ঢাকা    বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

সুন্দরবন ঘেঁষা ২৪ রিসোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

সুন্দরবন ঘেঁষা ২৪ রিসোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

সুন্দরবনসংলগ্ন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় গড়ে ওঠা ২৪টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় রিসোর্ট পরিচালনার অনুমতি না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বন্ধের নির্দেশ পাওয়া রিসোর্টগুলোর মধ্যে খুলনায় রয়েছে ১৮টি, সাতক্ষীরায় চারটি এবং বাগেরহাটে দুটি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক খোন্দকার মো. ফজলুল হক জানান, পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় রিসোর্ট পরিচালনার সুযোগ নেই। আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবনের আশপাশে পর্যটন অবকাঠামোর বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে পরিবেশ ও বন বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, রিসোর্টের সংখ্যা ও পর্যটকের আনাগোনা বাড়ার ফলে সুন্দরবনের সংবেদনশীল প্রতিবেশব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। অতিরিক্ত শব্দ ও আলো, অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন এবং যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব বন্যপ্রাণীর ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরীর মতে, সেন্টমার্টিনের তুলনায় সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান আরও স্পর্শকাতর ও জটিল। বনসংলগ্ন এলাকায় একের পর এক রিসোর্ট নির্মাণের পাশাপাশি পর্যটকদের অতিরিক্ত উপস্থিতি ও শব্দ বনের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বন্যপ্রাণী ওই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

রিসোর্ট ও পর্যটকদের ফেলে যাওয়া বর্জ্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন খালের মাধ্যমে এসব বর্জ্য সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করে পরিবেশের ক্ষতি করছে।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদও মনে করেন, রিসোর্টগুলোর কারণে বনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। অনেক পর্যটক অনুমতি ছাড়াই বনে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত আলো, শব্দ ও ফেলে যাওয়া বর্জ্য বন্যপ্রাণীর জন্য ক্ষতিকর।

তবে এসব রিসোর্ট সুন্দরবনের সীমানার বাইরে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে নির্মিত হওয়ায় সেগুলোর ওপর বন বিভাগের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ সীমিত বলে জানান তিনি। এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন ইমরান আহমেদ।

অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ‘রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন’। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া হোসাইন শাওনের দাবি, রিসোর্টগুলো সুন্দরবনের ভেতরে নয়, বরং বনের বাইরে সংলগ্ন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে।

তার ভাষ্য, এসব রিসোর্টে থাকা পর্যটকেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন না। তারা স্থানীয় জনপদে থেকে সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানেন এবং দূর থেকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেন। স্থানীয় বসতি ও জনপদকে কেন্দ্র করে কমিউনিটি ট্যুরিজম গড়ে উঠেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জাকারিয়া হোসাইন শাওনের মতে, এসব উদ্যোগকে সুন্দরবনের পরিবেশ ধ্বংসের কারণ হিসেবে তুলে ধরা একপাক্ষিক ও বাস্তবতাবিবর্জিত। এ খাত পরিচালনায় সুস্পষ্ট, সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত সরকারি নীতিমালা তৈরির দাবিও তারা জানিয়ে আসছেন।

সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির মনে করেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসার প্রসার প্রয়োজন হলেও তা অবশ্যই বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করতে হবে। রিসোর্ট নির্মাণের আগে ও পরে সুন্দরবনের ওপর এর প্রভাব নিরূপণ এবং সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে নীতিমালা তৈরি ও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ওয়াসিউল ইসলাম রিসোর্টগুলোর নেতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি কিছু ইতিবাচক দিকও দেখছেন। তার মতে, এসব উদ্যোগ বনজীবীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের সঙ্গে স্থানীয় গ্রামের অর্থনীতিও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

সুন্দরবন ঘেঁষা এলাকায় বাণিজ্যিক রিসোর্ট নির্মাণের শুরু ২০০৯ সালে। ওই বছর সাতক্ষীরার মুন্সীগঞ্জে ‘টাইগার পয়েন্ট’ নামে একটি রিসোর্ট নির্মাণ করে এনজিও সুশীলন। বনজীবী, বিদেশি দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, গবেষক ও সরকারি কর্মকর্তাদের থাকার ব্যবস্থা করতেই সেটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় আরও বাণিজ্যিক রিসোর্ট গড়ে ওঠে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনার পর সুন্দরবনের প্রতিবেশ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যটন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে ভারসাম্য তৈরিতে কার্যকর নীতিমালার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

ট্যাগ : খুলনা সুন্দরবন পরিবেশ অধিদপ্তর রিসোর্ট

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


সুন্দরবন ঘেঁষা ২৪ রিসোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সুন্দরবনসংলগ্ন খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় গড়ে ওঠা ২৪টি রিসোর্টের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় রিসোর্ট পরিচালনার অনুমতি না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বন্ধের নির্দেশ পাওয়া রিসোর্টগুলোর মধ্যে খুলনায় রয়েছে ১৮টি, সাতক্ষীরায় চারটি এবং বাগেরহাটে দুটি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক খোন্দকার মো. ফজলুল হক জানান, পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় রিসোর্ট পরিচালনার সুযোগ নেই। আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে আগে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সুন্দরবনের আশপাশে পর্যটন অবকাঠামোর বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে পরিবেশ ও বন বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, রিসোর্টের সংখ্যা ও পর্যটকের আনাগোনা বাড়ার ফলে সুন্দরবনের সংবেদনশীল প্রতিবেশব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। অতিরিক্ত শব্দ ও আলো, অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন এবং যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব বন্যপ্রাণীর ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরীর মতে, সেন্টমার্টিনের তুলনায় সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান আরও স্পর্শকাতর ও জটিল। বনসংলগ্ন এলাকায় একের পর এক রিসোর্ট নির্মাণের পাশাপাশি পর্যটকদের অতিরিক্ত উপস্থিতি ও শব্দ বনের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বন্যপ্রাণী ওই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

রিসোর্ট ও পর্যটকদের ফেলে যাওয়া বর্জ্য নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন আবদুল্লাহ হারুন চৌধুরী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন খালের মাধ্যমে এসব বর্জ্য সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করে পরিবেশের ক্ষতি করছে।

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদও মনে করেন, রিসোর্টগুলোর কারণে বনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। অনেক পর্যটক অনুমতি ছাড়াই বনে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত আলো, শব্দ ও ফেলে যাওয়া বর্জ্য বন্যপ্রাণীর জন্য ক্ষতিকর।

তবে এসব রিসোর্ট সুন্দরবনের সীমানার বাইরে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে নির্মিত হওয়ায় সেগুলোর ওপর বন বিভাগের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ সীমিত বলে জানান তিনি। এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন ইমরান আহমেদ।

অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে ‘রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবন’। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া হোসাইন শাওনের দাবি, রিসোর্টগুলো সুন্দরবনের ভেতরে নয়, বরং বনের বাইরে সংলগ্ন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে।

তার ভাষ্য, এসব রিসোর্টে থাকা পর্যটকেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করেন না। তারা স্থানীয় জনপদে থেকে সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানেন এবং দূর থেকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করেন। স্থানীয় বসতি ও জনপদকে কেন্দ্র করে কমিউনিটি ট্যুরিজম গড়ে উঠেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জাকারিয়া হোসাইন শাওনের মতে, এসব উদ্যোগকে সুন্দরবনের পরিবেশ ধ্বংসের কারণ হিসেবে তুলে ধরা একপাক্ষিক ও বাস্তবতাবিবর্জিত। এ খাত পরিচালনায় সুস্পষ্ট, সমন্বিত ও বাস্তবসম্মত সরকারি নীতিমালা তৈরির দাবিও তারা জানিয়ে আসছেন।

সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির মনে করেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন ব্যবসার প্রসার প্রয়োজন হলেও তা অবশ্যই বন ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করতে হবে। রিসোর্ট নির্মাণের আগে ও পরে সুন্দরবনের ওপর এর প্রভাব নিরূপণ এবং সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে নীতিমালা তৈরি ও কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ওয়াসিউল ইসলাম রিসোর্টগুলোর নেতিবাচক প্রভাবের পাশাপাশি কিছু ইতিবাচক দিকও দেখছেন। তার মতে, এসব উদ্যোগ বনজীবীদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের সঙ্গে স্থানীয় গ্রামের অর্থনীতিও সম্প্রসারিত হচ্ছে।

সুন্দরবন ঘেঁষা এলাকায় বাণিজ্যিক রিসোর্ট নির্মাণের শুরু ২০০৯ সালে। ওই বছর সাতক্ষীরার মুন্সীগঞ্জে ‘টাইগার পয়েন্ট’ নামে একটি রিসোর্ট নির্মাণ করে এনজিও সুশীলন। বনজীবী, বিদেশি দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, গবেষক ও সরকারি কর্মকর্তাদের থাকার ব্যবস্থা করতেই সেটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় আরও বাণিজ্যিক রিসোর্ট গড়ে ওঠে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনার পর সুন্দরবনের প্রতিবেশ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যটন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে ভারসাম্য তৈরিতে কার্যকর নীতিমালার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ