ বলে দুটি চার ও চারটি দৃষ্টিনন্দন ছক্কার মারে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮২ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। মিডল অর্ডারে তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন এসকে জারিফ সিয়াম; তিনি ৮৩ বল মোকাবিলা করে দায়িত্বশীল ৫৯ রান সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া লোয়ার মিডল অর্ডারে আব্দুল্লাহ আল মুহির ব্যাট থেকে আসে কার্যকর ৩০ রান। শ্রীলঙ্কার বোলারদের পক্ষে সেথমিকা সেনেরিরত্নে চারটি, গিমহান মেন্ডিস তিনটি এবং কউশিকা কুমারাসিংহে দুটি উইকেট শিকার করেন।
জয়ের জন্য ২৪৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশি পেসারদের তোপের মুখে পড়ে লঙ্কানরা। দলীয় ১৬ রানে ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়লেও একপ্রান্ত আগলে রেখে লঙ্কানদের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন সেনুজা ওয়েকুনাগদা। তিনি ৯৫ বল খেলে একাই লড়াই করে ৮৫ রানের ইনিংস খেলেন। তবে দলীয় সংগ্রহ যখন ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল, ঠিক তখনই ওয়েকুনাগদার গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশের বোলাররা।
ওয়েকুনাগদা ছাড়া শ্রীলঙ্কার আর কোনো ব্যাটার বিশ রানের কোটাও পার করতে পারেননি। ফলে ৪৬.১ ওভারে মাত্র ২০০ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার যুবাদের ইনিংস। বল হাতে বাংলাদেশের পক্ষে দুর্দান্ত দলগত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে দুটি করে উইকেট নেন রাফিউল আলম তামিম, শেখ আতিকুর রহমান, রুবাই ইসলাম রিজন ও রবিউল হাসান অনিক।














মন্তব্যসমূহ