হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক মানবহীন আন্ডারওয়াটার ড্রোন আটকের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘রেমাস ৬০০’ মডেলের ড্রোনটি ওই এলাকায় নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করছিল।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আইআরজিসি নৌবাহিনীর বরাতে ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
আইআরজিসির দাবি, গোয়েন্দা নজরদারি ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধকৌশলের সমন্বয়ে পরিচালিত একটি অভিযানের মাধ্যমে মানবহীন ডুবোযানটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।
ইরানি বাহিনী জানিয়েছে, ড্রোনটি বর্তমানে তাদের বিশেষজ্ঞদের কাছে রয়েছে। এর ভেতরে সংরক্ষিত তথ্য ও প্রযুক্তিগত উপাত্ত উদ্ধারের কাজ চলছে।
‘রেমাস ৬০০’ একটি স্বয়ংক্রিয় মানবহীন ডুবোযান বা অটোনোমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিকল (এএইউভি)। এ ধরনের ডুবোযান পানির নিচে বিভিন্ন ধরনের নজরদারি, তথ্য সংগ্রহসহ একাধিক কাজে ব্যবহার করা যায়।
আইআরজিসি দাবি করেছে, আটক ড্রোনটি হরমুজ প্রণালিতে গোয়েন্দা কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তবে ড্রোনটির মিশনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ইরানের দাবি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
এর আগে চলতি সেপ্টেম্বরেও হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি মানবহীন ডুবোযান আটকের দাবি করেছিল ইরান। ওই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, ডুবোযানটিতে আগে থেকেই কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছিল।
হরমুজ প্রণালি ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচলও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
এদিকে রেমাস ৬০০ আটকের সর্বশেষ দাবি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স
মন্তব্যসমূহ