ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
বাংলাদেশ সময়
বাংলা ভিউজ

জনগণের সেবাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী

জনগণের সেবাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী
ছবি : সংগৃহিত
ফলো করুন

রাষ্ট্রের হাতে থাকা ক্ষমতা মানুষের প্রয়োজন পূরণ ও অধিকার নিশ্চিত করার কাজে ব্যবহার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘জনগণ সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজের পদ্ধতিতে পার্থক্য থাকলেও মূল লক্ষ্য একই, জনগণের সেবা করা। সরকারের হাতে থাকা ক্ষমতা মানুষের সেবা বাধাগ্রস্ত করতে নয়, বরং তাদের প্রয়োজন পূরণ ও অধিকার নিশ্চিত করতে কাজে লাগাতে হবে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের তথ্য নিয়ে বিদ্যমান অসঙ্গতির বিষয়টিও তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার তুলনায় নিবন্ধন তথ্যভান্ডারে অনেক বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগজনক। প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে এর চেয়েও বেশি মানুষের তথ্য রয়েছে। এ অসঙ্গতি দূর করে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সেবা প্রদানকারীদের দায়িত্বশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন মন্ত্রী। তার মতে, শুধু কম্পিউটার বা প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই মানুষের সেবা নিশ্চিত হবে না। একটি সাধারণ জন্মসনদ সংগ্রহ করতে কোনো নাগরিককে যেন ইউনিয়ন পরিষদে বারবার যেতে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ বেশি শিক্ষিত না হলেও তিনি রাষ্ট্রের নাগরিক এবং সরকারি সেবা পাওয়ার অধিকার তারও রয়েছে। এ কারণে তৃণমূল পর্যায়ে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক, দায়িত্বশীল ও জনগণমুখী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান রয়েছে।

তিনি জানান, ২০০১ সালে ইউনিসেফের সহযোগিতায় বেগম খালেদা জিয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন চালু করেন এবং সেখানে পিতার পাশাপাশি মায়ের পরিচয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জন্ম নিবন্ধনের সংখ্যা ২৪ কোটি ৮৮ লাখ এবং মৃত্যু নিবন্ধন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার। অন্যদিকে ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। নিবন্ধন নির্ভুল না হওয়ায় পরিসংখ্যানে গড়মিল তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে বিষয়টি নতুন করে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

মীর শাহে আলম বলেন, ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সিস্টেম (বিডিআরআইএস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ব্যবস্থা।

নিবন্ধনের নির্ভুলতা বাড়াতে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারণার আলোকে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ব্যবস্থা চালু হলে গ্রাম পর্যায়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আরও নির্ভুল করা সম্ভব হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে শুদ্ধতা ও উৎকর্ষের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ঢাকা জেলার উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ ছিল।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন, ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ট্যাগ : স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এলজিআরডি মন্ত্রী

মন্তব্যসমূহ

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য অনুমোদনের পরে প্রকাশিত হবে।
ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর লেখা দেবেন না।

আপনার মন্তব্য জমা হয়েছে

মন্তব্যটি বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর এটি প্রকাশিত হবে।

বাংলা ভিউজ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


জনগণের সেবাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব: এলজিআরডি মন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাষ্ট্রের হাতে থাকা ক্ষমতা মানুষের প্রয়োজন পূরণ ও অধিকার নিশ্চিত করার কাজে ব্যবহার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা নিশ্চিত করা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের গ্র্যান্ড বলরুমে ‘জাতীয় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ‘জনগণ সরকারের কাছে যে প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দেয়, তা পূরণে জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাজের পদ্ধতিতে পার্থক্য থাকলেও মূল লক্ষ্য একই, জনগণের সেবা করা। সরকারের হাতে থাকা ক্ষমতা মানুষের সেবা বাধাগ্রস্ত করতে নয়, বরং তাদের প্রয়োজন পূরণ ও অধিকার নিশ্চিত করতে কাজে লাগাতে হবে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের তথ্য নিয়ে বিদ্যমান অসঙ্গতির বিষয়টিও তুলে ধরেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রকৃত জনসংখ্যার তুলনায় নিবন্ধন তথ্যভান্ডারে অনেক বেশি মানুষের তথ্য থাকা উদ্বেগজনক। প্রায় ১৯ কোটি মানুষের দেশে নিবন্ধন ডাটাবেজে এর চেয়েও বেশি মানুষের তথ্য রয়েছে। এ অসঙ্গতি দূর করে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে নির্ভুল ও বিশ্বাসযোগ্য করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি সেবা প্রদানকারীদের দায়িত্বশীলতার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন মন্ত্রী। তার মতে, শুধু কম্পিউটার বা প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই মানুষের সেবা নিশ্চিত হবে না। একটি সাধারণ জন্মসনদ সংগ্রহ করতে কোনো নাগরিককে যেন ইউনিয়ন পরিষদে বারবার যেতে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, গ্রামের সাধারণ মানুষ বেশি শিক্ষিত না হলেও তিনি রাষ্ট্রের নাগরিক এবং সরকারি সেবা পাওয়ার অধিকার তারও রয়েছে। এ কারণে তৃণমূল পর্যায়ে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্ক, দায়িত্বশীল ও জনগণমুখী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান রয়েছে।

তিনি জানান, ২০০১ সালে ইউনিসেফের সহযোগিতায় বেগম খালেদা জিয়া জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন চালু করেন এবং সেখানে পিতার পাশাপাশি মায়ের পরিচয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জন্ম নিবন্ধনের সংখ্যা ২৪ কোটি ৮৮ লাখ এবং মৃত্যু নিবন্ধন ৫৮ লাখ ১৯ হাজার। অন্যদিকে ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। নিবন্ধন নির্ভুল না হওয়ায় পরিসংখ্যানে গড়মিল তৈরি হচ্ছে উল্লেখ করে বিষয়টি নতুন করে বিবেচনার আহ্বান জানান তিনি।

মীর শাহে আলম বলেন, ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান আইডি, ওয়ান ডিজিটাল ওয়ালেট’ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সিস্টেম (বিডিআরআইএস) একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ব্যবস্থা।

নিবন্ধনের নির্ভুলতা বাড়াতে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও গ্রাম পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ধারণার আলোকে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা পুনরায় চালুর বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এ ব্যবস্থা চালু হলে গ্রাম পর্যায়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আরও নির্ভুল করা সম্ভব হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে শুদ্ধতা ও উৎকর্ষের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ঢাকা জেলার উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার), চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, দুবাই, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ ছিল।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) ফারাহ শাম্মী, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ডেলিগেশন, ঢাকার হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ড. মিখাল ক্রেজা এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


বাংলা ভিউজ

প্রকাশক: মোহাম্মদ জুনাইদ
সম্পাদক: মোঃ জাকির হোসেন
ঠিকানা: ট-৩৯/১, হাসনা মঞ্জিল, গুলশান, ঢাকা - ১২১২
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত বাংলা ভিউজ