ঢাকা    রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ৩০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সুদ ও যুদ্ধের উদ্বেগে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস

সুদ ও যুদ্ধের উদ্বেগে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন উত্তেজনা এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ব্যাপক বিক্রির চাপে বুধবার মার্কিন শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে।

দিন শেষে ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ১,১৫৩ দশমিক ১৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমে ৫১ হাজার ৫৯৪ দশমিক ১৪ পয়েন্টে নেমে আসে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং নাসডাক কম্পোজিট ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে।

এদিন ফেডারেল রিজার্ভ নীতিগত সুদের হার ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতে সুদ বাড়ানো হতে পারে, এমন আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়। ফেডের তিনজন নীতিনির্ধারক সুদ বাড়ানোর পক্ষে মত দেন।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ৭ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলারের ওপরে ওঠে। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এমন আশঙ্কায় বাজারের উদ্বেগ বেড়ে যায়।

প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের কোম্পানিগুলোর বিপুল বিনিয়োগ, প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল আর্থিক ফল এবং সেমিকন্ডাক্টর শেয়ারে বিক্রির চাপও বাজারের পতনকে তীব্র করে। ফলে ওয়াল স্ট্রিটের ১১টি প্রধান খাতের মধ্যে আটটি খাতই নিম্নমুখী ছিল।

সূত্র : রয়টার্স

ট্যাগ : ইরান যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন শেয়ারবাজার ওয়াল স্ট্রিট

বাংলা ভিউজ

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সুদ ও যুদ্ধের উদ্বেগে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন উত্তেজনা এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ব্যাপক বিক্রির চাপে বুধবার মার্কিন শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন হয়েছে।

দিন শেষে ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ১,১৫৩ দশমিক ১৮ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১৯ শতাংশ কমে ৫১ হাজার ৫৯৪ দশমিক ১৪ পয়েন্টে নেমে আসে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং নাসডাক কম্পোজিট ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে।

এদিন ফেডারেল রিজার্ভ নীতিগত সুদের হার ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে অপরিবর্তিত রাখে। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতে সুদ বাড়ানো হতে পারে, এমন আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়। ফেডের তিনজন নীতিনির্ধারক সুদ বাড়ানোর পক্ষে মত দেন।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বাড়ে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ৭ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৮ ডলারের ওপরে ওঠে। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, এমন আশঙ্কায় বাজারের উদ্বেগ বেড়ে যায়।

প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের কোম্পানিগুলোর বিপুল বিনিয়োগ, প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল আর্থিক ফল এবং সেমিকন্ডাক্টর শেয়ারে বিক্রির চাপও বাজারের পতনকে তীব্র করে। ফলে ওয়াল স্ট্রিটের ১১টি প্রধান খাতের মধ্যে আটটি খাতই নিম্নমুখী ছিল।

সূত্র : রয়টার্স


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ