ঢাকা    রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব কূটনৈতিক পথ খোলা রাখছে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব কূটনৈতিক পথ খোলা রাখছে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
ফলো করুন

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সমাধান খুঁজছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে সব ধরনের কূটনৈতিক পথ খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের অন্তরা হলে ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (এফএসডিএস) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারের শিরোনাম ছিল ‘রোহিঙ্গা সংকট: উত্তরণের পথ-টেকসই প্রত্যাবাসন ও স্থায়ী আঞ্চলিক সমাধানের দিকে’।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে চীন, জাপান, আসিয়ান ও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টায় এই সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব নয়। তাই আঞ্চলিক পর্যায়ে কৌশলগত জোট এবং সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করে প্রত্যাবাসনের সম্ভাব্য পথ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তবে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য।

জাপানের সহযোগিতার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি জাপান সরকারের মিয়ানমার বিষয়ক জাতীয় পুনর্মিলন-সংক্রান্ত বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাসাকাওয়ার বাংলাদেশ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি নিজে তাঁর সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এ বিষয়ে জাপান সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

চলতি মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরেও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসবে বলে জানান তিনি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু মানবিক সমস্যা কিংবা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় সংকট মোকাবিলায় প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে কৌশলগত কূটনীতিতে গুরুত্ব দিতে হবে। অস্থায়ী ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি টেকসই প্রত্যাবাসন এবং বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পরিবর্তে সমন্বিত জাতীয় কৌশল গ্রহণ জরুরি।

রোহিঙ্গাদের মানবিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপরও জোর দেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা। তাঁর মতে, মিয়ানমারের ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিসরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীন, জাপান, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট দেশ ও সংস্থার সহযোগিতায় আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ বের করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এফএসডিএসের চেয়ারম্যান ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনটি বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আলী আশরাফ মিয়ানমার ও রাখাইনের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। অধ্যাপক শাহাব এনাম খান রাখাইনের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রত্যাবাসন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাফায়াত আহমদ, পিএইচডি, আঞ্চলিক কূটনীতি ও বাংলাদেশের কৌশলগত করণীয় নিয়ে প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রত্যাবাসনকে শুধু রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করলে চলবে না। এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রত্যাবর্তনকারীদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, বাসস্থান ও জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গ্রহণযোগ্য সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিবেশও তৈরি করতে হবে। এসব মৌলিক বিষয় নিশ্চিত না হলে প্রত্যাবাসন টেকসই হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সব কূটনৈতিক পথ খোলা রাখছে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সমাধান খুঁজছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে সব ধরনের কূটনৈতিক পথ খোলা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনের অন্তরা হলে ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (এফএসডিএস) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেমিনারের শিরোনাম ছিল ‘রোহিঙ্গা সংকট: উত্তরণের পথ-টেকসই প্রত্যাবাসন ও স্থায়ী আঞ্চলিক সমাধানের দিকে’।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে চীন, জাপান, আসিয়ান ও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টায় এই সংকটের টেকসই সমাধান সম্ভব নয়। তাই আঞ্চলিক পর্যায়ে কৌশলগত জোট এবং সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো হচ্ছে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে তিনি জানান, আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করে প্রত্যাবাসনের সম্ভাব্য পথ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। তবে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনই বাংলাদেশের প্রধান লক্ষ্য।

জাপানের সহযোগিতার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি জাপান সরকারের মিয়ানমার বিষয়ক জাতীয় পুনর্মিলন-সংক্রান্ত বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাসাকাওয়ার বাংলাদেশ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী এবং তিনি নিজে তাঁর সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। এ বিষয়ে জাপান সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

চলতি মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরেও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসবে বলে জানান তিনি।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু মানবিক সমস্যা কিংবা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের দ্বিপক্ষীয় বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতায় সংকট মোকাবিলায় প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে কৌশলগত কূটনীতিতে গুরুত্ব দিতে হবে। অস্থায়ী ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি টেকসই প্রত্যাবাসন এবং বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পরিবর্তে সমন্বিত জাতীয় কৌশল গ্রহণ জরুরি।

রোহিঙ্গাদের মানবিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপরও জোর দেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা। তাঁর মতে, মিয়ানমারের ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করে রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিসরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। চীন, জাপান, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ সংশ্লিষ্ট দেশ ও সংস্থার সহযোগিতায় আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত টেকসই প্রত্যাবাসনের পথ বের করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এফএসডিএসের চেয়ারম্যান ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তিনটি বিষয়ভিত্তিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আলী আশরাফ মিয়ানমার ও রাখাইনের পরিবর্তিত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। অধ্যাপক শাহাব এনাম খান রাখাইনের উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রত্যাবাসন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাফায়াত আহমদ, পিএইচডি, আঞ্চলিক কূটনীতি ও বাংলাদেশের কৌশলগত করণীয় নিয়ে প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

প্রবন্ধগুলোর ওপর আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রত্যাবাসনকে শুধু রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করলে চলবে না। এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে প্রত্যাবর্তনকারীদের নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, বাসস্থান ও জীবিকার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গ্রহণযোগ্য সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিবেশও তৈরি করতে হবে। এসব মৌলিক বিষয় নিশ্চিত না হলে প্রত্যাবাসন টেকসই হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ