বাংলাদেশে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৃথকভাবে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে মন্ত্রণালয়ে পৌঁছান ভারতীয় হাইকমিশনার। প্রথমে তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এবং পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ঢাকা ও নয়াদিল্লির সম্পর্ক পরিচালিত হবে। দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা এবং চলমান সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফরের সময় নির্ধারণ তার নিজস্ব অগ্রাধিকারের বিষয়। তবে ভারত সরকার তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এবং খুব শিগগিরই সফরটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করছে।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে ভবিষ্যতে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।