ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

অ্যানফিল্ডে চেলসির বিপক্ষে টাইব্রেকার জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল

অ্যানফিল্ডে চেলসির বিপক্ষে টাইব্রেকার জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

ইংলিশ লিগ কাপের শেষ ষোলোতে চেলসিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লিভারপুল। অ্যানফিল্ডে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে দুই দল ১-১ গোলে সমতায় থাকলেও টাইব্রেকারে ৬-৫ ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। পেনাল্টি শুটআউটের শেষ প্রচেষ্টায় চেলসির ওয়েসলি ফোফানা গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিশ্চিত হয় লিভারপুলের জয়।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে কারাবাও কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ডের দুই দল।

ম্যাচের শুরুতে দুই দলই আক্রমণের চেষ্টা করলেও প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৪০ মিনিট পর্যন্ত।

লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্খ নিজেদের পেনাল্টি বক্সে চেলসির মইসেস কাইসেদোকে ফাউল করলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।

স্পটকিক থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে দেন মরগান রজার্স। তাঁর শটে ভুল দিকে ঝাঁপ দেন লিভারপুলের গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলি।

তবে চেলসির সেই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

মাত্র তিন মিনিট পরই লিভারপুলের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বক্সের মধ্যে হাতে বল লাগান চেলসির ডিফেন্ডার ওয়েসলি ফোফানা।

এবার পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। ৪৩ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান কোডি গাকপো।

ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে।

বিরতির আগে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় চেলসির ডিফেন্ডার ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়াকে। তাঁর পরিবর্তে নামেন লেভি কলউইল।

দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুল কোচ আন্দোনি ইরাওলা আক্রমণের শক্তি বাড়াতে ফ্লোরিয়ান ভির্টজ ও ব্র্যাডলি বারকোলাকে মাঠে নামান।

দুই দলই জয়সূচক গোলের খোঁজে আক্রমণ চালাতে থাকে।

লিভারপুলের রোনাল্ড আরাউহো ও বারকোলার প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন চেলসি গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্স।

অন্যদিকে বদলি খেলোয়াড় মার্কো পালেস্ত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ শট আটকে দেন লিভারপুল গোলরক্ষক মামারদাশভিলি।

শেষ পর্যন্ত কোনো দলই নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়নি।

নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে।

দুই দলের খেলোয়াড়দের একের পর এক সফল পেনাল্টিতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

শুটআউটে চেলসির ভ্যালেন্তিন বারকো ও এমানুয়েল এমেঘা গোল করতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে লিভারপুলের কস্তাস সিমিকাস ও রায়ান গ্রাভেনবার্খও নিজেদের প্রচেষ্টায় গোল পাননি।

ফলে অতিরিক্ত পেনাল্টি পর্যন্ত গড়ায় লড়াই।

লিভারপুলের হয়ে জো গোমেজ নিজের পেনাল্টিতে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

এরপর চেলসির শেষ প্রচেষ্টায় বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ হন ওয়েসলি ফোফানা।

তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয় লিভারপুলের ৬-৫ ব্যবধানের জয়।

এই জয়ের মাধ্যমে কারাবাও কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিভারপুল।

অন্যদিকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সমানে সমান লড়াই করেও টাইব্রেকারের শেষ মুহূর্তের ব্যর্থতায় প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হয়েছে চেলসিকে।

শেষ আটে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ বোর্নমাউথ।

ট্যাগ : লিভারপুল চেলসি কারাবাও কাপ

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬


অ্যানফিল্ডে চেলসির বিপক্ষে টাইব্রেকার জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে লিভারপুল

প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইংলিশ লিগ কাপের শেষ ষোলোতে চেলসিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লিভারপুল। অ্যানফিল্ডে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে দুই দল ১-১ গোলে সমতায় থাকলেও টাইব্রেকারে ৬-৫ ব্যবধানে জয় পায় স্বাগতিকরা। পেনাল্টি শুটআউটের শেষ প্রচেষ্টায় চেলসির ওয়েসলি ফোফানা গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিশ্চিত হয় লিভারপুলের জয়।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে কারাবাও কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ডের দুই দল।

ম্যাচের শুরুতে দুই দলই আক্রমণের চেষ্টা করলেও প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৪০ মিনিট পর্যন্ত।

লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্খ নিজেদের পেনাল্টি বক্সে চেলসির মইসেস কাইসেদোকে ফাউল করলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।

স্পটকিক থেকে গোল করে চেলসিকে এগিয়ে দেন মরগান রজার্স। তাঁর শটে ভুল দিকে ঝাঁপ দেন লিভারপুলের গোলরক্ষক জর্জি মামারদাশভিলি।

তবে চেলসির সেই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

মাত্র তিন মিনিট পরই লিভারপুলের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে বক্সের মধ্যে হাতে বল লাগান চেলসির ডিফেন্ডার ওয়েসলি ফোফানা।

এবার পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। ৪৩ মিনিটে স্পটকিক থেকে গোল করে লিভারপুলকে সমতায় ফেরান কোডি গাকপো।

ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলে।

বিরতির আগে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে হয় চেলসির ডিফেন্ডার ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়াকে। তাঁর পরিবর্তে নামেন লেভি কলউইল।

দ্বিতীয়ার্ধে লিভারপুল কোচ আন্দোনি ইরাওলা আক্রমণের শক্তি বাড়াতে ফ্লোরিয়ান ভির্টজ ও ব্র্যাডলি বারকোলাকে মাঠে নামান।

দুই দলই জয়সূচক গোলের খোঁজে আক্রমণ চালাতে থাকে।

লিভারপুলের রোনাল্ড আরাউহো ও বারকোলার প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন চেলসি গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্স।

অন্যদিকে বদলি খেলোয়াড় মার্কো পালেস্ত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ শট আটকে দেন লিভারপুল গোলরক্ষক মামারদাশভিলি।

শেষ পর্যন্ত কোনো দলই নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়নি।

নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শুটআউটে।

দুই দলের খেলোয়াড়দের একের পর এক সফল পেনাল্টিতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

শুটআউটে চেলসির ভ্যালেন্তিন বারকো ও এমানুয়েল এমেঘা গোল করতে ব্যর্থ হন। অন্যদিকে লিভারপুলের কস্তাস সিমিকাস ও রায়ান গ্রাভেনবার্খও নিজেদের প্রচেষ্টায় গোল পাননি।

ফলে অতিরিক্ত পেনাল্টি পর্যন্ত গড়ায় লড়াই।

লিভারপুলের হয়ে জো গোমেজ নিজের পেনাল্টিতে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

এরপর চেলসির শেষ প্রচেষ্টায় বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ হন ওয়েসলি ফোফানা।

তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয় লিভারপুলের ৬-৫ ব্যবধানের জয়।

এই জয়ের মাধ্যমে কারাবাও কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লিভারপুল।

অন্যদিকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সমানে সমান লড়াই করেও টাইব্রেকারের শেষ মুহূর্তের ব্যর্থতায় প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হয়েছে চেলসিকে।

শেষ আটে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ বোর্নমাউথ।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ