সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনী হেবা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয় বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ নিয়ে যে সমালোচনা হচ্ছে, তা সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার বিকেলে যশোর শহরের পিটিআই হলরুমে চাকরি মেলা উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘হেবা আইনে স্পর্শ করার ক্ষমতা ইহজাগতিক কারও নাই।’
তিনি জানান, বৃদ্ধ বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্পত্তি দানের পরও দাতা নির্দিষ্ট শর্তে জীবিত থাকা পর্যন্ত সেই সম্পত্তির ভোগদখলের অধিকার রাখতে পারবেন।
আসাদুজ্জামান বলেন, হেবা, উইল বা ধর্মীয় আইন অনুযায়ী অন্য কোনো পদ্ধতিতে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নতুন সংশোধনী কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে না।
তার অভিযোগ, সংশোধিত আইনের পুরো অংশ না পড়েই কেউ কেউ হেবা আইনের সঙ্গে এর বিরোধ রয়েছে বলে বিতর্ক তৈরি করছেন।
এর আগে জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সম্পত্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছিল সরকার। আইনটি ৮ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
এ সময় যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।