আগামী বছর থেকেই ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ছয়টি বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইসরাফিল শাহীন।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের আগে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম চালুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী বছর থেকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে ছয়টি বিভাগ চালুর অনুমোদন পাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে অনুমোদন পাওয়া যাবে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের অবকাঠামো নির্মাণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও শহরে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে নির্ধারিত স্থানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হলে উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে এ অঞ্চলের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতির ঠাকুরগাঁও সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এর আগে রোববার দুপুরে দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁও পৌঁছান রাষ্ট্রপতি। পরে তাকে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী স্বাগত জানানো হয় এবং সার্কিট হাউসে অবস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।