ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

দুর্ব্যবহার ও পক্ষপাতিত্ব নয়, মানবিক পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুর্ব্যবহার ও পক্ষপাতিত্ব নয়, মানবিক পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দুর্ব্যবহার, পক্ষপাতিত্ব কিংবা পেশিশক্তির ব্যবহার পরিহার করে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরপরাধ মানুষের অধিকার রক্ষাকে পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে মোট ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৮৪ জন শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ১৬২ জন ক্যাডেট এসআই।

নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্র পুলিশকে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা দিয়েছে। তবে সেই ক্ষমতা ব্যবহারের সময় সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে।

তদন্ত ও আইন প্রয়োগের প্রতিটি পর্যায়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানি বা অধিকারবঞ্চনার শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

পুলিশের ক্ষমতা জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য ব্যবহার করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া নয়; বরং এমন পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার ঝুঁকি কমে আসে এবং মানুষ নিরাপদে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।’

তাঁর মতে, মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করা এবং পুলিশের প্রতি আস্থা বাড়ানোও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

এ জন্য দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, নিরপেক্ষতা, দক্ষতা ও মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত অপরাধ পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, প্রচলিত অপরাধের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, আর্থিক জালিয়াতি, মাদকসংক্রান্ত অপরাধ, মানব পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

এসব অপরাধ মোকাবিলায় শুধু প্রচলিত অভিজ্ঞতা যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, তথ্য বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক তদন্ত, অপরাধের ধরন সম্পর্কে হালনাগাদ জ্ঞান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের কথাও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানান, অপরাধ তদন্তে ফরেনসিক ও ডিজিটাল ফরেনসিক প্রযুক্তি এবং ডিএনএ পরীক্ষাগারের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

পাশাপাশি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, বিট পুলিশিং, নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সেবা ডেস্ক এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন তিনি।

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশি সেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের ৮৪ জন এবং ৪৩তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচের ১৬২ জন প্রশিক্ষণার্থী কুচকাওয়াজে অংশ নেন।

এএসপি প্রবেশনার মো. মাহবুব হোসেন প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।

কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তিনি।

পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষানবিশ সার্জেন্টরা নিজ নিজ ইউনিটে যোগ দেবেন।

অন্যদিকে ক্যাডেট এসআই ব্যাচের সদস্যরা শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) হিসেবে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে পদায়িত হবেন।

২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচে সেরা সার্জেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মো. ওমর ফারুক।

একাডেমিক কার্যক্রমে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন। মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে সাইফুল ইসলাম এবং শুটিংয়ে মো. আসাদুজ্জামান পুরস্কার পেয়েছেন।

৪৩তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচে সেরা ক্যাডেট নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

এই ব্যাচে একাডেমিক কার্যক্রমে মো. বোরহানুল ইসলাম, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে দেওয়ান গোলাম রসুল এবং শুটিংয়ে মো. কামাল গনি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদার প্রিন্সিপাল ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান।

এ ছাড়া বিভিন্ন পদমর্যাদার সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করতে হবে।

ট্যাগ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ পুলিশ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


দুর্ব্যবহার ও পক্ষপাতিত্ব নয়, মানবিক পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে দুর্ব্যবহার, পক্ষপাতিত্ব কিংবা পেশিশক্তির ব্যবহার পরিহার করে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরপরাধ মানুষের অধিকার রক্ষাকে পুলিশের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে মোট ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৮৪ জন শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট এবং ১৬২ জন ক্যাডেট এসআই।

নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্র পুলিশকে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা দিয়েছে। তবে সেই ক্ষমতা ব্যবহারের সময় সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে।

তদন্ত ও আইন প্রয়োগের প্রতিটি পর্যায়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানি বা অধিকারবঞ্চনার শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

পুলিশের ক্ষমতা জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার জন্য ব্যবহার করতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া নয়; বরং এমন পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার ঝুঁকি কমে আসে এবং মানুষ নিরাপদে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।’

তাঁর মতে, মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করা এবং পুলিশের প্রতি আস্থা বাড়ানোও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

এ জন্য দায়িত্ব পালনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, নিরপেক্ষতা, দক্ষতা ও মানবিক আচরণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত অপরাধ পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, প্রচলিত অপরাধের পাশাপাশি সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, আর্থিক জালিয়াতি, মাদকসংক্রান্ত অপরাধ, মানব পাচার এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

এসব অপরাধ মোকাবিলায় শুধু প্রচলিত অভিজ্ঞতা যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, তথ্য বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক তদন্ত, অপরাধের ধরন সম্পর্কে হালনাগাদ জ্ঞান এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশ বাহিনীকে আধুনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রমের কথাও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানান, অপরাধ তদন্তে ফরেনসিক ও ডিজিটাল ফরেনসিক প্রযুক্তি এবং ডিএনএ পরীক্ষাগারের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

পাশাপাশি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, বিট পুলিশিং, নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সেবা ডেস্ক এবং জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর কার্যক্রমের কথা তুলে ধরেন তিনি।

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশি সেবা আরও সহজে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের ৮৪ জন এবং ৪৩তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচের ১৬২ জন প্রশিক্ষণার্থী কুচকাওয়াজে অংশ নেন।

এএসপি প্রবেশনার মো. মাহবুব হোসেন প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।

কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে প্রশিক্ষণে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সদস্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তিনি।

পুলিশ একাডেমি সূত্রে জানা গেছে, ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষানবিশ সার্জেন্টরা নিজ নিজ ইউনিটে যোগ দেবেন।

অন্যদিকে ক্যাডেট এসআই ব্যাচের সদস্যরা শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) হিসেবে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে পদায়িত হবেন।

২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচে সেরা সার্জেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন মো. ওমর ফারুক।

একাডেমিক কার্যক্রমে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন। মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে সাইফুল ইসলাম এবং শুটিংয়ে মো. আসাদুজ্জামান পুরস্কার পেয়েছেন।

৪৩তম ক্যাডেট এসআই ব্যাচে সেরা ক্যাডেট নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

এই ব্যাচে একাডেমিক কার্যক্রমে মো. বোরহানুল ইসলাম, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে দেওয়ান গোলাম রসুল এবং শুটিংয়ে মো. কামাল গনি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদার প্রিন্সিপাল ও অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান।

এ ছাড়া বিভিন্ন পদমর্যাদার সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করতে হবে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ