হারারেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৪৭ রান করেছে জিম্বাবুয়ে। ফলে জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ২৪৮ রান।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। নতুন বলে দারুণ বোলিং করেন তাসকিন আহমেদ। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন তিনি।
তৃতীয় ওভারে আবারও আঘাত হানেন তাসকিন। এবার তার শিকার হন ইনোসেন্ট কাইয়া। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে।
তৃতীয় বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে নবম ওভারে সাফল্য পান নাহিদ রানা। ৯ রান করা ক্রেগ আরভিনকে বোল্ড করেন তিনি। এরপর ওয়েসলি মাদেভারে ৩০ বলে ১৫ রান করে ফিরলে ৬৬ রানে চার উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।
বিপর্যয়ের মুখে দলকে টেনে তোলেন সিকান্দার রাজা ও বেন কারান। দুজনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। তবে থিতু হয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি রাজা। ৩৩ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হন তিনি।
এরপর ক্লাইভ মাদান্দে দ্রুত ফিরলেও সপ্তম উইকেটে দুর্দান্ত জুটি গড়েন বেন কারান ও ব্রাড ইভান্স। তাদের ব্যাটে শেষ দিকে বড় সংগ্রহ পায় জিম্বাবুয়ে।
কারান ১২২ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থাকেন ১১১ রানে। অন্যদিকে ব্রাড ইভান্স মাত্র ৩৬ বলে ফিফটি তুলে নিয়ে অপরাজিত ৫৮ রান করেন।
এক সময় দুইশ রানও কঠিন মনে হলেও কারান-ইভান্সের ব্যাটে ২৪৭ রানে পৌঁছে যায় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের সামনে এখন সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ২৪৮ রানের লক্ষ্য।
মন্তব্যসমূহ