ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর আরও একটি দুঃসংবাদ পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং শেষ করতে না পারায় বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
সোমবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং কোটা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। সময়ের হিসাব অনুযায়ী এক ওভার পিছিয়ে থাকায় দলটির বিরুদ্ধে স্লো ওভার রেটের অভিযোগ আনা হয়।
আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিংয়ের কোটা শেষ করতে ব্যর্থ হলে প্রতি ওভারের জন্য সংশ্লিষ্ট দলের খেলোয়াড়দের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করার বিধান রয়েছে।
বাংলাদেশ এক ওভার পিছিয়ে থাকায় সেই নিয়ম অনুযায়ী ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় অভিযোগ স্বীকার করে শাস্তি মেনে নিয়েছেন। ফলে এ ঘটনায় আলাদা করে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্লো ওভার রেটের অভিযোগ উত্থাপন করেন মাঠের দুই আম্পায়ার আলাহউদ্দিন পালেকার ও ইজাতুল্লাহ সাফি।
এ ছাড়া তৃতীয় আম্পায়ার আহসান রাজা এবং চতুর্থ আম্পায়ার আহমেদ শাহ দুরানিও অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পরে ম্যাচ রেফারি ডেভিড গিলবার্ট বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নির্ধারিত শাস্তি ঘোষণা করেন।
এর আগে ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয় বাংলাদেশ।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭১ রান সংগ্রহ করে দলটি।
জয়ের জন্য ২৭২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। তবে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দলটি।
শেষ পর্যন্ত ৩৩ দশমিক ৪ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ফলে ৯৯ রানের জয় পায় জিম্বাবুয়ে।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে বড় পরাজয়ের পাশাপাশি স্লো ওভার রেটের কারণে আইসিসির আর্থিক শাস্তির মুখেও পড়তে হলো বাংলাদেশ দলকে।
মন্তব্যসমূহ