ঢাকা    বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

টেক্সটাইল খাতে গবেষণা ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

টেক্সটাইল খাতে গবেষণা ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন | ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি টেক্সটাইল খাতকে আরও এগিয়ে নিতে গবেষণা, উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুধবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে দক্ষ টেক্সটাইল প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরি করা জরুরি। তার মতে, বুটেক্সে ভর্তি হওয়া কোনোভাবেই অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে না পারার বিকল্প নয়। বরং এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেবে।

তিনি জানান, চলতি বছর বুটেক্সের প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রশাসন, পররাষ্ট্র ও পুলিশ ক্যাডারও রয়েছে। পাশাপাশি বুটেক্সের সাবেক শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ড. মিলন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। বিদেশে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখে গর্ববোধ হয়। তবে দেশের ভেতরেও আন্তর্জাতিক মানের নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করতে হবে। এ জন্য উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের এই উদ্ভাবনের নেতৃত্ব তাদেরই দিতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশল বিজ্ঞানভিত্তিক একটি ক্ষেত্র। তাই এ খাতে আধুনিক গবেষণাগার, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত ল্যাব স্থাপন সময়ের দাবি। বুটেক্সে উন্নতমানের গবেষণা নিশ্চিত করতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর কথাও জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা, বিশেষ করে কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

ড. মিলন বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জনসংখ্যা কমলেও বাংলাদেশের জনসংখ্যা একটি বড় সম্পদ। এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রয়োজন হলে সরকার নতুন ভবন নির্মাণ করবে। বর্তমানে বছরে ৬৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও ভবিষ্যতে আসনসংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা পূরণে আরও বেশি টেক্সটাইল প্রকৌশলী তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, একসময় দেশের অনেক টেক্সটাইল শিল্প ও বায়িং হাউসে বিদেশি, বিশেষ করে ভারতীয় ও শ্রীলঙ্কান নাগরিকরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতেন। অথচ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মেধায় কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। তাই দেশের টেক্সটাইল খাত পরিচালনায় দেশীয় প্রকৌশলী ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও আধুনিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল, ইউনিফর্ম এবং খেলাধুলাভিত্তিক আনন্দময় শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব বাড়ানো হচ্ছে। ২০২৭ সালে পরিমার্জিত এবং ২০২৮ সালে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

ড. মিলন বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় সময়ের অপচয় কমাতে সরকার সেশনজট নিরসনে গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএসসি ১০ বছর, এইচএসসি দুই বছর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক চার বছরের মধ্যে শেষ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হলে দেশের জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগানো সম্ভব হবে না।

তিনি জানান, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে সরকার দুটি বিশেষায়িত সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে তাদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয়ও বেশি। তাই এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, বুটেক্সের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে শিল্পোদ্যোক্তা হয়েছেন। নতুন শিক্ষার্থীদেরও সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের আবেদনের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আবেদনটি সরকার বিবেচনা করবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য প্রয়োজনীয় জমির ব্যবস্থাও করা হবে।

টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের জন্য পৃথক বিসিএস ক্যাডার গঠনের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। তবে দাবিটি যৌক্তিক। এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।

ড. মিলন নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেক্সটাইল খাতকে বিশ্বে আরও এগিয়ে নিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। সরকার শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ : শিক্ষামন্ত্রী বুটেক্স কারিগরি শিক্ষা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

বাংলা ভিউজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


টেক্সটাইল খাতে গবেষণা ও প্রযুক্তিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি টেক্সটাইল খাতকে আরও এগিয়ে নিতে গবেষণা, উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বুধবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে দক্ষ টেক্সটাইল প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরি করা জরুরি। তার মতে, বুটেক্সে ভর্তি হওয়া কোনোভাবেই অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে না পারার বিকল্প নয়। বরং এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশের নেতৃত্ব দেবে।

তিনি জানান, চলতি বছর বুটেক্সের প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রশাসন, পররাষ্ট্র ও পুলিশ ক্যাডারও রয়েছে। পাশাপাশি বুটেক্সের সাবেক শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

ড. মিলন বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। বিদেশে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখে গর্ববোধ হয়। তবে দেশের ভেতরেও আন্তর্জাতিক মানের নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করতে হবে। এ জন্য উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের এই উদ্ভাবনের নেতৃত্ব তাদেরই দিতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, টেক্সটাইল প্রকৌশল বিজ্ঞানভিত্তিক একটি ক্ষেত্র। তাই এ খাতে আধুনিক গবেষণাগার, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত ল্যাব স্থাপন সময়ের দাবি। বুটেক্সে উন্নতমানের গবেষণা নিশ্চিত করতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর কথাও জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা, বিশেষ করে কারিগরি ও প্রকৌশল শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

ড. মিলন বলেন, উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জনসংখ্যা কমলেও বাংলাদেশের জনসংখ্যা একটি বড় সম্পদ। এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো সম্প্রসারণের প্রয়োজন হলে সরকার নতুন ভবন নির্মাণ করবে। বর্তমানে বছরে ৬৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হলেও ভবিষ্যতে আসনসংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা পূরণে আরও বেশি টেক্সটাইল প্রকৌশলী তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, একসময় দেশের অনেক টেক্সটাইল শিল্প ও বায়িং হাউসে বিদেশি, বিশেষ করে ভারতীয় ও শ্রীলঙ্কান নাগরিকরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতেন। অথচ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মেধায় কোনো অংশে পিছিয়ে নেই। তাই দেশের টেক্সটাইল খাত পরিচালনায় দেশীয় প্রকৌশলী ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি বলেন, সরকার প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও আধুনিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল, ইউনিফর্ম এবং খেলাধুলাভিত্তিক আনন্দময় শিক্ষা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব বাড়ানো হচ্ছে। ২০২৭ সালে পরিমার্জিত এবং ২০২৮ সালে নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

ড. মিলন বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় সময়ের অপচয় কমাতে সরকার সেশনজট নিরসনে গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএসসি ১০ বছর, এইচএসসি দুই বছর এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক চার বছরের মধ্যে শেষ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হলে দেশের জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগানো সম্ভব হবে না।

তিনি জানান, ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে সরকার দুটি বিশেষায়িত সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে তাদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সীমিত এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ব্যয়ও বেশি। তাই এ বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতাও গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, বুটেক্সের অনেক সাবেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে শিল্পোদ্যোক্তা হয়েছেন। নতুন শিক্ষার্থীদেরও সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের আবেদনের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আবেদনটি সরকার বিবেচনা করবে। দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের জন্য প্রয়োজনীয় জমির ব্যবস্থাও করা হবে।

টেক্সটাইল প্রকৌশলীদের জন্য পৃথক বিসিএস ক্যাডার গঠনের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। তবে দাবিটি যৌক্তিক। এটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং সরকার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।

ড. মিলন নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেক্সটাইল খাতকে বিশ্বে আরও এগিয়ে নিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। সরকার শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ