ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

ছেলেকে খাবার খাইয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শহিদুলের

ছেলেকে খাবার খাইয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শহিদুলের
সংগৃহীত ছবি
ফলো করুন

জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শহিদুল ওই গ্রামের মৃত সোলাইমান শেখের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে মৃগীরোগে ভুগছিলেন। গত ২১ জুলাই সকালে তিনি স্থানীয় হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছেলের জন্য খাবার নিয়ে যান।

ছেলেকে খাবার খাইয়ে টিফিন ক্যারিয়ার হাতে মাদ্রাসার পেছনের পথ দিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হলেও থানায় সাধারণ ডায়েরি বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

শুক্রবার সকালে কয়েকজন শিশু মাদ্রাসাসংলগ্ন ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে। খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এ সময় স্বজনেরা শহিদুলের মৃগীরোগের চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র পুলিশকে দেখান।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ময়নাতদন্ত না হওয়ায় শহিদুলের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সূত্র: কালবেলা

ট্যাগ : জামালপুর মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজ মেলান্দহ

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ছেলেকে খাবার খাইয়ে বাড়ি ফেরা হলো না শহিদুলের

প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

জামালপুরের মেলান্দহে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম মাহমুদপুর দকলাবন এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শহিদুল ওই গ্রামের মৃত সোলাইমান শেখের ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে মৃগীরোগে ভুগছিলেন। গত ২১ জুলাই সকালে তিনি স্থানীয় হারুন অর রশিদ ইসলামী মাদ্রাসায় পড়ুয়া ছেলের জন্য খাবার নিয়ে যান।

ছেলেকে খাবার খাইয়ে টিফিন ক্যারিয়ার হাতে মাদ্রাসার পেছনের পথ দিয়ে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হলেও থানায় সাধারণ ডায়েরি বা লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

শুক্রবার সকালে কয়েকজন শিশু মাদ্রাসাসংলগ্ন ডোবায় মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে মরদেহ ভাসতে দেখে। খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করে। এ সময় স্বজনেরা শহিদুলের মৃগীরোগের চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র পুলিশকে দেখান।

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ময়নাতদন্ত না হওয়ায় শহিদুলের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সূত্র: কালবেলা


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ