ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি’, ইরান নিয়ে দাবি ট্রাম্পের

‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি’, ইরান নিয়ে দাবি ট্রাম্পের
ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষে আবারও যুক্তি তুলে ধরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, চলমান যুদ্ধের সূচনা যুক্তরাষ্ট্র করেনি। একই সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের চিলিকোথিতে নির্বাচনী প্রচারণায় এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে সেখানে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন তিনি।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের কারণে ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি।’

তাঁর দাবি, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সূচনা অনেক আগে। তাই বর্তমান সামরিক অভিযানের জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করা ঠিক নয়।

ট্রাম্প আরও বলেন, এই সংঘাতের সমাধান ‘আমি ক্ষমতায় আসার অনেক আগেই করা উচিত ছিল’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর বক্তব্যে ১৯৭৯ সালের ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ টেনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বিরোধের কথা তুলে ধরেন।

তবে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেই সময় ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

ফলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংঘাত এবং চলতি বছরের সরাসরি সামরিক অভিযান শুরুর ঘটনা দুটি আলাদা বিষয়।

ওহাইওর সমাবেশে ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতা নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

তিনি স্বীকার করেন, ইরানের হাতে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তবে আগের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ‘অনেক কম’ বলে দাবি করেন তিনি।

একই সঙ্গে ইরানের ড্রোন উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর সামরিক অভিযানের প্রভাব পড়েছে বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ড্রোন নির্মাতারা উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সমস্যায় পড়েছেন। কারণ, তারা ‘আর বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না’।

তবে ইরানের অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ড্রোন কারখানার সংখ্যা কিংবা উৎপাদন কতটা কমেছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান তুলে ধরেননি তিনি।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি।

ওই সময় ওমানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

এর আগের বছরও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চলার সময় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

এ কারণে চলমান যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে ২৮ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভিযানের ঘটনাপ্রবাহের পার্থক্য রয়েছে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

তবে নতুন করে হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

ওয়াশিংটনের সামরিক হুমকির মধ্যেই ইরানের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু করার কূটনৈতিক তৎপরতার খবরও সামনে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের প্রভাবশালী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ীকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

রেজায়ী ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব। এর আগে তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী কমান্ডার ছিলেন।

মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, চিঠির উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা যাচাই করা।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে এই যোগাযোগ করা হয়েছে।

তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা শুরুর নির্দেশ দেননি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভ্যান্সের যোগাযোগের উদ্দেশ্য ছিল ইরানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছানোর বিষয়ে আলোচনা করা।

অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভ্যান্স।

একদিকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার দাবি এবং নতুন হামলার সম্ভাবনা সামনে আনছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পথ খোঁজার খবর প্রকাশিত হচ্ছে।

তবে ভ্যান্সের চিঠির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকে ওই যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক জবাব এসেছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

ফলে এই যোগাযোগের ভিত্তিতে নতুন শান্তিচুক্তি বা যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিশ্চিত বলে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

সূত্র : আল জাজিরা

ট্যাগ : ইরান ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র জেডি ভ্যান্স

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি’, ইরান নিয়ে দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্তের পক্ষে আবারও যুক্তি তুলে ধরেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, চলমান যুদ্ধের সূচনা যুক্তরাষ্ট্র করেনি। একই সঙ্গে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং ড্রোন উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের চিলিকোথিতে নির্বাচনী প্রচারণায় এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে সেখানে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন তিনি।

আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের কারণে ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি।’

তাঁর দাবি, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের সূচনা অনেক আগে। তাই বর্তমান সামরিক অভিযানের জন্য ওয়াশিংটনকে দায়ী করা ঠিক নয়।

ট্রাম্প আরও বলেন, এই সংঘাতের সমাধান ‘আমি ক্ষমতায় আসার অনেক আগেই করা উচিত ছিল’।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাঁর বক্তব্যে ১৯৭৯ সালের ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ টেনে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বিরোধের কথা তুলে ধরেন।

তবে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। সেই সময় ওমানের মধ্যস্থতায় তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

ফলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংঘাত এবং চলতি বছরের সরাসরি সামরিক অভিযান শুরুর ঘটনা দুটি আলাদা বিষয়।

ওহাইওর সমাবেশে ইরানের বর্তমান সামরিক সক্ষমতা নিয়েও মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

তিনি স্বীকার করেন, ইরানের হাতে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তবে আগের তুলনায় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ‘অনেক কম’ বলে দাবি করেন তিনি।

একই সঙ্গে ইরানের ড্রোন উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর সামরিক অভিযানের প্রভাব পড়েছে বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ড্রোন নির্মাতারা উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সমস্যায় পড়েছেন। কারণ, তারা ‘আর বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না’।

তবে ইরানের অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা, ক্ষতিগ্রস্ত ড্রোন কারখানার সংখ্যা কিংবা উৎপাদন কতটা কমেছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান তুলে ধরেননি তিনি।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি।

ওই সময় ওমানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

এর আগের বছরও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চলার সময় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

এ কারণে চলমান যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে ২৮ ফেব্রুয়ারির সামরিক অভিযানের ঘটনাপ্রবাহের পার্থক্য রয়েছে।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

তবে নতুন করে হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

ওয়াশিংটনের সামরিক হুমকির মধ্যেই ইরানের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু করার কূটনৈতিক তৎপরতার খবরও সামনে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের প্রভাবশালী নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজায়ীকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।

রেজায়ী ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব। এর আগে তিনি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী কমান্ডার ছিলেন।

মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, চিঠির উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা যাচাই করা।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে এই যোগাযোগ করা হয়েছে।

তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি আনুষ্ঠানিক শান্তি আলোচনা শুরুর নির্দেশ দেননি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভ্যান্সের যোগাযোগের উদ্দেশ্য ছিল ইরানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছানোর বিষয়ে আলোচনা করা।

অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রকাশিত পৃথক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ভ্যান্স।

একদিকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার দাবি এবং নতুন হামলার সম্ভাবনা সামনে আনছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পথ খোঁজার খবর প্রকাশিত হচ্ছে।

তবে ভ্যান্সের চিঠির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের পক্ষ থেকে ওই যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক জবাব এসেছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।

ফলে এই যোগাযোগের ভিত্তিতে নতুন শান্তিচুক্তি বা যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিশ্চিত বলে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

সূত্র : আল জাজিরা


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ