মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আলজাজিরার বরাতে সরবরাহ করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অঞ্চলটিতে দেশ দুটির উপস্থিতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান জানিয়েছে বাহিনীটি।
এদিকে জাতিসংঘে মার্কিন দূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে তেহরান আন্তরিক হলে আলোচনায় ফেরার সুযোগ এখনো রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
চলমান সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের বিধিনিষেধের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদি। তাঁর দাবি, ইরাকি তেলবাহী ট্যাংকারগুলোকে প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেয়নি ইরান। যুদ্ধ শুরুর পর ইরাক প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব হারিয়েছে এবং মাসিক রপ্তানি আয় প্রায় ৬০ শতাংশ কমেছে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বুধবার থেকে বিশ্বজুড়ে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর বিপরীতে ইরান এয়ার জানিয়েছে, তেহরান, মাশহাদ ও ইসফাহান থেকে ইরাকের নাজাফে তাদের ফ্লাইট চলবে। তবে ফ্লাইট চালানোর ঘোষণা এবং বাস্তবে পরিষেবা অব্যাহত থাকা আলাদা বিষয়; নিষেধাজ্ঞার কার্যকর প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়।
সূত্র: আল-জাজিরা