ঢাকা    শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

খালেদা জিয়ার মতো আমিও বিনাবিচারে কারাবরণ করেছি: মেঘনা আলম

খালেদা জিয়ার মতো আমিও বিনাবিচারে কারাবরণ করেছি: মেঘনা আলম
ছবি : সংগৃহীত
ফলো করুন

ব্যক্তিগত জেলজীবন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অতীত কারাবাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপহাস ও কটূক্তি না করার আহ্বান জানিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলম। একই সঙ্গে সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর পরিচয়, বাগদান এবং জুলাই-পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকের নেপথ্য ভূমিকা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বক্তব্য তুলে ধরেছেন তিনি।

এক ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম স্পষ্ট করেন, বেগম খালেদা জিয়া যখন কারাগারে ছিলেন, তখন সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর কোনো পরিচয়ই ছিল না। কারামুক্তির অনেক পরে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও বাগদান সম্পন্ন হয়। তবে গত জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আন্তর্জাতিক কূটনীতির প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ আয়োজনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে দাবি করেন।

মেঘনা আলম জানান, ওই সময় সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত ধারণা করেছিলেন যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হয়তো অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তায় সরকার গঠন করতে পারে। কিন্তু তিনি নিজে রাষ্ট্রদূতকে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি বিএনপির গুরুত্ব ও অবস্থান তুলে ধরে দলটির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরামর্শ দেন। এমনকি এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাতের আগেই অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের মতো খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার জন্য তিনি রাষ্ট্রদূতকে উৎসাহিত করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।

নিজের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “একজন মহান নেত্রী বিনা অপরাধে কারাবরণ করেছিলেন। আমিও বিনা বিচারে কারাবরণের স্বাদ নিয়েছি। সেই ইতিহাস নিয়ে দয়া করে কেউ হাসাহাসি ও নোংরামি করবেন না।”

পোস্টে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে মেঘনা আলম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিজ দেশের নাগরিকদের অসম্মান করা এবং অনলাইনে নোংরা আচরণের কারণেই বিদেশে বাংলাদেশিদের সামগ্রিক ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর দাবি, এ ধরনের অপসংস্কৃতি ও স্বভাবের কারণেই সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক বিধিনিষেধ ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নামে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো ব্যক্তিদের অবিলম্বে তা মুছে ফেলার আহ্বান জানান এবং বিশ্বের দরবারে মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে একটি আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগ : মেঘনা আলম

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬


খালেদা জিয়ার মতো আমিও বিনাবিচারে কারাবরণ করেছি: মেঘনা আলম

প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ব্যক্তিগত জেলজীবন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অতীত কারাবাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপহাস ও কটূক্তি না করার আহ্বান জানিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী মেঘনা আলম। একই সঙ্গে সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর পরিচয়, বাগদান এবং জুলাই-পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকের নেপথ্য ভূমিকা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বক্তব্য তুলে ধরেছেন তিনি।

এক ফেসবুক পোস্টে মেঘনা আলম স্পষ্ট করেন, বেগম খালেদা জিয়া যখন কারাগারে ছিলেন, তখন সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর কোনো পরিচয়ই ছিল না। কারামুক্তির অনেক পরে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও বাগদান সম্পন্ন হয়। তবে গত জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আন্তর্জাতিক কূটনীতির প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ আয়োজনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে দাবি করেন।

মেঘনা আলম জানান, ওই সময় সাবেক সৌদি রাষ্ট্রদূত ধারণা করেছিলেন যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হয়তো অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সহায়তায় সরকার গঠন করতে পারে। কিন্তু তিনি নিজে রাষ্ট্রদূতকে দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি বিএনপির গুরুত্ব ও অবস্থান তুলে ধরে দলটির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের পরামর্শ দেন। এমনকি এনসিপির শীর্ষ নেতা নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাতের আগেই অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের মতো খালেদা জিয়ার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার জন্য তিনি রাষ্ট্রদূতকে উৎসাহিত করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন।

নিজের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “একজন মহান নেত্রী বিনা অপরাধে কারাবরণ করেছিলেন। আমিও বিনা বিচারে কারাবরণের স্বাদ নিয়েছি। সেই ইতিহাস নিয়ে দয়া করে কেউ হাসাহাসি ও নোংরামি করবেন না।”

পোস্টে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে মেঘনা আলম ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নিজ দেশের নাগরিকদের অসম্মান করা এবং অনলাইনে নোংরা আচরণের কারণেই বিদেশে বাংলাদেশিদের সামগ্রিক ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর দাবি, এ ধরনের অপসংস্কৃতি ও স্বভাবের কারণেই সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক বিধিনিষেধ ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর নামে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর ভুয়া ফটোকার্ড ছড়ানো ব্যক্তিদের অবিলম্বে তা মুছে ফেলার আহ্বান জানান এবং বিশ্বের দরবারে মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে একটি আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ