এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে ইউক্রেনে আবারও বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। সোমবার ভোরে চালানো এ হামলায় রাজধানী কিয়েভে ১৪ জনসহ অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।
কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তৈমুর তকাচেনকো জানান, হামলায় রাজধানীতে অন্তত ৪৬ জন আহত হয়েছেন। এক ডজনের বেশি আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিয়েভের আশপাশের এলাকায় আরও ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর দাবি, রাতভর রাশিয়া ৬৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৫১টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। স্থানীয় সময় রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এরপর রাত ২টা ১০ মিনিট ও ৩টা ১৫ মিনিটে আরও কয়েক দফা হামলা হয়। বিমান হামলার সতর্কসংকেতের পর বিভিন্ন এলাকায় হাজারো মানুষ ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেন।
এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করেছিলেন, তুরস্কে অনুষ্ঠেয় ন্যাটো সম্মেলনের আগে রাশিয়া নতুন করে হামলা চালাতে পারে। সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠকের কথাও রয়েছে।
গত সপ্তাহের শেষদিকে কিয়েভে রাশিয়ার আরেক দফা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হন। চলতি বছরে রাজধানী কিয়েভে সেটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান মানুষের ধারণার চেয়েও কাছাকাছি। তবে যুদ্ধবিরতি আলোচনা কতটা এগিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি।
সূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্যসমূহ