শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন নাটোর ও বগুড়ার ১৫ জন শিক্ষার্থী।
এর মধ্যে নাটোরের ৮ জন এবং বগুড়ার ৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন। ফরম পূরণের টাকা আত্মসাৎ ও কারিগরি ভুলের কারণে তারা প্রথম দিনের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। তবে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার পর শনিবার থেকে তারা নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানায়, নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের ৮ জন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ফরম পূরণের টাকা জমা দিয়েও গত বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় বসতে পারেননি। অভিযোগ রয়েছে, কলেজের অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিলেও তা বোর্ডে জমা দেননি। এ কারণে তাদের প্রবেশপত্র ইস্যু হয়নি।
বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর শিক্ষামন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তিনি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামীম আরা চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেন এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত অফিস সহকারী অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে, বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে নির্ধারিত সময়ে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করেও কলেজ কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভুলের কারণে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। একই সঙ্গে বগুড়ার মহাস্থানগড়ের আরও ৬ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণসংক্রান্ত জটিলতায় পরীক্ষার বাইরে ছিলেন।
এসব অভিযোগ পাওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন।
মন্ত্রীর নির্দেশনার পর বগুড়ার ৭ শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। তারাও নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
মন্তব্যসমূহ