ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বুয়েটের দুই শিক্ষার্থীর তৈরি ৩২-বিট প্রসেসর ‘প্রগতি ভি১’

বুয়েটের দুই শিক্ষার্থীর তৈরি ৩২-বিট প্রসেসর ‘প্রগতি ভি১’
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

ব্যয়বহুল বাণিজ্যিক সফটওয়্যার ও লাইসেন্সের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৩২-বিট প্রসেসর ডিজাইন করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী।

‘প্রগতি ভি১’ নামের প্রসেসরটি তৈরি করেছেন বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী খালিদ হোসাইন ও শেখ তারিফুল ইসলাম। অধ্যাপক এ বি এম হারুন-উর-রশিদের নেতৃত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেড।

প্রসেসরটি তৈরিতে ওপেন-স্ট্যান্ডার্ড RISC-V ইনস্ট্রাকশন সেট আর্কিটেকচার এবং ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক ডিজাইন অটোমেশন বা EDA টুল ব্যবহার করা হয়েছে। চিপটির নকশায় জার্মানির IHP প্রতিষ্ঠানের SG13G2 ১৩০ ন্যানোমিটার ওপেন-সোর্স প্রসেস ডিজাইন কিট ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটারে নকশা সম্পন্ন হওয়ার পর জার্মানির IHP–Leibniz Institute for High Performance Microelectronics-এর ওপেন-সোর্স ফ্যাব্রিকেশন কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে চিপটির বাস্তব সিলিকন সংস্করণ তৈরি করা হয়। তৈরি চিপটি ইতোমধ্যে বুয়েটের হাতে পৌঁছেছে।

সিস্টেম-অন-চিপ বা SoC হিসেবে তৈরি ‘প্রগতি ভি১’ স্মার্ট এয়ার কন্ডিশনার, স্মার্ট রেফ্রিজারেটর এবং বিভিন্ন ইন্টারনেট অব থিংস ও এমবেডেড যন্ত্রে ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে নকশা থেকে বাস্তব সিলিকন চিপ তৈরির এই অর্জন বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর গবেষণা ও দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে ব্যয়বহুল বিদেশি সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরতা ছাড়াই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চিপ ডিজাইন শেখা ও গবেষণার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

প্রগতি ভি১-এর সফল টেপ-আউট এবং ফ্যাব্রিকেশন বাংলাদেশের নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সক্ষমতা গড়ে তোলার পথে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগ : প্রযুক্তি বুয়েট

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬


বুয়েটের দুই শিক্ষার্থীর তৈরি ৩২-বিট প্রসেসর ‘প্রগতি ভি১’

প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ব্যয়বহুল বাণিজ্যিক সফটওয়্যার ও লাইসেন্সের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৩২-বিট প্রসেসর ডিজাইন করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী।

‘প্রগতি ভি১’ নামের প্রসেসরটি তৈরি করেছেন বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী খালিদ হোসাইন ও শেখ তারিফুল ইসলাম। অধ্যাপক এ বি এম হারুন-উর-রশিদের নেতৃত্বে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে কারিগরি সহায়তা দিয়েছে নিউরাল সেমিকন্ডাক্টর লিমিটেড।

প্রসেসরটি তৈরিতে ওপেন-স্ট্যান্ডার্ড RISC-V ইনস্ট্রাকশন সেট আর্কিটেকচার এবং ওপেন-সোর্স ইলেকট্রনিক ডিজাইন অটোমেশন বা EDA টুল ব্যবহার করা হয়েছে। চিপটির নকশায় জার্মানির IHP প্রতিষ্ঠানের SG13G2 ১৩০ ন্যানোমিটার ওপেন-সোর্স প্রসেস ডিজাইন কিট ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটারে নকশা সম্পন্ন হওয়ার পর জার্মানির IHP–Leibniz Institute for High Performance Microelectronics-এর ওপেন-সোর্স ফ্যাব্রিকেশন কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে চিপটির বাস্তব সিলিকন সংস্করণ তৈরি করা হয়। তৈরি চিপটি ইতোমধ্যে বুয়েটের হাতে পৌঁছেছে।

সিস্টেম-অন-চিপ বা SoC হিসেবে তৈরি ‘প্রগতি ভি১’ স্মার্ট এয়ার কন্ডিশনার, স্মার্ট রেফ্রিজারেটর এবং বিভিন্ন ইন্টারনেট অব থিংস ও এমবেডেড যন্ত্রে ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ওপেন-সোর্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে নকশা থেকে বাস্তব সিলিকন চিপ তৈরির এই অর্জন বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর গবেষণা ও দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে ব্যয়বহুল বিদেশি সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরতা ছাড়াই দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চিপ ডিজাইন শেখা ও গবেষণার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

প্রগতি ভি১-এর সফল টেপ-আউট এবং ফ্যাব্রিকেশন বাংলাদেশের নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সক্ষমতা গড়ে তোলার পথে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ