ঢাকা    বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে একনেকে প্রকল্প

রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে একনেকে প্রকল্প
সংগৃহীত ছবি
ফলো করুন

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক (MWp) ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অধীনে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য তোলা হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ের ১৩টি প্রকল্প প্রস্তাবের অংশ হিসেবে এটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বিপিডিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা সংস্থানের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের অন্যতম ইতিবাচক দিক হলো এর জন্য নতুন করে কোনো জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। ২০১২ সালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য অধিগ্রহণ করা ১ হাজার ৮৩৪ একর জমির যে অংশে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের পর অবশিষ্ট জমি (ব্লক-বি) রয়েছে, সেখানেই এই সৌর পার্ক গড়ে তোলা হবে। ওই এলাকার ভূমি উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ন্যূনতম ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর প্যানেল, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-টাইড ইনভার্টার এবং একটি পুলিং সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্য ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং উপকেন্দ্রে দুটি ২৩০ কেভি বে নির্মাণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ ও কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।

একই একনেক সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রস্তাবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের তালিকায় তোলা হয়েছে।

ট্যাগ : একনেক সভা রামপাল সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে একনেকে প্রকল্প

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট পিক (MWp) ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) অধীনে ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য তোলা হয়। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মোট ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ের ১৩টি প্রকল্প প্রস্তাবের অংশ হিসেবে এটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে বিপিডিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৭৪ কোটি টাকা এবং বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২ হাজার ১২৩ কোটি টাকা সংস্থানের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের অন্যতম ইতিবাচক দিক হলো এর জন্য নতুন করে কোনো জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না। ২০১২ সালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য অধিগ্রহণ করা ১ হাজার ৮৩৪ একর জমির যে অংশে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের পর অবশিষ্ট জমি (ব্লক-বি) রয়েছে, সেখানেই এই সৌর পার্ক গড়ে তোলা হবে। ওই এলাকার ভূমি উন্নয়ন ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় ন্যূনতম ৬৪০ ওয়াট পিক ক্ষমতার সৌর প্যানেল, ৩৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্রিড-টাইড ইনভার্টার এবং একটি পুলিং সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালনের জন্য ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল সার্কিট ২৩০ কেভি সঞ্চালন লাইন এবং উপকেন্দ্রে দুটি ২৩০ কেভি বে নির্মাণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর চাপ ও কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।

একই একনেক সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে ২ হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহের প্রস্তাবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের তালিকায় তোলা হয়েছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ