ঢাকা    শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচে তিস্তার পানি

বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচে তিস্তার পানি
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৪ মিটার। সেখানে বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

নদীর পানি বাড়ায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

এ ছাড়া জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি নিম্নাঞ্চলেও তিস্তার পানি ঢুকছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করছে। নদীর পানি আরও বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

ট্যাগ : তিস্তা নদী বন্যা

বাংলা ভিউজ

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচে তিস্তার পানি

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার মাত্র এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৪ মিটার। সেখানে বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।

নদীর পানি বাড়ায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

এ ছাড়া জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের কয়েকটি নিম্নাঞ্চলেও তিস্তার পানি ঢুকছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে নিচু এলাকায় পানি প্রবেশ করছে। নদীর পানি আরও বাড়লে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, সকাল ৯টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ