ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি

৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য বড় পরিসরে বাইক আমদানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন আমদানিনীতি আদেশে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ তৈরি বা সিবিইউ (CBU) অবস্থায় সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত নতুন আমদানিনীতি আদেশের গেজেট প্রকাশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে ২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ তৈরি মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে ইঞ্জিনক্ষমতা ১৬৫ সিসির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। নতুন নীতিতে সেই সীমা বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসি করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির সুযোগ বাড়বে। এতদিন ১৬৫ সিসির সীমার কারণে যেসব বিদেশি মডেল সরাসরি বাজারে আনা সম্ভব ছিল না, সেগুলো এখন আমদানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এর ফলে দেশের বাজারে মোটরসাইকেলের মডেল ও ব্র্যান্ডের বৈচিত্র্য বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ক্রেতাদের সামনে বাড়তে পারে পছন্দের পরিসর।

তবে বিদেশি ব্র্যান্ডের বাইক আমদানির সুযোগ বাড়ায় স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রতিযোগিতার চাপও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন আমদানিনীতি আদেশে মোটরসাইকেল আমদানির পাশাপাশি সামগ্রিক আমদানি ব্যবস্থায়ও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আওতায় ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি নির্দিষ্ট মূল্যসীমার বাধা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য।

এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস স্থাপনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প খাতে বিনিয়োগে আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানির সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।

আগের আমদানিনীতি আদেশেও এলসি ছাড়া চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ ছিল। তবে বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে সেখানে নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত ছিল। নতুন নীতিতে এসব সুবিধার পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন নীতির ফলে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে প্রতিযোগিতা বাড়ায় স্থানীয় উৎপাদকদেরও পণ্যের মান ও বাজার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সব মিলিয়ে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেশের মোটরসাইকেল বাজারে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি

প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য বড় পরিসরে বাইক আমদানির সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন আমদানিনীতি আদেশে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ তৈরি বা সিবিইউ (CBU) অবস্থায় সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি ইঞ্জিনক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এ সংক্রান্ত নতুন আমদানিনীতি আদেশের গেজেট প্রকাশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

এর আগে ২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ তৈরি মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে ইঞ্জিনক্ষমতা ১৬৫ সিসির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। নতুন নীতিতে সেই সীমা বাড়িয়ে ৩৭৫ সিসি করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির সুযোগ বাড়বে। এতদিন ১৬৫ সিসির সীমার কারণে যেসব বিদেশি মডেল সরাসরি বাজারে আনা সম্ভব ছিল না, সেগুলো এখন আমদানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এর ফলে দেশের বাজারে মোটরসাইকেলের মডেল ও ব্র্যান্ডের বৈচিত্র্য বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ক্রেতাদের সামনে বাড়তে পারে পছন্দের পরিসর।

তবে বিদেশি ব্র্যান্ডের বাইক আমদানির সুযোগ বাড়ায় স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর প্রতিযোগিতার চাপও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন আমদানিনীতি আদেশে মোটরসাইকেল আমদানির পাশাপাশি সামগ্রিক আমদানি ব্যবস্থায়ও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আওতায় ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি নির্দিষ্ট মূল্যসীমার বাধা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য।

এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস স্থাপনের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প খাতে বিনিয়োগে আমদানি সুবিধা এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানির সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।

আগের আমদানিনীতি আদেশেও এলসি ছাড়া চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ ছিল। তবে বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে সেখানে নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত ছিল। নতুন নীতিতে এসব সুবিধার পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন নীতির ফলে একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে প্রতিযোগিতা বাড়ায় স্থানীয় উৎপাদকদেরও পণ্যের মান ও বাজার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। সব মিলিয়ে ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেশের মোটরসাইকেল বাজারে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ