ঢাকা    বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ছুঁতে পারে দুই লাখ টাকা

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ছুঁতে পারে দুই লাখ টাকা
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

অ্যাপলের পরবর্তী প্রজন্মের স্মার্টফোন আইফোন ১৮ সিরিজ ঘিরে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়ছে। আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের আগেই ফোনটির সম্ভাব্য নকশা, প্রসেসর, ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দাম নিয়ে একের পর এক তথ্য সামনে আসছে।

বিভিন্ন প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ও তথ্য ফাঁসকারীদের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স অ্যাপলের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্মার্টফোন হতে পারে। চীনের বাজারে মডেলটির প্রারম্ভিক মূল্য প্রায় ১১ হাজার ইউয়ান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ হিসাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ফোনটির দাম প্রায় ১ হাজার ৬২৫ ডলার হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় কর ও শুল্ক ছাড়াই মূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। দেশে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিক্রির সময় কর, শুল্ক ও ব্যবসায়িক খরচ যুক্ত হলে দাম আরও বাড়তে পারে।

দাম বাড়ার পেছনে নতুন প্রজন্মের ২ ন্যানোমিটার চিপ এবং ১২ জিবি উচ্চগতির র‍্যামকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এসব যন্ত্রাংশের উৎপাদন ব্যয় আগের প্রযুক্তির তুলনায় বেশি হওয়ায় প্রো মডেলের দাম বাড়তে পারে।

আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো চিপ ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। তাইওয়ানের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে এই প্রসেসর তৈরি করতে পারে।

ছোট আকারের উৎপাদন প্রযুক্তির কারণে চিপে বেশি ট্রানজিস্টর যুক্ত করা সম্ভব হয়। এতে কাজের গতি বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহার কমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন চিপটি আগের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি দ্রুত এবং ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হতে পারে।

এতে গেট-অল-অ্যারাউন্ড বা জিএএ ন্যানোশিট প্রযুক্তি ব্যবহারের কথাও বলা হচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে ট্রানজিস্টরের চ্যানেলকে চারদিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, ফলে কার্যক্ষমতা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হতে পারে।

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সে প্রথমবারের মতো ১২ জিবি র‍্যাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত ফোনের ভেতরেই উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত র‍্যাম প্রয়োজন হতে পারে।

পরবর্তী আইওএস সংস্করণে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ও উন্নত সিরি সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই কিছু এআই সুবিধা সরাসরি ফোনে চালানোর পরিকল্পনা থাকায় বেশি র‍্যাম ও শক্তিশালী প্রসেসরের প্রয়োজন হবে।

ক্যামেরার ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের প্রধান ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় পরিবর্তনশীল অ্যাপারচার ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন অ্যাপল পণ্য বিশ্লেষকেরা।

এই প্রযুক্তিতে পরিবেশের আলো অনুযায়ী ক্যামেরার লেন্সের মুখ ছোট বা বড় করা যাবে। এতে উজ্জ্বল আলোতে ভিডিও ধারণের সময় আরও স্বাভাবিক মোশন ব্লার এবং কম আলোয় উন্নত ছবি পাওয়া যেতে পারে।

পরিবর্তনশীল অ্যাপারচারের মাধ্যমে সফটওয়্যারনির্ভর পোর্ট্রেট মোড ছাড়াও ছবির পেছনের অংশ স্বাভাবিকভাবে ঝাপসা করা সম্ভব হতে পারে। প্রধান ক্যামেরার পাশাপাশি আলট্রা-ওয়াইড ও টেলিফটো ক্যামেরাকেও ৪৮ মেগাপিক্সেলে উন্নীত করার আলোচনা রয়েছে।

ফোনটির সামনের নকশাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে ডায়নামিক আইল্যান্ডের আকার প্রায় ৩৫ শতাংশ ছোট হতে পারে।

ফেস আইডির কয়েকটি সেন্সর ওএলইডি পর্দার নিচে স্থাপন করা হলে ওপরের কাটআউটের আকার কমানো সম্ভব হবে। তবে সামনের ক্যামেরা পুরোপুরি পর্দার নিচে যাবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফোনের কাঠামোয় গ্রেড ৫ পলিশড টাইটানিয়াম ব্যবহারের সম্ভাবনাও রয়েছে। নতুন উপাদানটি হালকা ও তুলনামূলকভাবে বেশি আঁচড় প্রতিরোধী হতে পারে। সম্ভাব্য নতুন রঙের মধ্যে স্যাটিন গোল্ড ও ডিপ প্লামের নাম আলোচনায় এসেছে।

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ব্যাটারিতেও বড় উন্নতি আসতে পারে। ফোনটিতে প্রায় ৫ হাজার ৫৬৭ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ক্ষমতার ব্যাটারি ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। এটি সত্য হলে অ্যাপলের কোনো আইফোনে ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় ব্যাটারি হবে।

স্ট্যাকড ব্যাটারি সেল প্রযুক্তির মাধ্যমে ফোনের আকার খুব বেশি না বাড়িয়েও বেশি শক্তি ধারণের ব্যবস্থা করা হতে পারে। একই সঙ্গে তারযুক্ত চার্জিংয়ের ক্ষমতা ৪০ ওয়াট এবং ম্যাগসেফ চার্জিং ২০ ওয়াট পর্যন্ত উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ভারতের টাটা ইলেকট্রনিকসের সার্ভারে কথিত সাইবার হামলার মাধ্যমে আইফোন ১৮ প্রোর নকশাসহ বিপুল পরিমাণ সংবেদনশীল তথ্য চুরি হওয়ার দাবি উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যাকাররা প্রায় ৬৩০ গিগাবাইট তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইনের গোপন অংশে ছড়িয়ে দিয়েছে।

ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে ফোনটির সম্ভাব্য থ্রিডি নকশা, যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীদের তথ্য এবং ড্রপ টেস্টের ছবি থাকার দাবি করা হয়েছে। তবে এসব নথির সত্যতা কিংবা এগুলো আইফোন ১৮ সিরিজের চূড়ান্ত নকশা কি না, তা অ্যাপলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।

অ্যাপল সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইফোন উৎপাদনের একটি বড় অংশ চীন থেকে ভারতে স্থানান্তরের চেষ্টা করছে। এই প্রক্রিয়ায় টাটা গ্রুপের কারখানাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফলে কথিত তথ্য ফাঁসের ঘটনা সত্য হলে তা অ্যাপলের সরবরাহব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

আইফোন ১৮ সিরিজ কবে উন্মোচিত হবে, সে বিষয়েও সম্ভাব্য সময়সূচি সামনে এসেছে। অ্যাপলের আগের আয়োজনগুলোর সময় বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর নতুন আইফোনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হতে পারে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রি-অর্ডার এবং ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিভিন্ন দেশে ফোনটির বিক্রি শুরু হতে পারে। তবে অ্যাপল এখনো আইফোন ১৮ সিরিজের উন্মোচন, দাম বা কোনো প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি।

ফলে দাম, নকশা, ব্যাটারি, ক্যামেরা এবং উন্মোচনের তারিখসংক্রান্ত তথ্যগুলো আপাতত বিভিন্ন সূত্র, বিশ্লেষক ও তথ্য ফাঁসকারীদের দাবি হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

সূত্র: ফোর্বস

ট্যাগ : অ্যাপল আইফোন

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের দাম ছুঁতে পারে দুই লাখ টাকা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

অ্যাপলের পরবর্তী প্রজন্মের স্মার্টফোন আইফোন ১৮ সিরিজ ঘিরে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়ছে। আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের আগেই ফোনটির সম্ভাব্য নকশা, প্রসেসর, ক্যামেরা, ব্যাটারি ও দাম নিয়ে একের পর এক তথ্য সামনে আসছে।

বিভিন্ন প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ও তথ্য ফাঁসকারীদের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স অ্যাপলের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্মার্টফোন হতে পারে। চীনের বাজারে মডেলটির প্রারম্ভিক মূল্য প্রায় ১১ হাজার ইউয়ান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ হিসাবে আন্তর্জাতিক বাজারে ফোনটির দাম প্রায় ১ হাজার ৬২৫ ডলার হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় কর ও শুল্ক ছাড়াই মূল্য দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা। দেশে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে বিক্রির সময় কর, শুল্ক ও ব্যবসায়িক খরচ যুক্ত হলে দাম আরও বাড়তে পারে।

দাম বাড়ার পেছনে নতুন প্রজন্মের ২ ন্যানোমিটার চিপ এবং ১২ জিবি উচ্চগতির র‍্যামকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এসব যন্ত্রাংশের উৎপাদন ব্যয় আগের প্রযুক্তির তুলনায় বেশি হওয়ায় প্রো মডেলের দাম বাড়তে পারে।

আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে অ্যাপলের নতুন এ২০ প্রো চিপ ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। তাইওয়ানের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে এই প্রসেসর তৈরি করতে পারে।

ছোট আকারের উৎপাদন প্রযুক্তির কারণে চিপে বেশি ট্রানজিস্টর যুক্ত করা সম্ভব হয়। এতে কাজের গতি বাড়ার পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহার কমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন চিপটি আগের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি দ্রুত এবং ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হতে পারে।

এতে গেট-অল-অ্যারাউন্ড বা জিএএ ন্যানোশিট প্রযুক্তি ব্যবহারের কথাও বলা হচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে ট্রানজিস্টরের চ্যানেলকে চারদিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, ফলে কার্যক্ষমতা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত হতে পারে।

আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সে প্রথমবারের মতো ১২ জিবি র‍্যাম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মূলত ফোনের ভেতরেই উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত র‍্যাম প্রয়োজন হতে পারে।

পরবর্তী আইওএস সংস্করণে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স ও উন্নত সিরি সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই কিছু এআই সুবিধা সরাসরি ফোনে চালানোর পরিকল্পনা থাকায় বেশি র‍্যাম ও শক্তিশালী প্রসেসরের প্রয়োজন হবে।

ক্যামেরার ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে। আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্সের প্রধান ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরায় পরিবর্তনশীল অ্যাপারচার ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন অ্যাপল পণ্য বিশ্লেষকেরা।

এই প্রযুক্তিতে পরিবেশের আলো অনুযায়ী ক্যামেরার লেন্সের মুখ ছোট বা বড় করা যাবে। এতে উজ্জ্বল আলোতে ভিডিও ধারণের সময় আরও স্বাভাবিক মোশন ব্লার এবং কম আলোয় উন্নত ছবি পাওয়া যেতে পারে।

পরিবর্তনশীল অ্যাপারচারের মাধ্যমে সফটওয়্যারনির্ভর পোর্ট্রেট মোড ছাড়াও ছবির পেছনের অংশ স্বাভাবিকভাবে ঝাপসা করা সম্ভব হতে পারে। প্রধান ক্যামেরার পাশাপাশি আলট্রা-ওয়াইড ও টেলিফটো ক্যামেরাকেও ৪৮ মেগাপিক্সেলে উন্নীত করার আলোচনা রয়েছে।

ফোনটির সামনের নকশাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। বিভিন্ন প্রতিবেদনের দাবি, আইফোন ১৮ প্রো সিরিজে ডায়নামিক আইল্যান্ডের আকার প্রায় ৩৫ শতাংশ ছোট হতে পারে।

ফেস আইডির কয়েকটি সেন্সর ওএলইডি পর্দার নিচে স্থাপন করা হলে ওপরের কাটআউটের আকার কমানো সম্ভব হবে। তবে সামনের ক্যামেরা পুরোপুরি পর্দার নিচে যাবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফোনের কাঠামোয় গ্রেড ৫ পলিশড টাইটানিয়াম ব্যবহারের সম্ভাবনাও রয়েছে। নতুন উপাদানটি হালকা ও তুলনামূলকভাবে বেশি আঁচড় প্রতিরোধী হতে পারে। সম্ভাব্য নতুন রঙের মধ্যে স্যাটিন গোল্ড ও ডিপ প্লামের নাম আলোচনায় এসেছে।

আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের ব্যাটারিতেও বড় উন্নতি আসতে পারে। ফোনটিতে প্রায় ৫ হাজার ৫৬৭ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ার ক্ষমতার ব্যাটারি ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। এটি সত্য হলে অ্যাপলের কোনো আইফোনে ব্যবহৃত সবচেয়ে বড় ব্যাটারি হবে।

স্ট্যাকড ব্যাটারি সেল প্রযুক্তির মাধ্যমে ফোনের আকার খুব বেশি না বাড়িয়েও বেশি শক্তি ধারণের ব্যবস্থা করা হতে পারে। একই সঙ্গে তারযুক্ত চার্জিংয়ের ক্ষমতা ৪০ ওয়াট এবং ম্যাগসেফ চার্জিং ২০ ওয়াট পর্যন্ত উন্নীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে ভারতের টাটা ইলেকট্রনিকসের সার্ভারে কথিত সাইবার হামলার মাধ্যমে আইফোন ১৮ প্রোর নকশাসহ বিপুল পরিমাণ সংবেদনশীল তথ্য চুরি হওয়ার দাবি উঠেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্যাকাররা প্রায় ৬৩০ গিগাবাইট তথ্য সংগ্রহ করে অনলাইনের গোপন অংশে ছড়িয়ে দিয়েছে।

ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে ফোনটির সম্ভাব্য থ্রিডি নকশা, যন্ত্রাংশ সরবরাহকারীদের তথ্য এবং ড্রপ টেস্টের ছবি থাকার দাবি করা হয়েছে। তবে এসব নথির সত্যতা কিংবা এগুলো আইফোন ১৮ সিরিজের চূড়ান্ত নকশা কি না, তা অ্যাপলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।

অ্যাপল সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইফোন উৎপাদনের একটি বড় অংশ চীন থেকে ভারতে স্থানান্তরের চেষ্টা করছে। এই প্রক্রিয়ায় টাটা গ্রুপের কারখানাগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ফলে কথিত তথ্য ফাঁসের ঘটনা সত্য হলে তা অ্যাপলের সরবরাহব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

আইফোন ১৮ সিরিজ কবে উন্মোচিত হবে, সে বিষয়েও সম্ভাব্য সময়সূচি সামনে এসেছে। অ্যাপলের আগের আয়োজনগুলোর সময় বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর নতুন আইফোনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হতে পারে।

সম্ভাব্য সময়সূচি অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রি-অর্ডার এবং ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে বিভিন্ন দেশে ফোনটির বিক্রি শুরু হতে পারে। তবে অ্যাপল এখনো আইফোন ১৮ সিরিজের উন্মোচন, দাম বা কোনো প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি।

ফলে দাম, নকশা, ব্যাটারি, ক্যামেরা এবং উন্মোচনের তারিখসংক্রান্ত তথ্যগুলো আপাতত বিভিন্ন সূত্র, বিশ্লেষক ও তথ্য ফাঁসকারীদের দাবি হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।

সূত্র: ফোর্বস


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ